শিরোনাম
◈ বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে নতুন নেতৃত্ব গড়তে চায় বিএনপি ◈ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের ৮৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ ◈ ফেরদৌসী মিষ্টির আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন যে ৬৭ নারী নেত্রী ◈ দীপকের আটক ঘিরে নেতৃত্বের সংকট, বিকল্প পরিকল্পনা ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত সিজেপির ◈ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা এলেই নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা ওঠা জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কাভার্ডভ্যান চুরি হওয়া ক্রিকেটারের টাকা যেভাবে উদ্ধার হলো ◈ মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানত না ঢাকা, তথ্য চেয়ে সৌদি আরবকে চিঠি ◈ হাসিনা-কামালসহ হাদী হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত চাইবে বাংলাদেশ, ভারতকে কনস্যুলার সংলাপে চাপ ◈ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ৮-১০ লাখ টাকায় প্রশ্ন-উত্তর বিক্রি: গ্রেপ্তার ৭ ◈ জামায়াত কার্যালয়ে হামলা: কুমিল্লা মহানগর কমিটি বিলুপ্ত, তদন্ত কমিটি গঠন

প্রকাশিত : ১৩ জানুয়ারী, ২০২৫, ১২:৩৫ দুপুর
আপডেট : ০৮ মে, ২০২৫, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফরিদপুরে যুবককে কুপিয়ে ও চোখ উপড়ে হত্যা: চেয়ারম্যানকে আসামি করে মামলা

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুর সদরের কানাইপুরে ওবায়দুর রহমান (৩২) নামে এক যুবককে পিটিয়ে, কুপিয়ে ও চোখ উপড়ে হত্যাকান্ডের ঘটনায় কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। 

মামলায় খায়রুজ্জামান খাজাকে প্রধান আসামী ও তার ভাই কানাইপুর ইউপি চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ আলতাফ হুসাইনসহ ১৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ মামলায় অজ্ঞাত আরো ১০-১৫ জনকে আসামী করা হয়। 

সোমবার (১৩ জানুয়ারী) সকালে ফরিদপুরের কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

এর আগে গত শনিবার (১১ জানুয়ারী) দিবাগত রাতে নিহত ওবায়দুর রহমানের মা রেখা বেগম বাদি হয়ে হত্যা মামলাটি দায়ের করেন।

এর আগে গত শুক্রবার বিকেলে ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর মমতাজ ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের তেল আনতে গেলে সেখান থেকে অটোরিক্সায় তুলে নিয়ে ওবায়দুর রহমান খানকে কুপিয়ে পিটিয়ে চোখ উপড়ে ফেলে আসামিরা। 

নিহত ওবায়দুর রহমান সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের ঝাউখোলা গ্রামের বিল্লাল খানের ছোট ছেলে। পেশায় তিনি একজন কাঠমিস্ত্রী ছিলেন।

নিহতের স্ত্রী সুইটি বেগম বলেন, আমার স্বামী অন্যায়ের প্রতিবাদ করতো এটাই তার অপরাধ। একারনে তাকে জীবন দিতে হলো। আমার বিয়ে হয়েছে দুই বছর হলো। ৬ মাস বয়সী একটি সন্তান আছে। আমার সন্তান বাবা ডাকার আগেই তার বাবা চলে গেলো।

তিনি আরো বলেন, আমার স্বামীকে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর সে বলেছিল আমাকে প্রাণে মারিস না, প্রয়োজন হলে হাত পা কেটে দে। কিন্তু ওরা তা শুনেনি। আমার স্বামীর প্রাণটাই নিয়ে নিলো। খাজাসহ যারা এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে ফাঁসির দাবি জানান তিনি। 

ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি)  মো. আসাদউজ্জামান জানান, যুবক ওবায়দুর রহমান হত্যাকান্ডের ঘটনায় তার মা রেখা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। খায়রুজ্জামান ওরফে খাজাকে প্রধান আসামী করে কানাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১০-১৫ জনের নামে মামলা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকেই পুলিশের একাধিক টিম হত্যাকান্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে। ঘটনার পর থেকে আসামীরা গা ঢাকা দিয়েছে। আশা করছি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে পারবো। 

  • সর্বশেষ