শিরোনাম
◈ ২০৩০ সালে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির ওপর ৫% কার্বন কর আরোপ করবে ইইউ ◈ ব্যাংকঋণে শীর্ষে সরকার, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও সার খাতে বাড়বে ভর্তুকি ◈ ইরান যুদ্ধ ঠেকাতে মাঠে চীন-পাকিস্তান, ৫ দফা পরিকল্পনা প্রকাশ ◈ সংবিধান সংশোধন বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব ◈ সিঙ্গাপু‌রের কা‌ছে এক গো‌লে হে‌রে এশিয়ান কাপ বাছাই শেষ করলো বাংলাদেশ ◈ সংবিধান কি মনে করিয়ে দেয় এটা একাত্তরের পরাজয়ের দলিল? প্রশ্ন পার্থের ◈ গাজী আশরাফ লিপুর আনুষ্ঠানিকভাবে দা‌য়িত্ব শেষ হলো, এবার পা‌বেন সম্মাননা ◈ সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ক্যান্সার আক্রান্ত, চিকিৎসার আবেদন করেছেন তার আইনজীবী ◈ বিগত সরকারের দুর্নীতিতে স্থবির স্বাস্থ্যখাত, সেবা উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ জলবায়ু ট্রাস্টের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : পরিবেশ মন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৪ আগস্ট, ২০২৪, ১২:৫৭ দুপুর
আপডেট : ১৪ মে, ২০২৫, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মিয়ানমারে আঞ্চলিক সামরিক কার্যালয় দখল বিদ্রোহীদের

সাজ্জাদুল ইসলাম: [২] মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে শান রাজ্যের লাশিও শহরে সামরিক বাহিনীর আঞ্চলিক প্রধান কার্যালয় দখলের দাবি করেছেন দেশটির ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বিদ্রোহীরা। শনিবার এক বিবৃতিতে এ দাবি করে সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি (এমএনডিএএ)। সূত্র : এএফপি 

[৩] চীন ও মিয়ানমারের মধ্যে বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি মহাসড়ক গেছে লাশিও শহরের ওপর দিয়ে। শহরটিতে অবস্থিত সামরিক কার্যালয় দখলে গত মাসের শুরু থেকে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে এমএনডিএএর যোদ্ধাদের লড়াই চলছিল।

[৪] এ বিষয়ে জানতে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল এএফপি। তবে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। দেশটির সামরিক বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, কয়েক সপ্তাহ ধরে ওই সামরিক কার্যালয়ে যে সেনারা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন, তারা শনিবার সকাল থেকে পিছু হটা শুরু করেন।

[৫] লাশিওতে এমএনডিএএর জয়ের মধ্য দিয়ে মিয়ানমারে গত তিন বছরের বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো আঞ্চলিক কোনো সামরিক কার্যালয় হারালো দেশটির সশস্ত্র বাহিনী। পাশাপাশি এমএনডিএএসহ বেশ কয়েকটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কাছে শান রাজ্যের বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে তারা।

[৬] শান রাজ্যে বিদ্রোহীদের চালানো অভিযানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ছিল চীন সীমান্তে লাউক্কাই শহর দখল। সে সময় জান্তা বাহিনীর প্রায় দুই হাজার সেনা আত্মসমর্পণ করেছিলেন। এটি ছিল বিগত কয়েক দশকের মধ্যে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে বড় পরাজয়। সম্পাদনা: রাশিদ 

আর/আইএফ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়