রমজানের শেষ জুমা আজ। এটি মুসলিম উম্মাহর কাছে জুমাতুল বিদা হিসেবে পরিচিত। এ জুমার বিশেষ কোনো ফজিলত না থাকলেও কিছু কথা, কিছু জিজ্ঞাসা ও করণীয় সামনে চলে আসে। রমজান শুরু হলো রহমত বরকত মাগফেরাত ও নাজাত নিয়ে। দেখতে দেখতে তা শেষ প্রান্তে। আজ শেষ জুমা। এই রমজান থেকে মুসলিম উম্মাহর প্রাপ্তি ও শিক্ষা কী? তার জন্য রমজান পরবর্তী করণীয়ই বা কী?
জুমাতুল বিদায় কিছু জিজ্ঞাসা, চিন্তা-ভাবনা ও রমজান পরবর্তী কিছু করণীয় প্রসঙ্গে জনপ্রিয় আলেম ও ইসলামিক স্কলার ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহ.)-এর একটি চমৎকার শিক্ষণীয় লেখা আছে। যা যুগান্তরের পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো—
জুমাতুল বিদার মাধ্যমে আমরা রমজানকে বিদায় জানাতে চলেছি। কিন্তু কিভাবে? বিশ্বাসঘাতকতার সঙ্গে না বিশ্বস্ততার সঙ্গে। রমজান এসেছিল কুরআন, সিয়াম, কিয়াম ও তাকওয়ার উপহার নিয়ে। আমরা কি রমজানের সঙ্গে এগুলোকেও বিদায় করে দেব? তাহলে রমজানের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হলো।
হাজেরিন, রমজানের হাদিয়া ভালোবেসে গ্রহণ করুন। কুরআন ছাড়বেন না। কত কষ্ট করে সারা মাস তারাবিহতে কুরআন শুনলেন। যদি বুঝতে পারতেন তাহলে এ শোনার আনন্দ, তৃপ্তি ও সওয়াব আরও অনেক বেশি হতো। কুরআনের নূরে হৃদয় আলোকিত হতো।
কুরআন বুঝে পড়ুন
আসুন সকলেই নিয়ত করি, আগামী রমজানের আগে একবার অন্তত পূর্ণ কুরআন অর্থসহ পাঠ করব। যেন আগামী রমজানে তারাবিহের সময় কুরআন শোনার সময় অন্তত কিছু বুঝতে পারি।
বছরব্যাপী নফল রোজা রাখুন
সিয়াম (রোজা) ছাড়বেন না। রাসুলুল্লাহ (সা.) বিভিন্ন হাদিসে বলেছেন যে, আল্লাহর সন্তুষ্টি, রহমত, বরকত ও রূহানিয়াত অর্জনের জন্য নফল সিয়াম অতুলনীয় ইবাদত। (তাহলো)—
১. প্রতি মাসে তিন দিন; বিশেষত প্রতি আররি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে (আইয়ামে বিজের) সিয়াম পালন করা।
২. প্রতি সপ্তাহে সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা পালন করা।
৩. জিলহজ মাসের প্রথম ৯ দিন রোজা পালন করা।