শিরোনাম
◈ ১.৯ বিলিয়ন ডলারের ঋণ অনুমোদন: বাজেট সহায়তায় জোর, বাড়ছে অনমনীয় ঋণের চাপ ◈ সমঝোতার নামে ডেকে নেয় পিচ্চি হেলাল, কিলিং মিশনে ‘কিলার বাদল’ ও ‘ডাগারি রনি’: বেরিয়ে আসছে আন্ডারওয়ার্ল্ড চক্র ◈ অনিয়ম ও নীতিমালা লঙ্ঘনে অভিযুক্ত ২৩১১ সার ডিলার: কৃষিমন্ত্রী ◈ বর্তমান সংসদ অতীতের ১২টি সংসদের তুলনায় বেশি বৈচিত্র্যময়: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ◈ বজ্রপাতে মৃত্যু থামছেই না, আবারও ১৩ প্রাণহানি ◈ মেঘালয়ের জলবিদ্যুৎ বাঁধ: বাংলাদেশের জন্য নতুন ‘মরণফাঁদ’ ◈ বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্কে নতুন গতি: বিনিয়োগ ও জনশক্তি রফতানিতে জোর প্রধানমন্ত্রীর ◈ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কোন দেশ কবে উৎপাদন শুরু করে ◈ সংসদ সচিবালয় কমিশন বৈঠক: ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ২৯০ কোটি ৬০ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন ◈ জুলাই সনদ উপেক্ষা করে সংস্কার প্রস্তাব ‘প্রতারণা’: আইন মন্ত্রী

প্রকাশিত : ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ০২:৫৫ রাত
আপডেট : ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বোমা নয়, অবরোধে জোর—ইরানের অর্থনীতিতে চাপ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের ভূখণ্ডে বোমা হামলার চেয়ে নৌ অবরোধ দীর্ঘায়িত করাকেই এখন উপযুক্ত কৌশল বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র। তেল রপ্তানিতে বাধা দেওয়ার মাধ্যমে তেহরানের অর্থনীতিকে চাপে রাখতে চাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আরও বেশ কয়েক দিন অবরোধ অব্যাহত রাখার প্রস্তুতি নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলেছে, বর্তমানে সামরিক অভিযানের চেয়ে নৌ অবরোধকেই কম ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন ট্রাম্প। এই কৌশলের আরেকটি উদ্দেশ্য হলো, অর্থনৈতিক চাপে রাখার মাধ্যমে ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচির আশা ছেড়ে দিতে বাধ্য করা।

ট্রাম্প মনে করছেন, ইরান সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা করছে না। তাই তিনি চান, ইরান অন্তত ২০ বছরের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত করুক এবং কঠোর বিধিনিষেধ মেনে চলুক।  

এএফপি জানায়, ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় গত সোমবার হোয়াইট হাউসে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি সিদ্ধান্ত নেন, ইরানে আবার বোমা হামলা শুরু করা অথবা সংঘাত থেকে পুরোপুরি সরে যাওয়া– দুটিই বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। এ জন্য দাবি না মানা পর্যন্ত মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের তেল রপ্তানির ওপর চাপ বজায় রাখবে।  হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের ওপর নৌ অবরোধ আরও কয়েক মাস বাড়তে পারে। 

এদিকে দুই সপ্তাহের মার্কিন নৌ অবরোধের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ইরানের অর্থনীতিতে। বুধবার মার্কিন ডলারের বিপরীতে তাদের মুদ্রার মান সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে। 

এএফপি জানায়, খোলাবাজারে এক মার্কিন ডলার লেনদেন হয়েছে প্রায় ১৮ লাখ রিয়ালে। দুই মাস আগে এক ডলারের বিনিময় হার ছিল প্রায় ১৭ লাখ রিয়াল। অন্যদিকে, ইরানি বার্তা সংস্থা আইএসএনএর বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, গত দুদিনে রিয়ালের মূল্য প্রায় ১৫ শতাংশ কমে গেছে। ছয় সপ্তাহের লড়াই চলাকালে বৈদেশিক মুদ্রার যে চাহিদা জমে ছিল, তা এখন খোলাবাজারে প্রবাহিত হচ্ছে।

‘আগে যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি’

যুদ্ধের অবসান নিয়ে ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাবে বলা হয়েছে, অস্ত্রবিরতির আওতায় স্থগিত থাকা সংঘাত আগে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ করা হোক। যতদিন এটি না হবে, ততদিন তারা পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনাও স্থগিত রাখবে। মূলত এখানেই অখুশি হয়েছেন ট্রাম্প। এর পরই ট্রুথ সোশ্যালে একটি ছবির ক্যাপশনে ট্রাম্প লেখেন, ‘অনেক সহ্য করেছি, আর নয়।’

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়