শিরোনাম
◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন

প্রকাশিত : ১৬ জুন, ২০২৬, ০৫:৩৪ বিকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘আমি না থাকলে ইসরায়েল থাকত না’, জি–৭ সম্মেলনে ট্রাম্প

কাতারের শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি (বামে) ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: আল-জাজিরা থেকে সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, লেবাননের বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে আরও দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ছাড়া ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকে থাকতো না এবং তার প্রশাসনের নেওয়া পদক্ষেপের কারণে ইসরায়েল আরও শক্ত অবস্থানে রয়েছে।

ট্রাম্প বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র না থাকলে ইসরায়েল থাকতো না।” 

advertisement

তিনি আরও বলেন, “আমাকে ছাড়া ইসরায়েল থাকতো না, কারণ অন্য কোনও প্রেসিডেন্ট এমন পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত ছিলেন না, যা আমি নিয়েছি।”

ফ্রান্সের এভিয়াঁয় জি–৭ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে কাতারের আমিরের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন ট্রাম্প।

advertisement

এ সময় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো উল্লেখ করেও ট্রাম্প লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, লেবাননে অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে নেতানিয়াহুকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।

ইরান চুক্তির ঠিক আগে লেবাননের বৈরুতে ইসরায়েলের হামলা তিনি ‘পছন্দ করেননি’ বলেও উল্লেখ করেন ট্রাম্প।

advertisement

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, “ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের ‘দুই ঘণ্টা’ আগে বৈরুতে ইসরায়েলের হামলা আমি ‘পছন্দ করিনি’।

“আমি তাদের তা জানিয়ে দিয়েছি। আমি এটা পছন্দ করিনি, মোটেই না।”

ট্রাম্প বলেন, ইসরায়েল দীর্ঘ সময় ধরে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে এবং এতে ‘অনেক মানুষ নিহত হচ্ছে’।

তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনও সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর সময় সাধারণ মানুষের প্রাণহানির বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেন, “কাউকে খুঁজতে গিয়ে প্রতিবার একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবন ধ্বংস করার প্রয়োজন নেই। কারণ এসব ভবনে অনেক মানুষ থাকে, আর তাদের সবাই হিজবুল্লাহর সদস্য নয়।”

লেবাননে হিজবুল্লাহ মোকাবিলার বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, তিনি ইসরায়েলকে পরামর্শ দিয়েছেন, যেন সিরিয়াকে এ বিষয়ে ভূমিকা পালনের সুযোগ দেওয়া হয়। তার ভাষায়, “সত্যি বলতে, আমি মনে করি তারা (সিরিয়া) এ কাজটি আরও ভালোভাবে করতে পারবে।”

ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাত এবং বেসামরিক মানুষের হতাহতের ঘটনা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যে লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থানে কিছুটা ভিন্ন সুর দেখা যাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প একদিকে ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের সমর্থনের কথা তুলে ধরেছেন, অন্যদিকে লেবাননে সামরিক অভিযানে বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতি কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেছেন। সূত্র: আল-জাজিরা

 

  • সর্বশেষ