শিরোনাম
◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও ◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস ◈ মার্কিন অবরোধের প্রভাব: ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা কিউবার

প্রকাশিত : ২৪ মার্চ, ২০২৩, ০৫:১০ বিকাল
আপডেট : ২৫ মার্চ, ২০২৩, ০৩:৫৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আফ্রিকায় সৃষ্টি হচ্ছে নতুন মহাসাগর 

সাজ্জাদুল ইসলাম: আফ্রিকা দু’ভাগে ভাগ হয়ে যাচ্ছে। তার মাঝে তৈরি হচ্ছে একটি নতুন মহাসাগর। দূরবর্তী ভবিষ্যতে এ মহাসাগর সৃষ্টি হচ্ছে। ফাটল থেকে তৈরি হবে এ মহাসাগর। বিজ্ঞানীরা একথা জানান। ইকনোমিক টাইমস

লীডস বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টোরাল শিক্ষার্থী ক্রিস্টোফার মুর বলেন, ‘কিভাবে একটি মহাদেশীয় ফাটল একটি মহাসাগরীয় ফাটলে রূপ তা আপনি কেবল এ মহাদেশেই গবেষনা করার সুযোগ পাবেন।’ তিনি বলেন, ‘আমরা মহাসাগরীয় কিভাবে সৃষ্টি হয় তা আমরা এখানে দেখতে পাবো। যা গঠন ও ঘনত্বের দিক থেকে মহাদেশী ভূ-ত্বক থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।’

ইথিওপিয়ার মরুভূমিতে এ ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এ ফাটল থেকে সৃষ্ট  নতুন মহাসাগরের সম্ভবত তীরবর্তী দেশ হবে কেনিয়া ও উগান্ডা। পূর্ব আফ্রিকান ফাটল নামে পরিচিত ৩৫ মাইল দীর্ঘ ফাটলের সৃষ্টি হয় ২০০৫ সালে। তবে এ ফাটল থেকে পূর্ণাঙ্গ মহাসাগর তৈরি হতে প্রায় ৫০ লাখ ও ১ কোটি বছর লাগতে পারে। গবেষকরা এ অভিমত ব্যক্ত করেন।  
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার মেরিন জিওফিজিসিস্ট ও এমিরেটাস প্রফেসর কেন ম্যাকডোনাল্ড বলেন, ‘আফার অঞ্চলে পূর্ব আফ্রিকান ফাটল উপত্যাকার সঙ্গে এডেন উপসাগর ও লোহিত সাগর একাকার হয়ে তৈরি হবে নতুন মহাসাগর। আর পূর্ব আফ্রিকার একাংশ নিয়ে গড়ে উঠবে একটি ছোট নতুন মহাদেশ।’ তিনি বলেন, ‘আমরা জিপিএসএর যত বেশি পরিমাপ করছি ততই আমরা কি ঘটতে যাচ্ছে সে সম্পর্কে আরো বেশি করে উপলব্ধি করতে পারছি।’

ইকনোমিক টাইমসের তথ্য অনুযায়ী এ ফাটলের কারণ অজ্ঞাত। তবে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন যে, তাদের ধারণা সাগরের তলদেশে যে ধরণের  টেক্টোনিক প্রক্রিয়া চলে ঠিক অনুরূপভাবে এ ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে। ফাটল স্থানগুলো তিনটি টেক্টোনিক প্লেটের সীমান্তে অবস্থিত। প্লেট তিনটি হলো সোমালিয়ান টেক্টোনিক প্লেট, নুবিয়ান টেক্টোনিক প্লেট ও অ্যারাবিয়ান টেক্টোনিক প্লেট। প্রতি বছর এ ফাটল কয়েক মিলিমিটার করে বাড়ছে।

নিউ অরলিন্সএর  তুলেন ইউনিভার্সিটির ভূপদার্থবিদ সিন্থিয়া এবিনগার বলেন, যে এলাকাটিতে ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে সেটি বিশ্বের সবচাইতে উত্তপ্ত অঞ্চল। সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বিরাজ করে। বিশ্বের সবচাইতে উত্তপ্ত বসতি অঞ্চল হলো আফার। সেখানে দিনের বেলা তাপমাত্রা থাকে সাধারণত ১৩০ ডিগ্রী ফারেনহাইট আর রাতে কমে ৯৫ ফারেনহাইটে নেমে আসে।

এসআই/এসবি২

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়