শিরোনাম
◈ নেতানিয়াহুর সঙ্গে বিরল ফোনালাপ আমিরাত প্রেসিডেন্টের ◈ মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা: শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ১৪ ফ্লাইট বাতিল ◈ তৃতীয় দফায় মিসাইল ছুড়ল ইরান, ইসরায়েলজুড়ে বাজলো সাইরেন ◈ জ্বালানি সংকট সামাল দিতে দ্বিগুণ দামে এলএনজি কিনল সরকার ◈ উপসাগরে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা: ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া  ◈ জ্বালানি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স—যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ছে অর্থনৈতিক ঝুঁকি ◈ ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া ◈ জ্বালানি তেল পাচার রোধে বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির নিরাপত্তা জোরদার ◈ আমার ফ্ল্যাট থেকে কয়েক কদম দূরেই ‘যমুনা’, যেখানে ঘটেছে অসংখ্য নাটকীয় ঘটনা: শফিকুল আলম ◈ ঈদকে সামনে রেখে এলিফ্যান্ট রোড ও নিউমার্কেটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ০৩:৫৫ দুপুর
আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ০৫:১০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিবিসি নিষিদ্ধের দাবিতে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টে মামলা

ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট

মিহিমা আফরোজ: ২০০২ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কেন্দ্র করে হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে হওয়া গুজরাট দাঙ্গা নিয়ে ‘দ্য মোদি কোশ্চেন’ নামে বিবিসির প্রকাশিত তথ্যচিত্র প্রদর্শন নিষিদ্ধ করেছে ভারত। ভারত এবং কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগে বিবিসিকে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে মামলা করা হয়েছে। বিবিসি

বিবিসির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এনে সুপ্রিম কোর্টে করা আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নরেন্দ্র মোদির ওপর তৈরি তথ্যচিত্রটি ভারত ও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্র। হিন্দু সেনা সভাপতি বিষ্ণু গুপ্ত ও বীরেন্দ্রকুমার সিংহ নামের একজনের পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থে মামলাটি করা হয়েছে। শুক্রবার এই আবেদনটিকে জরুরি তালিকাভুক্ত করার জন্য আবেদনকারীদেরকে নির্দেশ দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

বিবিসি কর্মীদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি তুলেও আদালতে একটি মামলা করা হয়েছে। ভারতের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চে আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়েছে। বিবিসির তথ্যচিত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেও পাল্টা আবেদন করা হয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে। আগামী সোমবার এই আবেদনের শুনানি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার ব্রিটেনে প্রবাসী ভারতীয়রা বিবিসি এবং ওই তথ্যচিত্রটি ঘিরে বিক্ষোভ সম্প্রচারের পর ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে, এই সংস্থা সম্পূর্ণভাবে স্বাধীন। বিবিসিতে ‘দ্য মোদি কোশ্চেন’ নামের তথ্যচিত্র নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়েছিল ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নিষিদ্ধও করা হয়েছে তথ্যচিত্রটি। এটিকে ‘অপপ্রচার’ আখ্যা দিয়ে দাবি করা হয়েছে, তথ্যচিত্রটি ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকে তৈরি হয়েছে। যদিও বিবিসির দাবি, যথেষ্ট গবেষণা করে তথ্যচিত্রটি তৈরি করা হয়েছে। মোদি সরকারের ওই পদক্ষেপকে বিরোধী দলের নেতারা ‘সেন্সরশিপ’ হিসেবে অভিহিত  করেছেন। কেন্দ্রেীয় সরকারের পক্ষ থেকে তথ্যচিত্রটি নিষিদ্ধ করার পরও ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে, বিশেষ করে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে তথ্যচিত্রটি দেখানো হচ্ছে। সম্পাদনা: খালিদ আহমেদ

এমআইএ/এসএ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়