শিরোনাম
◈ নির্বাচনের দিন নেতাদের যত অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ ◈ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞ প্রধান উপদেষ্টা ◈ ভোটগ্রহণ শেষ, এবার অপেক্ষা ফলাফলের ◈ দুপুর পর্যন্ত নির্বাচনে ৪৮৬ কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা, ৫৯ কেন্দ্রে জালভোট ◈ দুপুরের পর বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ সারি, উৎসবমুখর ভোটগ্রহণ ◈ গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় আজকের এই নির্বাচন: তারেক রহমান ◈ সিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধি দল ◈ ভোট ডাকাতি হলে আব্বাসের রাজত্ব খানখান করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীনের ◈ পুলিশ সদর দপ্তরে কন্ট্রোল রুম থেকে ভোটের চিত্র পর্যবেক্ষণ করলেন প্রধান উপদেষ্টা ◈ দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের ৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৩২.৮৮ শতাংশ: ইসি সচিব

প্রকাশিত : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০২:৩৭ দুপুর
আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আইন জারির দায়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ৭ বছরের কারাদণ্ড

দক্ষিণ কোরিয়ার একটি আদালত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লি সাং-মিনকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দেশকে সামরিক আইনের আওতায় আনার ব্যর্থ প্রচেষ্টায় ভূমিকা রাখার জন্য সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দেশটির একটি আদালত এই রায় দেয়। খবর রয়টার্সের।

সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ৬১ বছর বয়সি লিকে পুলিশ এবং দমকল সংস্থাগুলোকে মিডিয়া আউটলেটগুলোতে বিদ্যুৎ ও পানি বন্ধ করার নির্দেশ দিয়ে বিদ্রোহে অংশ নেওয়ার জন্য দোষী সাব্যস্ত করেছে। বিচারক বলেন, ইউনের অভিশংসন কার্যক্রমের সময় তিনি এই পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করেছিলেন বলে অস্বীকার করে তিনি মিথ্যা শপথও করেছেন।

বিচারক রিউ কিউং-জিন বলেছেন, ‘সরকারের সমালোচক গণমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে শারীরিক শক্তি প্রয়োগ জনসাধারণের বিদ্রোহবিরোধী মনোভাবকে দুর্বল করে দেয়, ফলে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করা আরও সহজ হয়ে পড়ে।’

বিশেষ প্রসিকিউটররা গত মাসে লির বিরুদ্ধে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দাবি করেন। তাদের যুক্তি ছিল, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিদ্রোহকে কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তবে লি এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

আদালত তার গ্রেফতারি পরোয়ানা অনুমোদন করার পর থেকে গত আগস্ট মাস থেকে তিনি হেফাজতে রয়েছেন।

এর আগে জানুয়ারিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সুকে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সামরিক আইন ঘোষণায় ভূমিকা রাখার অভিযোগে দণ্ডিত ইউনের মন্ত্রিসভার তিনি দ্বিতীয় সদস্য। 

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর সামরিক আইন জারি করেন প্রেসিডেন্ট ইউন সুক–ইওল। বলা হয়, এর মাধ্যমে দেশকে বড় ধরনের সংকটের মুখে ঠেলে দেন ইউন।

তবে তীব্র প্রতিবাদের মুখে সামরিক আইন জারির মাত্র ছয় ঘণ্টার মাথায় তা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন তিনি। 

এ ঘটনার জেরে ১৪ ডিসেম্বর ইউনকে পার্লামেন্টে অভিশংসন করা হয় এবং প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরের বছর ১৫ জানুয়ারি তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনীকে দিয়ে গ্রেফতার এড়ানোর চেষ্টা করেন ইউন। পরে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়