সাজ্জাদুল ইসলাম: [২] জাতিসংঘে রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনের পূর্ণ সদস্যপদ পাওয়ার নিরাপত্তা পরিষদের উত্থাপিত খসড়া প্রস্তাবে বৃহস্পতিবার আবারও ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করে আটকে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সূত্র: আল জাজিরা
[৩] আনাদোলু জানায়, ব্যাপকভাবে সমর্থিত প্রস্তাবটি ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র তার ভেটো ক্ষমতা ব্যবহার করেছে। ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্টসি এক বিবৃতিতে এ মার্কিন ভেটো প্রয়োগকে ‘অন্যায়, অনৈতিক ও অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
[৪] এ বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলা হয়,ফিলিস্তিন, এর জনগণের ও তাদের বৈধ অধিকারের ব্যাপারে মার্কিন নীতি নির্লজ্জভাবে আন্তর্জাতিক আইনের লংঘন করছে।
[৫] এএফপি জানায়, ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসও এক পৃথক বিবৃতিত এ মার্কিন ভেটো প্রয়েগের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। হামাস গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসন ও গণহত্যার বিরুদ্ধে গাজা ছয়মাসেরও বেশি সময় ধরে প্রতিরোধ লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
[৬] ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে গাজায় হামলা এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে বসতিস্থাপন বিস্তৃত করছে দখলদার নব্য উপনিবেশিক বর্ণবাদী ইসরায়েল। এমন প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ লাভের চেষ্টা করছি ফিলিস্তিন।
[৭] রয়টার্স জানায়, আলজেরিয়ার উত্থাপিত খসড়া প্রস্তাবটিতে ফিলিস্তিনকে জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে ১৯৩ সদস্যের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রতি সুপারিশ করা হয়েছিল। নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্যের ১২টি এ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছিল। ভোটদানে বিরত ছিল যুক্তরাজ্য ও সুইজারল্যান্ড।
[৮] ওয়াশিংটন ভেটো না দিলে প্রস্তাবটি পাস হতে প্রয়োজন ছিল ৯ ভোটের। কিন্তু নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীনের এ কোনোটি কোন প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিলে তা নাকচ হয়ে যায়। ইসরায়েলকে বাঁচাতে দখলদার দেশটির সব অপকর্মের প্রশ্রয় দিতে যুগের পর যুগ ধরে ভেটো ক্ষমতা ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র।
[৯] ফিলিস্তিন বর্তমানে জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক সদস্য হিসেবে রয়েছে। তবে পূর্ণ সদস্যপদ পেতে নিরাপত্তা পরিষদ এবং সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের অনুমোদন প্রয়োজন। অবশ্য সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য ইতিমধ্যে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। সম্পাদনা: রাশিদ
এসআই/আর/এইচএ
আপনার মতামত লিখুন :