শিরোনাম
◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন

প্রকাশিত : ০৪ অক্টোবর, ২০২৫, ০৯:১৬ রাত
আপডেট : ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারতের বাণিজ্য নীতি নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ মার্কিন প্রতিনিধির

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে রাশিয়াকে চাপে রাখতে নানা পদক্ষেপ নেয় পশ্চিমা বিশ্ব। যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন জোট হস্তক্ষেপ করে রাশিয়ার তেল বাণিজ্যেও। কিন্তু ভারতসহ কয়েকটি দেশের সঙ্গে মস্কোর বাণিজ্য সম্পর্কের কারণে সেই প্রচেষ্টা পুরোপুরি সফল হয়নি। রাশিয়ার দুর্বলতার সুযোগে অনেকটা কম দামে ভারত তেল কিনে নিচ্ছে। জো বাইডেনের প্রশাসন এ ক্ষেত্রে তেমন বাধা না দিলেও ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ চটেছেন।

রাশিয়ার সাথে তেল বাণিজ্য অব্যাহত রাখার শাস্তি হিসেবে ২৫ শতাংশসহ ট্রাম্প প্রশাসন ভারতের উপর মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মাথা নত না করার গর্জন করেছিলেন। কিন্তু মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রির দাবি করেছেন, ভারত ইতোমধ্যে রাশিয়ার তেল থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।

advertisement

শনিবার হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য আলোচনাও প্রায় ভেস্তে যেতে বসেছিল। তবে ফের দুই পক্ষই বাণিজ্য আলোচনা শুরু করেছে। এর পেছনের কারণ জানিয়েছেন জেমিসন গ্রি।

নিউইয়র্কের ইকোনমিক ক্লাবে জেমিসন বলেন, ভারতীয়রা বাস্তববাদী এবং আমি মনে করি তারা ইতোমধ্যে রাশিয়ার তেল থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। ভারত একটি সার্বভৌম দেশ। তারা নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ করে। আমরা অন্য দেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্ককে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছি না।

advertisement

এদিকে ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ করছে রাশিয়া। এক ভাষণে পুতিন বলেছিলেন, ভারত যদি আমাদের জ্বালানি সরবরাহ প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে তাদের ক্ষতি হবে। আমাকে বিশ্বাস করুন, ভারতের মতো দেশের মানুষ অবশ্যই দেখবে যে তাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব কী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। তারা কারও সামনে মাথা নত করবে না, কোনো অপমান সহ্য করবে না।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিযোগ, রাশিয়া থেকে তেল কিনে ইউক্রেন যুদ্ধে পুতিনকে অর্থনৈতিক সাহায্য করছে ভারত। তাই রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সংঘাত থামাতে এ বাণিজ্য বন্ধ করা উচিত।

advertisement

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। এরপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ে মস্কো। এতে কমে যায় দেশটির জ্বালানি তেল সরবরাহ। এমন বাস্তবতায় ভারত রুশ জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা হয়ে ওঠে। কারণ, ভারতের পরিশোধনকারীরা মস্কো থেকে সস্তায় অপরিশোধিত জ্বালানি তেল কেনার সুবিধা পাচ্ছেন। দেশটির মোট চাহিদার ৪০ শতাংশই পূরণ হয় রাশিয়ার অপরিশোধিত জ্বালানি তেল থেকে। সূত্র: কালবেলা 

  • সর্বশেষ