শিরোনাম
◈ পার্থের বক্তব্য ঘিরে সংসদ আবার উত্তপ্ত ◈ ইরানের হামলার জবাব কীভাবে দেওয়া হবে তার পরিপ্রেক্ষিতে বৈঠকে বসছে ৬ মুসলিম দেশ ◈ পাকিস্তান-আফগানিস্তান ভয়াবহ যুদ্ধের শঙ্কা, মধ্যস্থতার চেষ্টা চীনের ◈ চলমান যুদ্ধ বন্ধে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নতুন শান্তি প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে ইরান ◈ সংসদে তুমুল হট্টগোল: ফজলুর রহমানের বক্তব্য ঘিরে উত্তেজনা, স্পিকারের হস্তক্ষেপ ◈ সর্তকতা জারির পরদিনই শাহজালাল বিমানবন্দরে নিরাপত্তা বেষ্টনী পেরিয়ে রানওয়েতে ঢুকে গেলেন যুবক! ◈ সিঙ্গাপুরকে হারিয়ে নারী এশিয়ান গেমস বাছাইয়ের ফাইনালে বাংলাদেশ ◈ চল‌তি বছর মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ- আইএমএফের পূর্বাভাসের অর্থ কী? ◈ ‘পুলিশে বড় নিয়োগের ঘোষণা, নতুন করে ১৪ হাজার ৫০০ পদ সৃষ্টি হচ্ছে’ ◈ বাংলাবাজারে বইয়ের দোকানে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের দুই ইউনিট

প্রকাশিত : ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:৩৯ রাত
আপডেট : ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রযুক্তি ও অবকাঠামোয় এগিয়ে থাকা বিশ্বের শহরগুলো

উন্নত অবকাঠামো কেবল ইট-পাথরের স্থাপত্য নয়, বরং এটি একটি আধুনিক জাতির সমৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সচলতার আসল ভিত্তি। সিঙ্গাপুর থেকে জাপান বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর সফলতা নিয়ে লিখেছেন অনিন্দ্য নাহার হাবীব

কল্পনা করুন একটি মানুষের শরীরের কথা। আমাদের শরীরের ভেতর যেমন শিরা-উপশিরার একটি জাল বিছানো আছে, যা রক্ত এবং অক্সিজেন বহন করে শরীরকে সচল রাখে, ঠিক তেমনি একটি দেশের শিরা-উপশিরা হলো তার অবকাঠামো বা ইনফ্রাস্ট্রাকচার। একটি দেশের রাস্তা দেখলেই তার ভবিষ্যৎ বোঝা যায় এই কথাটি আধুনিক অর্থনীতিতে ধ্রুব সত্যের মতো। অবকাঠামো বলতে আমরা কেবল বিশাল কোনো সেতু বা চওড়া রাস্তাকে বুঝি না। এর পরিধি অনেক গভীরে। আপনার ঘর পর্যন্ত পৌঁছানো বিদ্যুতের তার, কল দিয়ে পড়া পরিষ্কার পানি, হাতের স্মার্টফোনে থাকা উচ্চগতির ইন্টারনেট এবং প্রতিদিন যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত ট্রেন বা বাস সবকিছুই এই মহাযজ্ঞের অংশ। এটি যখন নিখুঁত হয় তখন মানুষের জীবন হয় সহজ এবং আরামদায়ক আর যখন এটি ভেঙে পড়ে তখন থমকে যায় পুরো একটি জাতির চাকা। অবকাঠামো হলো সেই অদৃশ্য শক্তি যা একটি রাষ্ট্রকে দারিদ্র্য থেকে বের করে উন্নত বিশ্বের কাতারে নিয়ে যায়। এটি কেবল ইট-পাথরের স্থাপত্য নয় বরং এটি হলো উন্নয়নের আসল ভাষা।

অবকাঠামোয় শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট

আজকের বিশ্বে অবকাঠামোর দৌড়ে দেশগুলোর মধ্যে এক অদৃশ্য প্রতিযোগিতা চলছে। এই প্রতিযোগিতায় যারা শীর্ষে আছে তারা কেবল অর্থ দিয়েই নয় বরং তাদের মেধা এবং দূরদর্শী পরিকল্পনা দিয়ে জয়ী হয়েছে। সিঙ্গাপুরকে বলা হয় আধুনিক অবকাঠামোর তীর্থস্থান। এই ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্রটি প্রমাণ করেছে যে ভূখণ্ড ছোট হলেও অদম্য ইচ্ছা থাকলে তাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুশৃঙ্খল স্বর্গরাজ্যে পরিণত করা সম্ভব। সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দর বা তাদের গভীর সমুদ্রবন্দর কেবল যাতায়াতের জায়গা নয় বরং এগুলো একেকটি আধুনিক প্রকৌশল বিস্ময়। জাপানের কথা না বললে অবকাঠামোর গল্প অসম্পূর্ণ থেকে যায়। ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ হওয়া সত্ত্বেও তারা যেভাবে আকাশচুম্বী ভবন এবং বুলেট ট্রেনের নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে তা সারা বিশ্বের জন্য একটি বড় পাঠ। নেদারল্যান্ডসের লড়াই আবার প্রকৃতির সঙ্গে। সমুদ্রের পানির তোড় থেকে নিজেদের ভূখণ্ড বাঁচাতে তারা যে বিশাল বাঁধ বা ডাইক সিস্টেম তৈরি করেছে তা মানুষের সৃজনশীলতার এক অনন্য জয়। অন্যদিকে চীন গত কয়েক দশকে যেভাবে হাজার হাজার মাইল দীর্ঘ হাইস্পিড রেললাইন এবং শত শত নতুন শহর গড়ে তুলেছে তা আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এবং দ্রুততম নির্মাণযজ্ঞ হিসেবে স্বীকৃত।

সময়ের চেয়েও দ্রুত

পরিবহন অবকাঠামো হলো একটি দেশের অর্থনীতির জ্বালানি। পণ্য এবং মানুষ যত দ্রুত এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পৌঁছাতে পারে ব্যবসা-বাণিজ্য তত বেশি সমৃদ্ধ হয়। জাপানের শিনকানসেন বা বুলেট ট্রেনের গল্প আমাদের সবার জানা। কয়েক দশক ধরে চলে আসা এই ট্রেনগুলো আজ পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার শিকার হয়নি। তাদের এই নিখুঁত নিরাপত্তা এবং কয়েক সেকেন্ডের সময়ের হিসাব জাপানিজদের বিশ্বস্ততার প্রতীক। ইউরোপের জার্মানি বা ফ্রান্সের এক্সপ্রেসওয়ে এবং হাইস্পিড ট্রেনগুলো শহরগুলোর মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে দিয়েছে কয়েক মিনিটে। বর্তমানে হাইপারলুপ বা ম্যাগলেভ ট্রেনের মতো প্রযুক্তির কথা ভাবা হচ্ছে যা শব্দের গতির কাছাকাছি পৌঁছাবে। পরিবহন অবকাঠামো কেবল দ্রুত চলাচলের জন্য নয় বরং এটি পরিবেশের ওপর চাপ কমানোর একটি মাধ্যমও বটে। উন্নত দেশগুলো এখন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বা গণপরিবহনকে এত বেশি আকর্ষণীয় করে তুলেছে যে মানুষ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে না। একটি শহরের সজীবতা নির্ভর করে তার গণপরিবহন কতটা শক্তিশালী এবং সহজলভ্য তার ওপর।

ডিজিটাল অবকাঠামো

আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি যেখানে ইন্টারনেটের গতি কমে গেলে থমকে যায় কোটি কোটি ডলারের বাণিজ্য। তাই আধুনিক অবকাঠামোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং অদৃশ্য অংশ হলো ডিজিটাল ব্যাকবোন। এস্তোনিয়ার মতো একটি ছোট দেশ আজ এই ক্ষেত্রে পৃথিবীর গুরু হয়ে উঠেছে। তাদের দেশে প্রায় প্রতিটি সরকারি সেবা নাগরিকরা ঘরে বসেই অনলাইনে পায়। একে বলা হয় ই-গভর্নেন্স। ডিজিটাল অবকাঠামো মানে কেবল দ্রুতগতির ইন্টারনেট নয় বরং এটি হলো ডেটা সেন্টার, সাইবার নিরাপত্তা এবং নিরবচ্ছিন্ন কানেক্টিভিটির একটি বিশাল কাঠামো। যখন একটি দেশের প্রতিটি কোণ ফাইবার অপটিক ক্যাবল দিয়ে যুক্ত থাকে তখন শিক্ষা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যসেবা সবই মানুষের হাতের মুঠোয় চলে আসে। স্মার্ট সিটি বা আধুনিক শহরের ধারণা এখন পুরোপুরি এই ডিজিটাল অবকাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে। সেন্সর এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, পানির অপচয় রোধ এবং বিদ্যুতের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে। ভবিষ্যতের পৃথিবী হবে এমন এক জায়গা যেখানে প্রতিটি জড় বস্তুও ইন্টারনেটের মাধ্যমে কথা বলবে যা সম্ভব হবে কেবল শক্তিশালী ডিজিটাল কাঠামোর জোরেই।

প্রকৃতির সঙ্গে মিতালী

উন্নয়ন মানেই প্রকৃতির ধ্বংস নয় এই দর্শন নিয়ে এখন কাজ করছে আধুনিক বিশ্ব। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে যখন সমুদ্রের উচ্চতা বাড়ছে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘন ঘন হানা দিচ্ছে তখন প্রয়োজন পড়ছে টেকসই অবকাঠামোর। নেদারল্যান্ডস এ ক্ষেত্রে সারা বিশ্বের পথপ্রদর্শক। তারা পানির সঙ্গে যুদ্ধ না করে পানির সঙ্গে মিলেমিশে থাকার কৌশল রপ্ত করেছে। তাদের শহরগুলোতে এমন সব পার্ক বা চত্বর আছে যা বৃষ্টির সময় বিশাল জলাধার হিসেবে কাজ করে শহরকে বন্যার হাত থেকে বাঁচায়। একইভাবে এখনকার অবকাঠামো নির্মাণে ব্যবহার করা হচ্ছে পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী। সৌরশক্তি এবং বায়ুশক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন এখন বিলাসিতা নয় বরং প্রয়োজনে পরিণত হয়েছে। ডেনমার্ক বা নরওয়ের মতো দেশগুলো তাদের জ্বালানি চাহিদার বিশাল অংশ পূরণ করছে প্রকৃতি থেকে। টেকসই অবকাঠামো হলো সেই বিনিয়োগ যা পরবর্তী কয়েক প্রজন্মকে একটি বাসযোগ্য এবং নিরাপদ পৃথিবী উপহার দেবে। এটি এমন এক পদ্ধতি যা বর্তমানের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য সম্পদ জমিয়ে রাখে।

শ্রেষ্ঠত্বের রহস্য

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে কিছু দেশ কেন এত উন্নত অবকাঠামো তৈরি করতে পারে আর অন্যরা কেন পারে না। এর পেছনে সবচেয়ে বড় রহস্য হলো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। উন্নত দেশগুলো কেবল আগামী কয়েক বছরের কথা ভেবে কোনো প্রকল্প হাতে নেয় না বরং তারা ৫০ বা ১০০ বছর পরের জনসংখ্যার চাপ এবং প্রযুক্তির কথা মাথায় রেখে মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করে। তাদের দ্বিতীয় বড় হাতিয়ার হলো সুশাসন এবং দুর্নীতির অনুপস্থিতি। যখন প্রকল্পের প্রতিটি টাকা সঠিকভাবে খরচ হয় তখন কাজের মান হয় দীর্ঘস্থায়ী। এছাড়া তারা রক্ষণাবেক্ষণের ওপর চরম গুরুত্ব দেয়। আমাদের দেশে অনেক সময় দেখা যায় একটি রাস্তা বানানোর কয়েক মাস পরেই তা ভেঙে যাচ্ছে কিন্তু উন্নত বিশ্বে নিয়মিত তদারকি এবং উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারের কারণে তাদের স্থাপনাগুলো কয়েক দশক ধরে অমলিন থাকে। তারা নির্মাণের আগে গবেষণায় প্রচুর সময় ব্যয় করে যাতে কোনো ধরনের খুঁত না থাকে। এই নিখুঁত হওয়ার জেদই তাদের বাকিদের থেকে আলাদা করে রেখেছে।

উন্নয়নশীল দেশের সংকট

উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অবকাঠামো উন্নয়ন অনেকটা পাহাড়ে ওঠার মতো চ্যালেঞ্জিং। প্রথম এবং প্রধান সমস্যা হলো অর্থের অভাব। বড় কোনো মেগা প্রজেক্ট বা গভীর সমুদ্রবন্দর করতে গেলে বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভর করতে হয় যা অনেক সময় ঋণের ফাঁদ তৈরি করে। এছাড়া দ্রুত বর্ধনশীল জনসংখ্যা এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণ একটি বড় অন্তরায়। শহরের ভেতরে নতুন কোনো সেবা নিশ্চিত করতে গেলে পুরনো স্থাপনা ভাঙা এবং জমি অধিগ্রহণ করা অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে মাঝপথে প্রকল্প থমকে যায় যার ফলে বিপুল পরিমাণ অর্থের অপচয় হয়। তবে এই সংকট থেকে বের হওয়ার পথও আছে। বড় প্রকল্পের পাশাপাশি ছোট এবং কার্যকর প্রকল্পের ওপর জোর দেওয়া দরকার। স্থানীয় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং শাসনব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পারলে সীমিত সম্পদ দিয়েও মানসম্মত কাজ করা সম্ভব। উন্নয়নশীল দেশগুলোর উচিত হবে মেগা প্রজেক্টের পেছনে না ছুটে আগে সঠিক পরিকল্পনা এবং দক্ষ জনবল তৈরি করা।

বাংলাদেশ

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অবকাঠামোগত উন্নয়নের জোয়ার এখন দৃশ্যমান। পদ্মা সেতু, মেট্রো রেল বা কর্ণফুলী টানেলের মতো প্রকল্পগুলো আমাদের সক্ষমতার জানান দিচ্ছে। তবে এই সাফল্যের ধারা বজায় রাখতে হলে আমাদের কিছু জায়গায় আমূল পরিবর্তন আনতে হবে। আমাদের শহরগুলোকে আরও পরিকল্পিতভাবে সাজাতে হবে এবং জলাবদ্ধতা দূরীকরণে আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে। কেবল কংক্রিটের জঙ্গল না বানিয়ে আমাদের সবুজ অবকাঠামো বা পার্কের ওপর জোর দিতে হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশের পথে আমাদের যাত্রা সফল করতে হলে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট এবং সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। জাপানের সময়ানুবর্তিতা এবং সিঙ্গাপুরের পরিচ্ছন্নতা থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। আমাদের প্রতিটি প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নির্দিষ্ট বিভাগ থাকতে হবে যারা নিয়মিত তদারকি করবে। যদি আমরা সঠিক নকশা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে পারি তবে বিশ্বের সেরা অবকাঠামোর মানচিত্রে বাংলাদেশও একদিন উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে উঠবে।

স্বপ্নের শহর

আমরা কেমন পৃথিবী চাই বা আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম কেমন শহর দেখবে, তা নির্ভর করছে আজকের পরিকল্পনার ওপর। একটি সুশৃঙ্খল রাস্তা, একটি দ্রুতগামী ট্রেন বা একটি শক্তিশালী ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক কেবল আমাদের কাজকে সহজ করে না বরং এটি আমাদের মর্যাদা বাড়িয়ে দেয়। বিশ্বের সেরা দেশগুলো আমাদের দেখিয়েছে যে মেধা আর নিষ্ঠার সমন্বয় ঘটলে মরুভূমিতেও আধুনিক শহর গড়ে তোলা সম্ভব। আধুনিক অবকাঠামো মানেই হলো সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যাওয়া এবং মানুষের জীবনকে আরও বেশি মানবিক করে তোলা। আজকের পৃথিবী একটি বৈশ্বিক গ্রামে পরিণত হয়েছে এবং এই গ্রামকে যারা যত বেশি সুন্দর ও কার্যক্ষম করে সাজাতে পারবে তারাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। অবকাঠামোর এই জয়যাত্রা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে মানুষের সৃজনশীলতার কোনো সীমা নেই এবং সঠিক পথে হাঁটলে যেকোনো অসম্ভবকেই সম্ভব করা যায়।

সূত্র: দেশ রূপান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়