শিরোনাম
◈ প্রথমবারের মতো জনপরিসরে বক্তব্য দিলেন জাইমা রহমান, যা বললেন তিনি (ভিডিও) ◈ চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী সরোয়ারের প্রার্থিতা বাতিল ◈ মাদুরোকে তুলে নিতে ট্রাম্পকে সাহায্য করা সেই ‘গাদ্দার’ আসলে কে? ◈ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টার সমর্থনের কারণ জানালো সরকার ◈ পরিত্যক্ত কমিউনিটি সেন্টার থেকে সাভারে ২ জনের মরদেহ উদ্ধার ◈ ফাঁকা আসনে প্রার্থী ও যৌথ ইশতেহার চূড়ান্তের পথে ১০ দলীয় জোট ◈ যুক্তরাষ্ট্রকে অনায়াসেই হারাল বাংলাদেশ ◈ ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের জন্য বড় দুঃসংবাদ ◈ রোহিঙ্গা সংকট: আদালতের রায় নয়, প্রত্যাবাসনই বড় চ্যালেঞ্জ ◈ পার্টি নিষিদ্ধ, ব্যক্তি নয়: লতিফ সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে ইসি মাছউদ

প্রকাশিত : ০৬ জুন, ২০২৩, ০২:২৬ দুপুর
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৩, ০৭:৪০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঐতিহাসিক ‘আল-জহির বেবার্স’ মসজিদ খুলে দিলো মিসর

ইমরুল শাহেদ: মিসরের রাজধানী কায়রোতে ত্রয়োদশ শতকের অর্থাৎ ৭৫৫ বছরের পুরনো এই মসজিদটি সোমবার পুনরায় খুলে দেওয়া হয়। মিসরে নেপোলিয়নের অভিযানের সময় এই মসজিদটি একটি সামরিক দূর্গ হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। তারপর ১৯ শতকে অটোমান শাসনের অধীনে এটি ব্যবহার হয় সাবান কারখানা হিসাবে। পরে ১৮৮২ সালে ব্রিটিশরা মিসর আক্রমণ করলে এটি একটি কসাইখানা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। রয়টার্স

ইয়নের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই মসজিদটি ১২৬৮ সালে মামলুক শাসনামলে নির্মিত হয়। উত্তর কায়রোতে তিন একর জমির উপর এই মসজিদটি নির্মিত হয়েছে। মসজিদটি মিসরের তৃতীয় বৃহত্তম।

মসজিদটির সংস্কার কাজের তত্ত্বাবধান করেন তারেক মোহাম্মদ আল-বেহারি। তিনি বলছেন, মসজিদটিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য যান্ত্রিক ও রাসায়নিক সংস্কার কার্যক্রম চালানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘মসজিদের কিছু অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে, কিছু অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। কারণ সেগুলো মসজিদের অংশ হিসেবে থাকার জন্য কাঠামোগতভাবে অনুপযুক্ত ছিল। তবে আমরা সঠিক প্রত্নতাত্ত্বিক শৈলী অনুসারে কাজ করার জন্য, এমনকি পুনর্গঠনের প্রক্রিয়াতেও সেটি মেনে চলার জন্য খুব আগ্রহী ছিলাম।’

রয়টার্স জানিয়েছে, ঐতিহাসিক এই মসজিদটির সংস্কার কার্যক্রমে ব্যয় হয়েছে ৭৬ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। কাজাখস্তানের সঙ্গে সহ-অর্থায়নের মাধ্যমে ২০০৭ সালে এই সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।

বার্তা সংস্থাটি বলছে, নির্মিত হওয়ার পর থেকে মসজিদটি ধর্মীয়ভাবেই চালু ছিল। তবে গত ২২৫ বছর ধরে মসজিদটি হয় বন্ধ ছিল, আর না হয় পরিত্যক্ত বা অ-ধর্মীয় উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়ে আসছিল। আর এর ফলেই ঐতিহাসিক এই মসজিদটি ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়। সম্পাদনা: শামসুল হক বসুনিয়া

আইএম/এসএ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়