শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগে উদ্বিগ্ন ভারত, বাড়ছে চীনা কৌশলগত প্রভাবের শঙ্কা ◈ ব্রহ্মপুত্রে চীনের বিশাল বাঁধ প্রকল্প, নিরাপত্তা ও পানিপ্রবাহ নিয়ে শঙ্কায় ভারত! ◈ বাংলাদেশে হি'ন্দুদের জন্য আলাদা প্রদেশ করবো : চৈতালী চক্রবর্তী (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে জমি অধিগ্রহণে গিয়ে কৃষকদের বিক্ষোভের মুখে শুভেন্দু সরকার ◈ বগুড়ার সেই দুই ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণ করছে চীন, দুশ্চিন্তায় ভারত ◈ দেশে হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ১,০৭৮ জন ◈ আর্জেন্টিনার বিরু‌দ্ধে ম‌্যাচ ভীষণ কঠিন হবে: অষ্ট্রিয়া কোচ ◈ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সতর্ক পুলিশ, বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে কড়া নজরদারি ◈ বাধ্যতামূলক হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:৩৩ সকাল
আপডেট : ২৯ মে, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইউক্রেন শান্তি আলোচনা: অচলাবস্থা কাটাতে লন্ডনে স্টারমার-জেলেনস্কি বৈঠক

ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ সমাধান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় বসতে লন্ডনে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) মুখোমুখি হচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি। চলমান শান্তি আলোচনায় দুই পক্ষের মধ্যে দুটি বড় ইস্যু নিয়ে অচলাবস্থা এখনও রয়ে গেছে।৷ এক. যুদ্ধের পর ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর আকার। দুই. পূর্ব দনবাস অঞ্চলে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

মার্কিন বিশেষ দূত কিথ কেলোগ বার্তা সংস্থা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, “এই দুই বিষয় সমাধান হলে বাকি সবকিছু সহজেই মিটে যাবে। আমরা লক্ষের প্রায় কাছাকাছি।”

ডাউনিং স্ট্রিট জানিয়েছে, সোমবারের বৈঠকে দুই নেতাশান্তি আলোচনা এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে গভীরভাবে আলোচনা করবেন। তবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

এদিকে হোয়াইট হাউজ কিয়েভ ও মস্কোকে যুদ্ধবিরতির জন্য বহু-ধাপের একটি খসড়া পরিকল্পনায় আনতে চেষ্টা চালাচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত বড় কোনও অগ্রগতি চোখে পড়েনি।

তবুও সপ্তাহান্তে শেষ হওয়া সর্বশেষ মার্কিন–ইউক্রেন আলোচনার পর জেলেনস্কি বলেন, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে কথা বলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

শান্তি পরিকল্পনার প্রাথমিক সংস্করণটি রাশিয়ার প্রতি অতিরিক্ত সুবিধাজনক হওয়ায় ইউক্রেন ও ইউরোপীয় মিত্ররা আপত্তি জানিয়েছিল। পরে সেই পরিকল্পনা সংশোধন করা হয়েছে। ইউরোপীয় দেশগুলো নিজেদের প্রস্তাবও সামনে এনেছে—যার মধ্যে রয়েছে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি তদারকির জন্য একটি ইউরোপীয় নিরাপত্তা বাহিনী গঠনের উদ্যোগ। তবে মস্কো এ ধারণা স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।

মার্কিন পরিকল্পনার মূল খসড়ায় ন্যাটোর ভূমিকা সীমিত রাখা, ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর আকারে বিধিনিষেধ এবং দনবাসে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার মতো বিষয় ছিল—যা নিয়ে কিয়েভ ও তার মিত্রদের আপত্তি এখনও জোরালো।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়