শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্রের পর ইসরায়েলেও যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ, চাপে নেতানিয়াহু ◈ হরমুজ প্রণালী দিয়ে পাকিস্তানের ২০ জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিল ইরান ◈ ৪৭.৫ মিলিয়ন ডলারে ব্যাংক এশিয়ার কাছে বাংলাদেশি কার্যক্রম বিক্রি করছে ব্যাংক আলফালাহ ◈ টানা ছুটি শেষে আজ থেকে খুলছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জারি নতুন নির্দেশনা ◈ রাশিয়া-ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত: বাংলাদেশের বিকল্প শ্রমবাজারের অপেক্ষা ◈ যুক্তরাষ্ট্রে ‘ভয়ংকর অপরাধে’ গ্রেপ্তার ১০ বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ ◈ ‘প্রত্যেক নাগরিককে ২৫০০ টাকা বৈশাখী ভাতা’ নিয়ে যা জানা গেল ◈ জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, আইনশৃঙ্খলা মেনে চলার নির্দেশ ◈ ভূমধ্যসাগরে দিক হারিয়ে ৬ দিন ভেসে থাকার পর ২১ বাংলাদেশিসহ ২৬ জন উদ্ধার, মৃত্যু অন্তত ২২ ◈ ড‌য়ে‌চে‌ভে‌লের প্রতি‌বেদন- আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই, বলছে সরকার

প্রকাশিত : ২৮ মার্চ, ২০২৬, ০৮:০১ রাত
আপডেট : ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘নো কিংস’ ডে অব অ্যাকশন: ইতিহাসের বড় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের আশা যুক্তরাষ্ট্রে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে আবারও বড় ধরনের বিক্ষোভের প্রস্তুতি চলছে। ‘নো কিংস’ শিরোনামে শনিবার (২৮ মার্চ) দেশটির হাজারো শহরে একযোগে সমাবেশ হওয়ার কথা রয়েছে।

আয়োজকদের দাবি, ৫০টি অঙ্গরাজ্যজুড়ে ৩ হাজার দুইশোর বেশি কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। তারা আশা করছেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে একদিনে সবচেয়ে বড় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে পরিণত হতে পারে।

এর আগে একই কর্মসূচির দুই দফায় মিলিয়নসংখ্যক মানুষ অংশ নেন।

প্রধান সমাবেশগুলো হবে নিউ ইয়র্ক, লস অ্যান্জেলেস, ওয়াশিংটন ডিসি ও মিনেসোটার টুইন সিটিজ এলাকায়। তবে আয়োজকদের মতে, অংশগ্রহণকারীদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই বড় শহরের বাইরে ছোট কমিউনিটি থেকে আসবেন, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি।

‘নো কিংস’ আন্দোলনের সূচনাকারী সংগঠনে ইন্ডিভিসিবলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা লেহ গ্রিনবার্গ বলেন, এই আন্দোলনের মূল গল্প শুধু কত মানুষ রাস্তায় নামছে তা নয়, বরং কোথায় নামছে সেটাও গুরুত্বপূর্ণ।

চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন (মিডটার্ম) ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। আয়োজকদের দাবি, রিপাবলিকান ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত আইডাহো, ওয়াইওমিং
, মন্টানা ও ইউটাহতেও এবার অংশগ্রহণ ও সংগঠনের আগ্রহ বেড়েছে। এছাড়া নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা উপশহর এলাকাগুলোতেও অংশগ্রহণের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে জানান গ্রিনবার্গ।

গ্রিনবার্গ বলেন, যারা ভোটের ফল নির্ধারণ করে, যারা ঘরে ঘরে গিয়ে প্রচার চালায়, ভোটার নিবন্ধন করে; তারাই এখন রাস্তায় নেমেছে এবং তারা ক্ষুব্ধ।

তবে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যাবিগেইল জ্যাকসন এসব বিক্ষোভকে তাচ্ছিল্য করে বলেছেন, এগুলো মূলত ‘ট্রাম্প-বিদ্বেষীদের থেরাপি সেশন’, যা কেবল সাংবাদিকদের কাছেই গুরুত্ব পায়।

শনিবারের কর্মসূচি ‘নো কিংস ডে অব অ্যাকশন’র তৃতীয় আয়োজন। গত বছরের ১৪ জুন, ট্রাম্পের জন্মদিনে শুরু হওয়া এই আন্দোলনের প্রথম দফায় প্রায় ২১০০ স্থানে ৪০ থেকে ৬০ লাখ মানুষ অংশ নেন। পরবর্তী অক্টোবরের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৭০ লাখে দাঁড়ায়, যা ২ হাজার সাতশোর বেশি শহরে ছড়িয়ে পড়ে।

সেই সময় সরকারি কার্যক্রম স্থগিত (শাটডাউন), অভিবাসন দমন অভিযান জোরদার এবং বড় শহরগুলোয় ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনের প্রতিবাদে ব্যাপক জনস্রোত তৈরি হয়।

এদিকে চলমান কর্মসূচি এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে সামরিক হামলা নিয়ে উত্তেজনা চলছে, যা ইতোমধ্যে চার সপ্তাহে গড়িয়েছে। এর আগে লস অ্যাঞ্জেলেসে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন এবং মিনিয়াপোলিসে দুজন মার্কিন নাগরিক নিহতের ঘটনায় বিক্ষোভের মুখে প্রশাসন কিছু সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়।

অধিকারবিষয়ক সংগঠন আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের প্রধান রাজনৈতিক ও অ্যাডভোকেসি কর্মকর্তা ডেয়ারড্রে শিফেলিং বলেন, আন্দোলনের সত্যিকারের প্রভাব আছে। আমরা যখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ক্ষমতার ভুল ব্যবহারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামি, তখন তিনি অনেক সময় পিছু হটে যান; ঠিক যেমন একটা ষাঁড় ভয় পেয়ে ফিরে যায়। সূত্র: সিএনবিসি

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়