শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা, দক্ষিণ আফ্রিকায় চীন, রাশিয়া ও ইরানের যৌথ নৌ মহড়া ◈ কিশোরগঞ্জে হোটেলের লিফটে বরসহ ১০ জন আটকা, দেয়াল ভেঙে উদ্ধার করেছেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ◈ তেহরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এক রাতেই ২০০-র বেশি বিক্ষোভকারী নিহত ◈ মিত্র হারিয়ে কোণঠাসা খামেনি: ভেনেজুয়েলা থেকে তেহরান—ইরানের শাসন কি শেষ অধ্যায়ে? ◈ নির্বাচনের আগে টার্গেট কিলিংয়ের ছোবল, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা ◈ অ‌স্ট্রেলিয়ান বিগ ব‌্যাশ, রিশাদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে শীর্ষস্থানে হোবার্ট ◈ যুদ্ধবিমান নিয়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তান আলোচনা, প্রতিক্রিয়ায় যা জানাল ভারত (ভিডিও) ◈ টানা ছয় হার কাটিয়ে জয়ের মুখ দেখল নোয়াখালী এক্সপ্রেস ◈ বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা না চাওয়ায় যা বলল ভারত ◈ তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত

প্রকাশিত : ০৯ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:২১ দুপুর
আপডেট : ০৯ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সিরিয়ায় কারফিউ জারি

সিরিয়ার আলেপ্পো শহরের একাধিক এলাকায় অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। দেশটির সেনাবাহিনী ও কুর্দি-নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) মধ্যে সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আলেপ্পো অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা কমান্ড এক বিবৃতিতে জানায়, আশরাফিয়েহ, শেখ মাকসুদ, বানি জেইদ, আল-সিরিয়ান, আল-হুল্লুক ও আল-মিদান এলাকায় ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত’ কারফিউ কার্যকর থাকবে। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা এই বিবৃতি প্রকাশ করে।

বিবৃতিতে বলা হয়, নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কারফিউ চলাকালে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে সব ধরনের চলাচল সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে, কোনো ব্যতিক্রম করা হবে না।

আলেপ্পোর মিডিয়া বিভাগের পরিচালক আল জাজিরাকে জানান, চলতি সপ্তাহের শুরুতে সংঘর্ষ শুরুর পর থেকে আশরাফিয়েহ ও শেখ মাকসুদ এলাকা থেকে এক লাখের বেশি মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

৪৩ বছর বয়সী রানা ইসা বৃহস্পতিবার স্নাইপার হামলার আশঙ্কায় পরিবারসহ আশরাফিয়েহ এলাকা ছেড়েছেন। তিনি এএফপিকে বলেন, অনেক মানুষ এলাকা ছাড়তে চায়, কিন্তু গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভয়ে পারছে না। আমরা খুব কঠিন সময় পার করেছি। আমার সন্তানরা ভয়ে কাঁপছিল।

এই সংঘর্ষ এমন এক সময় ঘটছে, যখন ২০২৫ সালের মার্চে স্বাক্ষরিত এসডিএফকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সঙ্গে একীভূত করার চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে দামেস্ক সরকারের সঙ্গে আলোচনা ভেঙে পড়েছে। এসডিএফ দীর্ঘদিন ধরে সিরিয়ার উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।

চলতি সপ্তাহে আলেপ্পোতে অন্তত ২২ জন নিহত এবং ১৭৩ জন আহত হয়েছেন। সিরীয় সেনাবাহিনীর অভিযোগ, এসডিএফ বেসামরিক এলাকায় আর্টিলারি ও মর্টার হামলা চালিয়েছে। তবে এসডিএফ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, সরকারপন্থি বাহিনীর ‘নির্বিচার’ গোলাবর্ষণের কারণেই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এসডিএফ-সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো আশরাফিয়েহ এলাকা থেকে সরে যাওয়ার পর সেখানে সরকারি বাহিনী মোতায়েন শুরু করেছে। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে এসব ইউনিট বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা এবং বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে কাজ করছে।

এসডিএফ কমান্ডার মাজলুম আবদি বলেন, আলেপ্পোর সহিংসতা দামেস্ক সরকারের সঙ্গে চলমান আলোচনা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তিনি অভিযোগ করেন, আলোচনা চলাকালেই কুর্দি অধ্যুষিত এলাকায় ট্যাংক ও আর্টিলারি মোতায়েন এবং বেসামরিকদের বাস্তুচ্যুত করা হয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়