শিরোনাম
◈ কূটনৈতিক টানাপোড়েন অব্যাহত, ঢাকার পরবর্তী হাইকমিশনারের নিয়োগে ভারতের সম্মতি মেলেনি! ◈ যুক্তরাষ্ট্রে হামের প্রকোপ, পেনসিলভেনিয়ায় চার জ‌নের মৃত্যু ◈ মক্কার কাছে হুতিদের ড্রোন হামলার চেষ্টা, ভূপাতিত করল সৌদি ◈ এল‌চের বিরু‌দ্ধে রিয়াল মাদ্রিদের সৌভাগ‌্যপ্রসুত জয়  ◈ এক সপ্তা‌হে ৩‌টি প্রী‌তি ম‌্যাচ খেল‌তে মা‌ঠে নাম‌ছে আর্জেন্টিনা ◈ ইমরান খানের সমর্থনে অস্ট্রেলিয়ার ৭ প্রাক্তন ক্রিকেট অ‌ধিনায়ক, সরকারের কাছে মানবিক পদক্ষেপের আর্জি  ◈ জিন্নাহর ছবি ছেঁড়া ও গোলাম আযমের ছবি টাঙানোয় ক্ষুব্ধ ডাকসু, ‘মব’ উল্লেখ করে বিচার দাবি নেতাদের ◈ স্থানীয় নির্বাচনে মুখোমুখি জামায়াত-এনসিপি, ১১ দলীয় জোটে কি প্রভাব পড়বে? ◈ ঢাবির জগন্নাথ হলের পাশে পরপর দুই ককটেল বিস্ফোরণ ◈ গুজব ছড়ানো পেজ ও অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল বন্ধের নির্দেশ

প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৫:১২ বিকাল
আপডেট : ২৫ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৫:১২ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চীনের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ মিয়ানমার ঐক্য সরকারের

দো জিন মার অং ও অং সান সুচি

ইমরুল শাহেদ: জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমারে সহিংসতা বন্ধের জন্য গৃহীত প্রস্তাবে চীন কোনো বাধা না দেওয়ায় এবং মিয়ানমারের জনগণের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার জন্য দেশটির জাতীয় ঐক্য সরকার চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। ইরাবতি

লুনার নিউ ইয়ার উপলক্ষে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক বার্তায় ঐক্য সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দো জিন মার অং বলেছেন, ‘মিয়ানমারের বেসামরিক লোকদের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে মিয়ানমারের পক্ষে পিপলস রিপাবলিক অব চীনের অবস্থান ও সমর্থনের জন্য আমরা (ঐক্য সরকার) কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’

মিয়ানমারে সব ধরনের সহিংসতা বন্ধ চেয়ে গত ডিসেম্বরে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব গৃহীত হয়। সকল রাজবন্দীকে মুক্তি দেওয়ার বিষয়টিও প্রস্তাবে আছে। বিশেষ করে ডি-ফ্যাক্টো নেত্রী অং সান সুচি এবং প্রেসিডেন্ট উইন মিন্তকেও মুক্তি দেওয়ার কথা বলা হয়েছ। আসিয়ান দেশগুলোর দেওয়া পাঁচ দফা প্রস্তাব বাস্তবায়নের জোর দেওয়া হয়েছে প্রস্তাবে। 

নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাবটি আনে যুক্তরাজ্য এবং প্রস্তাবটির বিপক্ষে কোনো ভোট পড়েনি। চীন এবং রাশিয়া ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকে। তারা নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য। ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকে ভারতও। 

দো জিন মার বলেছেন, কোনো পক্ষ না নেওয়ার চীনের সিদ্ধান্ত মিয়ামারের জনগণের পক্ষেই গেছে। তারা মিয়ানমারের ভালো প্রতিবেশীর স্বাক্ষরও রেখেছে। চীনের এই অবস্থানকে মিয়ানমারের জনগণ সব সময়ই স্মরণে রাখবে। 

তিনি বেইজিংকে নিশ্চিত করে বলেন, ‘মিয়ানমারের জনগণের বিপ্লবের ফসল এবং ঐক্য সরকারের গ্লানি কখনোই আঞ্চলিক দেশগুলোর উন্নয়নের স্বার্থবিরোধী হবে না, এমনকি চীনের স্বার্থও বিঘ্নিত করবে না।’

এর সঙ্গে তিনি বলেন, ‘ঐক্য সরকার ও মিয়ানমারের জনগণ কল্পিত ফেডারেল ন্যাশন ধারণা চীনসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে পৌঁছে দিতে চায়।’ আগামীতে প্রতিবেশীদের সঙ্গে দেশটি সুসম্পর্ক চায় বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।   

আইএম/এসএ

  • সর্বশেষ