শিরোনাম
◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন

প্রকাশিত : ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:৪৩ দুপুর
আপডেট : ২৮ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারত দুই মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ক্ষমা চাইবে: দাবি মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রীর

রাশিয়ার জ্বালানি কেনা বন্ধ করে আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ক্ষমা চেয়ে নতুন বাণিজ্য চুক্তিতে বসবে ভারত—এমন মন্তব্য করেছেন মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক।

সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লুটনিক বলেন, 'আমার বিশ্বাস, এক বা দুই মাসের মধ্যে ভারত আলোচনার টেবিলে আসবে। তারা বলবে, আমরা ক্ষমা চাইছি, এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে চুক্তি করার চেষ্টা করবে।'

advertisement

লুটনিক সতর্ক করে বলেন, যদি ভারত যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন না করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।

এর আগে গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি লিখেন, 'মনে হচ্ছে আমরা ভারত ও রাশিয়াকে গভীর অন্ধকার চীনের কাছে হারিয়েছি। আমি তিন দেশেরই সাফল্য কামনা করছি।'

advertisement

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পরপরই ভারত প্রসঙ্গে কঠোর বক্তব্য দেন মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী।

ভারতের অবস্থানকে 'শুধুই আস্ফালন' আখ্যা দিয়ে লুটনিক বলেন, 'সবচেয়ে বড় ক্লায়েন্টের সঙ্গে লড়াই করা হয়তো ভালো লাগতে পারে। কিন্তু দিন শেষে নিজেদের ব্যবসার স্বার্থেই ভারত আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি করবে।'

advertisement

তিনি আরও বলেন, 'ভারত যদি তাদের বাজার না খোলে, রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ না করে এবং ব্রিকস থেকেও না সরে, তাহলে সেটা হবে তাদের পছন্দ। তারা চাইলে রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে মেলবন্ধন গড়ুক। কিন্তু যদি তা সম্ভব না হয়, তবে ডলারকে সমর্থন করুন, যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন করুন—আপনার সবচেয়ে বড় গ্রাহককে সমর্থন করুন। নয়তো প্রস্তুত থাকুন ৫০ শতাংশ শুল্ক দেওয়ার জন্য। তারপর দেখা যাবে এই লড়াই কতদিন টেকে।'

সূত্র: ব্লুমবার্গ

  • সর্বশেষ