সুইজারল্যান্ডে ইরানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তবে লেবাননের পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালি ঘিরে মতপার্থক্য এখনো কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।
রবিবার সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ভ্যান্স জানান, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগ ইতিবাচক ফল দিচ্ছে।
ভ্যান্স বলেন, ‘গত কয়েক দিনে আমরা বড় ধরনের অগ্রগতি দেখেছি। আমরা এমন একটি ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছি, যেখানে সবাই একসঙ্গে কাজ করে শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারবে।’
এক সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আওতায় এটি ছিল প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।
ওই সমঝোতার লক্ষ্য ছিল আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানো, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা এবং বিস্তৃত নিরাপত্তা ইস্যুতে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া।
আঞ্চলিক যুদ্ধবিরতিতে জোর
ভ্যান্স বলেন, ‘ট্রাম্প প্রশাসন পুরো অঞ্চলে একটি ব্যাপক যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এর মধ্যে লেবাননে বিদ্যমান নাজুক যুদ্ধবিরতি বজায় রাখাও অন্তর্ভুক্ত। সেখানে (লেবানন) যুদ্ধবিরতি কার্যকর রাখতে গত কয়েক দিনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
তবে তিনি স্বীকার করেন যে এ ধরনের সমঝোতা বাস্তবায়ন অনেক সময় ‘কিছুটা জটিল ও বিশৃঙ্খল’ হয়ে থাকে।
ভাইস প্রেসিডেন্ট আরও জানান, ট্রাম্প মার্কিন আলোচকদের কূটনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করার পূর্ণ ক্ষমতা দিয়েছেন এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক সমঝোতা অর্জনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
এর আগে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থততায় এবার সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।