শিরোনাম
◈ নিউইয়র্কে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজকে প্রবাসীদের কটূক্তি ও হেনস্তার অভিযোগ (ভিডিও) ◈ ককটেল বিস্ফোরণ: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ডিএমপি ◈ সরকারি চাকরিতে মামলা চললে পদোন্নতি নয়, দণ্ড শেষেও দুই বছর অপেক্ষা ◈ ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে তিন জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৬৫ ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনে মোদি অনুপস্থিত কেন, ভারতের কূটনীতিতে কী বার্তা? ◈ নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় বাংলাদেশসহ ৭৭ দেশের ওয়াকআউট ◈ নভেম্বরের মাঝামাঝি হতে পারে এইচএসসির ফল প্রকাশ  ◈ মহেশখালীতে এলএনজি স্থানান্তর শুরু, দেশে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি ◈ দেশের সব ইউনিয়নের হাট-বাজারে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ সরকারের ◈ জরুরি নির্দেশনা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলকারীদের জন্য

প্রকাশিত : ০৭ জুলাই, ২০২৬, ০৬:২৩ বিকাল
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো ছাড়লে কতটা নিরাপদ থাকবে ইউরোপ? : আল-জাজিরার বিশ্লেষণ

যুক্তরাষ্ট্র যদি উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট (ন্যাটো) থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়, তবে জোটটি পুরোপুরি ভেঙে না পড়লেও ইউরোপের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এক নজিরবিহীন সংকটের মুখে পড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ওয়াশিংটনের বিদায়ের পরও হয়তো ইউরোপীয় দেশগুলোর নেতৃত্বে ন্যাটো টিকে থাকবে, তবে এই বিচ্ছেদ ন্যাটোর কার্যকারিতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

বর্তমানে ন্যাটোর ইউরোপীয় সদস্য রাষ্ট্রগুলো প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চরমভাবে নির্ভরশীল। বিশেষ করে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, সার্বক্ষণিক নজরদারি ও পুনরুদ্ধার অভিযান, এবং স্যাটেলাইট ইন্টেলিজেন্সের মতো মহাকাশ-ভিত্তিক প্রযুক্তিতে ইউরোপ অনেকটাই ওয়াশিংটন-নির্ভর। এছাড়া সামরিক রসদ সরবরাহ এবং সমন্বিত বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতেও মার্কিন সহায়তা ছাড়া ইউরোপ কার্যত পঙ্গু।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র চলে গেলে সামরিক খাতের এই বিশাল শূন্যতা পূরণ করতে ইউরোপের অন্তত এক দশক বা তারও বেশি সময় লেগে যাবে। শুধু মার্কিন সামরিক সক্ষমতার মূল উপাদানগুলো প্রতিস্থাপন করতেই ইউরোপীয় দেশগুলোকে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন (এক লাখ কোটি) ডলার ব্যয় করতে হবে। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় ইউরোপের প্রতিরক্ষা শিল্পগুলো এত দ্রুত উৎপাদন বাড়াতে হিমশিম খাচ্ছে। এর ওপর, ইউরোপের অনেক দেশের সেনাবাহিনীই তাদের প্রয়োজনীয় সেনা নিয়োগ এবং বর্তমান সৈন্যদের ধরে রাখার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারছে না।

তবে তাত্ত্বিকভাবে এই বিপর্যয় যতটা সহজ মনে হচ্ছে, বাস্তবে তা ঘটিয়ে ফেলা ততটা সহজ নয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চাইলেই একতরফাভাবে বা নিজের ইচ্ছামতো যুক্তরাষ্ট্রকে ন্যাটো থেকে বের করে নিতে পারবেন না। আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী, ন্যাটো থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করতে হলে মার্কিন সিনেটের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন অথবা কংগ্রেসের একটি বিশেষ আইনের প্রয়োজন হবে। 

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অদূর ভবিষ্যতে এমনটি ঘটার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের অধিকাংশ আইনপ্রণেতার মধ্যেই ন্যাটোর প্রতি এখনও জোরালো সমর্থন রয়েছে।

  • সর্বশেষ