শিরোনাম
◈ ট্রাইব্যুনালে টবি ক্যাডম্যানের না থাকা নিয়ে আলোচনা, পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ◈ মাদ্রাসায় বেড়েছে ছুটি ◈ আমার হাঁস যেন চুরি না হয়: রুমিন ফারহানা (ভিডিও) ◈ জঙ্গল সলিমপুর: চার দশকের দখল, সন্ত্রাস ও রক্তে গড়া ৩০ হাজার কোটি টাকার ‘নিষিদ্ধ ভূখণ্ড’ ◈ ক্ষমতায় গেলে ‘বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয়’ গড়ার ঘোষণা জামায়াতে ইসলামীর ◈ ৫৭ হাজার টন গম নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে মার্কিন জাহাজ ◈ রাজধানীতে মিরপুরে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষ, ১৬ জন কর্মী আহত ◈ লন্ডন আর ঢাকায় থাকার মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য নিয়ে যা বললেন জাইমা রহমান ◈ পোস্টাল ভোটিংয়ের ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা’ নিয়ে যে বার্তা দিলেন সিইসি ◈ জাতি কখনো দিশেহারা হলে জুলাই জাদুঘরে পথ খুঁজে পাবে: প্রধান উপদেষ্টা 

প্রকাশিত : ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬, ১১:৩৮ দুপুর
আপডেট : ২০ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘রেড কার্পেট ইন’ নামের মোটেলে যৌন ব্যবসা: আটক স্বামী ও স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার ৫

ভারতের বংশোদ্ভূত এক দম্পতি ও আরও তিনজনকে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে একটি মোটেলে যৌন ব্যবসা ও মাদক পাচার চক্র পরিচালনার অভিযোগ আনা হয়েছে। ফেডারেল ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযানে ওই মোটেলে তল্লাশি চালানোর পর তাদের আটক করা হয়। এ খবর দিয়েছে অনলাইন এনডিটিভি।

উত্তর ভার্জিনিয়ার ফেডারেল প্রসিকিউটরদের ভাষ্যমতে, ৫২ বছর বয়সী কোশা শর্মা এবং ৫৫ বছর বয়সী তরুণ শর্মা তাদের মালিকানাধীন ‘রেড কার্পেট ইন’ নামের মোটেলের তৃতীয় তলাটি মাদক বিক্রি ও পতিতাবৃত্তির কাজে ব্যবহার করতেন। আর নিচের তলাগুলোতে সাধারণ অতিথিদের রাখতেন। বেশ কয়েকটি গোপন অভিযানের পর ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) ও স্থানীয় পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের মে মাস থেকে কোশা শর্মা, যিনি ‘মা’ বা ‘মামা কে’ নামে পরিচিত এবং তার স্বামী তরুণ শর্মা, যিনি ‘পপ’ বা ‘পা’ নামে পরিচিত তারা কোশা এলএলসি নামের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মোটেলটি ইজারা নিয়ে পরিচালনা করছিলেন।

ফৌজদারি অভিযোগে বলা হয়েছে, এই দম্পতি মোটেলের ভেতর একটি যৌন ও মাদক চক্রকে অবাধে কার্যক্রম চালাতে দিয়েছিলেন এবং অবৈধ আয় থেকে নির্দিষ্ট অংশ নিজেরা নিতেন। পুলিশ জানায়, কোশা শর্মা মাদক ও যৌনকর্মী খোঁজা ব্যক্তিদের তৃতীয় তলায় পাঠাতেন এবং পুলিশ এলে তাদের সতর্ক করে দিতেন, যাতে কর্মকর্তারা কক্ষে ঢুকতে না পারেন।

এই অভিযানে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন ৫১ বছর বয়সী মার্গো পিয়ার্স, ৪০ বছর বয়সী জোশুয়া রেডিক এবং ৩৩ বছর বয়সী রাশার্ড স্মিথ। তারা সবাই এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আদালতের নথিতে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের মে থেকে আগস্টের মধ্যে প্রিন্স উইলিয়াম কাউন্টি পুলিশ ও এফবিআইয়ের গোপন এজেন্টরা যৌনকর্মী, দালাল ও ক্রেতা সেজে অন্তত নয়বার ওই মোটেলে গিয়েছিলেন। নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অন্তত আটজন নারীকে ওই মোটেলে যৌনকর্মে বাধ্য করা হতো।

স্মিথসহ কয়েকজন ব্যক্তি তাদের দিয়ে যৌনকর্ম করিয়ে প্রতি ঘটনার জন্য ৮০ থেকে ১৫০ ডলার আদায় করতেন। নারীদের মোটেল ছাড়তে দেয়া হতো না এবং তাদের শারীরিক নির্যাতনও করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
একই সময়ে গোপন এজেন্টরা মোটেলে ১৫ বার মাদক কেনার অভিযান চালান। এর মধ্যে ১১ বার ফেন্টানিল এবং চারবার কোকেন সরবরাহ করা হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মার্গো ওয়ালডন পিয়ার্স, যিনি মার্কো নামে পরিচিত, এই ১৫টি লেনদেনেই অবৈধ মাদক সরবরাহ করেছেন। পুলিশ জানায়, পাঁচ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ফেন্টানিলসহ নিয়ন্ত্রিত মাদক বিতরণের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তাদের ন্যূনতম ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সাজা নির্দেশিকা ও অন্যান্য আইনগত বিষয় বিবেচনা করে ফেডারেল জেলা আদালতের বিচারক চূড়ান্ত সাজা নির্ধারণ করবেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়