শিরোনাম
◈ আমার বক্তব্য থেকে এক ফোটাও সরব না, দেশে আর কোনো স্বপ্ন নেই: ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ টকশোতে মুখোমুখি সালমান মুক্তাদির ◈ ফারুকী-তিশার বিচ্ছেদ গুঞ্জন: ভিত্তিহীন বলছে সংশ্লিষ্টরা ◈ ঘুষের টাকা দিয়ে পোশাক লাগিয়েছি ঘুষ খাব না তো কি বায়তুল মোকাররমের ইমাম হব: এএসআইর বক্তব্যে তোলপাড় ◈ দুর্গাপূজায় রাত ১০টা পর্যন্ত শপিংমল-দোকান খোলা রাখা যাবে ◈ ৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ◈ ৬ দিন বন্ধ থাকছে একাধিক ব্যাংকের অনলাইন-এটিএম-কার্ডসহ নানা সেবা ◈ বিমানবন্দরে লাগেজ হ্যান্ডলিং লাইভ সিসিটিভিতে দেখানোর দাবিতে আইনি নোটিশ ◈ দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি, আগের শনিবার খোলা থাকবে অফিস ◈ খাদ্য নিরাপত্তায় বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৩০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি ◈ নির্মাণকাজে সংকুচিত হচ্ছে চুনতি অভয়ারণ্যের হাতির চলার পথ, বাড়ছে ট্রেন সংঘর্ষের ঝুঁকি

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ০৩:৫৫ দুপুর
আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ০৫:১০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিবিসি নিষিদ্ধের দাবিতে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টে মামলা

ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট

মিহিমা আফরোজ: ২০০২ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কেন্দ্র করে হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে হওয়া গুজরাট দাঙ্গা নিয়ে ‘দ্য মোদি কোশ্চেন’ নামে বিবিসির প্রকাশিত তথ্যচিত্র প্রদর্শন নিষিদ্ধ করেছে ভারত। ভারত এবং কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগে বিবিসিকে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে মামলা করা হয়েছে। বিবিসি

বিবিসির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এনে সুপ্রিম কোর্টে করা আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নরেন্দ্র মোদির ওপর তৈরি তথ্যচিত্রটি ভারত ও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্র। হিন্দু সেনা সভাপতি বিষ্ণু গুপ্ত ও বীরেন্দ্রকুমার সিংহ নামের একজনের পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থে মামলাটি করা হয়েছে। শুক্রবার এই আবেদনটিকে জরুরি তালিকাভুক্ত করার জন্য আবেদনকারীদেরকে নির্দেশ দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

বিবিসি কর্মীদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি তুলেও আদালতে একটি মামলা করা হয়েছে। ভারতের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চে আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়েছে। বিবিসির তথ্যচিত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেও পাল্টা আবেদন করা হয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে। আগামী সোমবার এই আবেদনের শুনানি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার ব্রিটেনে প্রবাসী ভারতীয়রা বিবিসি এবং ওই তথ্যচিত্রটি ঘিরে বিক্ষোভ সম্প্রচারের পর ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে, এই সংস্থা সম্পূর্ণভাবে স্বাধীন। বিবিসিতে ‘দ্য মোদি কোশ্চেন’ নামের তথ্যচিত্র নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়েছিল ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নিষিদ্ধও করা হয়েছে তথ্যচিত্রটি। এটিকে ‘অপপ্রচার’ আখ্যা দিয়ে দাবি করা হয়েছে, তথ্যচিত্রটি ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকে তৈরি হয়েছে। যদিও বিবিসির দাবি, যথেষ্ট গবেষণা করে তথ্যচিত্রটি তৈরি করা হয়েছে। মোদি সরকারের ওই পদক্ষেপকে বিরোধী দলের নেতারা ‘সেন্সরশিপ’ হিসেবে অভিহিত  করেছেন। কেন্দ্রেীয় সরকারের পক্ষ থেকে তথ্যচিত্রটি নিষিদ্ধ করার পরও ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে, বিশেষ করে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে তথ্যচিত্রটি দেখানো হচ্ছে। সম্পাদনা: খালিদ আহমেদ

এমআইএ/এসএ

  • সর্বশেষ