শিরোনাম
◈ কমলাপুর রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনের বগিতে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৬ ইউনিট ◈ জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে ২০ টাকা বাড়ল, ডিজেল ১৩৫ ও পেট্রোল ১৬০ টাকা লিটার ◈ ন্যাম ভবনে দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, এমপি গাজী নজরুল ও প্রথম স্ত্রী পুলিশ হেফাজতে ◈ নতুন পেনশন নীতিমালা: পুনর্বিবাহ না করলে আজীবন পারিবারিক পেনশন, ৫০ বছরের বেশি বিধবাদের ছাড় ◈ এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ◈ সিগারেট-ওষুধ-মোবাইলসহ ১১ খাতের জন্য এনবিআরের নতুন আদেশ  ◈ সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৯ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৮১ কোটি ডলার ◈ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশ-ভারত বিটুবি টাস্কফোর্সের তাগিদ ◈ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও সা‌বেক ভি‌সি  মাকসুদ কামালসহ ৫ জ‌নের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ◈ এশিয়ান গেমস ম‌হিলা ক্রিকে‌টে স্বর্ণ-রৌপ্যের সুযোগ শেষ, এবার ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ পা‌কিস্তান

প্রকাশিত : ১৫ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৭:৪৫ বিকাল
আপডেট : ১২ মে, ২০২৫, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পুলিশের সামনেই বিয়ের ৪ দিন আগে মেয়েকে গুলি করে হত্যা বাবার

আর মাত্র চার দিন পরেই বিয়ের কথা ছিল তানু গুরজারের (২০)। এর আগেই পুলিশ ও পঞ্চায়েতের সামনে প্রকাশ্যে গুলি করে মেয়েকে হত্যা করলেন বাবা মহেশ গুরজার। গতকাল মঙ্গলবার ভারতের মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে এমন ঘটনা ঘটেছে।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, মহেশ যার সঙ্গে বিয়ে ঠিক করেছিলেন; তাকে বিয়ে করতে চাইছিল না মেয়ে তানু। এর বদলে নিজের পছন্দের পাত্রকে বিয়ে করতে চাচ্ছিলেন তিনি।

তানু গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। ওই ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘আমি ভিকিকে বিয়ে করতে চাই। প্রথমে আমার পরিবার বিয়েতে রাজি থাকলেও পরে প্রত্যাখ্যান করে। তারা আমাকে মারধর করে এবং প্রতিদিনই মেরে ফেলার হুমকি দেয়। যদি আমার কিছু হয়ে যায়, তবে আমার পরিবারের সদস্যরা তার জন্য দায়ী থাকবে।’

বিক্রম ভিকি মাওয়াই নামের ওই যুবক উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। তানুর সঙ্গে তার ছয় বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা গেছে।

ভিডিওটি কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ভাইরাল হয়। এরপর পুলিশ সুপারিন্ডেন্ট ধর্মবীর সিংয়ের নেতৃত্বে পুলিশ দ্রুত তানুর বাড়িতে যায়। সেখানে আগে থেকে পঞ্চায়েতের লোকজন মিমাংসার জন্য উপস্থিত ছিলেন।

নিজের জীবনের শঙ্কা থেকে তানু আর বাবার সঙ্গে বাড়িতে থাকতে চাননি। তখন পুলিশ সুপারিন্ডেন্ট তাকে তাদের হেফাজতে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে নিতে বলছিলেন। তখন একা কথা বলতে চেয়ে তানুকে একটু পাশে নিয়ে গুলি করে দেন বাবা মহেশ। এ ছাড়া তানুর চাচাতো রাহুল তার কপাল, মুখ ও গলায় গুলি করে দেন।

পরে উপস্থিত পুলিশ ও পঞ্চায়েতের সদস্যদেরও গুলি করার হুমকি দিতে থাকেন মহেশ ও রাহুল। তবে পুলিশ মহেশকে পিস্তলসহ গ্রেপ্তার করে, তবে রাহুল পিস্তলসহ পালিয়ে গেছেন।