শিরোনাম
◈ বিজয় হলে মিছিল নয় সিজদায় পড়ব : জামায়াত আমির ◈ নির্বাচনের দিন নেতাদের যত অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ ◈ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞ প্রধান উপদেষ্টা ◈ ভোটগ্রহণ শেষ, এবার অপেক্ষা ফলাফলের ◈ দুপুর পর্যন্ত নির্বাচনে ৪৮৬ কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা, ৫৯ কেন্দ্রে জালভোট ◈ দুপুরের পর বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ সারি, উৎসবমুখর ভোটগ্রহণ ◈ গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় আজকের এই নির্বাচন: তারেক রহমান ◈ সিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধি দল ◈ ভোট ডাকাতি হলে আব্বাসের রাজত্ব খানখান করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীনের ◈ পুলিশ সদর দপ্তরে কন্ট্রোল রুম থেকে ভোটের চিত্র পর্যবেক্ষণ করলেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রকাশিত : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৫:০২ বিকাল
আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মন খারাপ জিএম কাদেরের, দেননি ভোট

রংপুর-৩ (সদর) আসনের প্রার্থী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সারা দিন রংপুর নগরীর নিউসেনপাড়া মহল্লার স্কাই ভিউ বাসায় অবস্থান করলেও ভোট দিতে তিনি যাননি। এমনকি সারাদিন সাংবাদিকদের সঙ্গেও কোন কথা বলেনি।

তিনি সকাল ৮টায় তার বাড়ি থেকে ৫০০ গজ দূরে শিক্ষাঙ্গন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন বলে দলীয় তার দলীয় নেতারা বুধবার জানিয়েছিলেন। নেতারা জানালেও সকাল থেকে দফায় দফায় জাতীয় পার্টির রংপুর জেলা মহানগর কমিটির কোনও নেতাই ফোন রিসিভ করেননি।

পরে বিকাল ৩টায় জি এম কাদেরের স্কাই ভিউ বাসভবনে গিয়ে দেখা গেলো তার বাসার সবগুলো দরজা বন্ধ। বাইরে কোনও নেতাকর্মীর ভিড় নেই। বাসার সামনে একটি অনলাইন পোর্টালের সাংবাদিকের মোটরসাইকেল দাঁড় করানো। পুরো বাসাজুড়ে সুনসান নীরবতা।

পরে বাধ্য হয়ে পেছন দিয়ে তার বাসায় গিয়ে দেখা যায়, সেখানে চেয়ারে দুটি জাতীয় দৈনিক ও একটি অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক চেয়ারে বসে আছেন জি এম কাদেরের বক্তব্যের জন্য। দুপুর ৩টা ৫ মিনিটে জিএম কাদেরের পিএস তৈয়ব আহামেদ এসে এ প্রতিনিধিসহ সাংবাদিকদের জানালেন, জি এম কাদের স্যার এখন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলবেন না। ফলাফল ঘোষণার পর তার প্রতিক্রিয়া জানাবেন।

তবে তিনি ভোটে দিতে যাবেন কি না সে বিষয়ে কোনও মন্তব্য না করে তিনি বাসার ভেতরে চলে যান।

ফলে অনেকটা নিশ্চিত হওয়া গেছে জি এম কাদের ভোট দিতে যাচ্ছেন না।

বাসা থেকে বের হওয়ায় সময় দেখা মিললো জাতীয় ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় সভাপতি আরিফ আলীর সঙ্গে। তিনি বললেন, স্যারের মন মেজাজ খুব খারাপ। তিনি ভীষণ মাইন্ড করেছেন- নির্বাচনে ফলাফল খুব ভালো হবে বলে তিনি মনে করছেন না। তার আসনের ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের নির্বাচনি খরচ বাবদ যে টাকা দেওয়া হয়েছিল তা কর্মীদের কাছে বিশেষ করে ভোট কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালনকারীদের কাছে ঠিকমতো পৌঁছায়নি।

আরিফ আলী বলেন, দেখি স্যারের সঙ্গে কথা বলি। কিন্তু বিকাল ৩টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত তিনি আর বাইরে বের হননি। ফলে জি এম কাদেরের ভোট না দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে বলে দলের একজন দায়িত্বশীল নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান। উৎস: বাংলাট্রিবিউন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়