শিরোনাম
◈ বিমানবন্দরে স্যুটকেসে শ্যাম্পু-ক্রিমের বোতলে মিলল ৯২টি জীবিত সাপ-টিকটিকি, মেক্সিকান নাগরিক আটক ◈ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আগ্রহ দেখাল নেদারল্যান্ডস, চীনের পর নতুন সম্ভাবনা বাংলাদেশের সামনে ◈ আমিরাতে সক্রিয় ছিল ইরানি ‘স্লিপার সেল’, নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের তথ্য প্রকাশ! ◈ 'ইরান কখনও যুদ্ধ চায় না, তবে যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দি‌তে প্রস্তুত' ◈ নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের যে কারণে ৭০ শতাংশ ভিসা বাতিল ◈ বাংলাদেশের মতো ক্ষমতার পালাবদল চায় কংগ্রেস, বিস্ফোরক অভিযোগ রাজনাথ সিংয়ের ◈ মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক, ১৫ নভেম্বরের মধ্যে লাগানোর নির্দেশ বিআরটিএর ◈ রাশিয়ার কামচাতকায় ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামির শঙ্কা নেই ◈ বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে থমকে যাচ্ছে ঢাকার অগ্রগতি ◈ পাকিস্তান, ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা‌কে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ ১৮ অ‌ক্টোবর শুরু 

প্রকাশিত : ২৪ মার্চ, ২০২৩, ০৫:১০ বিকাল
আপডেট : ২৫ মার্চ, ২০২৩, ০৩:৫৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আফ্রিকায় সৃষ্টি হচ্ছে নতুন মহাসাগর 

সাজ্জাদুল ইসলাম: আফ্রিকা দু’ভাগে ভাগ হয়ে যাচ্ছে। তার মাঝে তৈরি হচ্ছে একটি নতুন মহাসাগর। দূরবর্তী ভবিষ্যতে এ মহাসাগর সৃষ্টি হচ্ছে। ফাটল থেকে তৈরি হবে এ মহাসাগর। বিজ্ঞানীরা একথা জানান। ইকনোমিক টাইমস

লীডস বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টোরাল শিক্ষার্থী ক্রিস্টোফার মুর বলেন, ‘কিভাবে একটি মহাদেশীয় ফাটল একটি মহাসাগরীয় ফাটলে রূপ তা আপনি কেবল এ মহাদেশেই গবেষনা করার সুযোগ পাবেন।’ তিনি বলেন, ‘আমরা মহাসাগরীয় কিভাবে সৃষ্টি হয় তা আমরা এখানে দেখতে পাবো। যা গঠন ও ঘনত্বের দিক থেকে মহাদেশী ভূ-ত্বক থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।’

ইথিওপিয়ার মরুভূমিতে এ ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এ ফাটল থেকে সৃষ্ট  নতুন মহাসাগরের সম্ভবত তীরবর্তী দেশ হবে কেনিয়া ও উগান্ডা। পূর্ব আফ্রিকান ফাটল নামে পরিচিত ৩৫ মাইল দীর্ঘ ফাটলের সৃষ্টি হয় ২০০৫ সালে। তবে এ ফাটল থেকে পূর্ণাঙ্গ মহাসাগর তৈরি হতে প্রায় ৫০ লাখ ও ১ কোটি বছর লাগতে পারে। গবেষকরা এ অভিমত ব্যক্ত করেন।  
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার মেরিন জিওফিজিসিস্ট ও এমিরেটাস প্রফেসর কেন ম্যাকডোনাল্ড বলেন, ‘আফার অঞ্চলে পূর্ব আফ্রিকান ফাটল উপত্যাকার সঙ্গে এডেন উপসাগর ও লোহিত সাগর একাকার হয়ে তৈরি হবে নতুন মহাসাগর। আর পূর্ব আফ্রিকার একাংশ নিয়ে গড়ে উঠবে একটি ছোট নতুন মহাদেশ।’ তিনি বলেন, ‘আমরা জিপিএসএর যত বেশি পরিমাপ করছি ততই আমরা কি ঘটতে যাচ্ছে সে সম্পর্কে আরো বেশি করে উপলব্ধি করতে পারছি।’

ইকনোমিক টাইমসের তথ্য অনুযায়ী এ ফাটলের কারণ অজ্ঞাত। তবে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন যে, তাদের ধারণা সাগরের তলদেশে যে ধরণের  টেক্টোনিক প্রক্রিয়া চলে ঠিক অনুরূপভাবে এ ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে। ফাটল স্থানগুলো তিনটি টেক্টোনিক প্লেটের সীমান্তে অবস্থিত। প্লেট তিনটি হলো সোমালিয়ান টেক্টোনিক প্লেট, নুবিয়ান টেক্টোনিক প্লেট ও অ্যারাবিয়ান টেক্টোনিক প্লেট। প্রতি বছর এ ফাটল কয়েক মিলিমিটার করে বাড়ছে।

নিউ অরলিন্সএর  তুলেন ইউনিভার্সিটির ভূপদার্থবিদ সিন্থিয়া এবিনগার বলেন, যে এলাকাটিতে ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে সেটি বিশ্বের সবচাইতে উত্তপ্ত অঞ্চল। সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বিরাজ করে। বিশ্বের সবচাইতে উত্তপ্ত বসতি অঞ্চল হলো আফার। সেখানে দিনের বেলা তাপমাত্রা থাকে সাধারণত ১৩০ ডিগ্রী ফারেনহাইট আর রাতে কমে ৯৫ ফারেনহাইটে নেমে আসে।

এসআই/এসবি২

  • সর্বশেষ