শিরোনাম
◈ প্রধানমন্ত্রীর থাইল্যান্ড সফরে রোহিঙ্গা ফেরাতে সহযোগিতা চাওয়া হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী  ◈ যুদ্ধের অর্থ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ব্যয়  হলে বিশ্ব রক্ষা পেতো: প্রধানমন্ত্রী ◈ বুধবার থাইল্যান্ড সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হচ্ছে ছয় চুক্তি-সমঝোতা ◈ আরও ৭২ ঘণ্টার  ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি ◈ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিপরিষদে টিকটক নিষিদ্ধের বিল পাস ◈ অভিনেতা ওয়ালিউল হক রুমি মারা গেছেন ◈ গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রেকর্ড গড়েছে ডাবের দাম ◈ আজ ঢাকা আসছেন কাতারের আমির, ১১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হবে ◈ মালদ্বীপের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলো প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর দল  ◈ সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ

প্রকাশিত : ০২ এপ্রিল, ২০২৪, ০১:৪৯ দুপুর
আপডেট : ০৩ এপ্রিল, ২০২৪, ১২:০১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার গোয়েন্দা-ঘাঁটিতে বসে বিশ্ব জুড়ে নজরদারি চালাচ্ছে আমেরিকা

ইকবাল খান: [২] অস্ট্রেলিয়ার বুকেই বিশ্বের অন্যতম সুরক্ষিত গোয়েন্দাঘাঁটি তৈরি করেছে আমেরিকা। মার্কিন সেই গোয়েন্দাঘাঁটির নাম পাইন গ্যাপ। ঠিকানা দেশটির ছোট্ট শহর অ্যালিস স্প্রিং। সেখানেই মরুভূমির ধু ধু প্রান্তরের মাঝে জেগে থাকা দ্বীপের মতো মাথা তুলে আছে আমেরিকার পাইন গ্যাপ।

[৩] সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৯০০ কিলোমিটার দূরে মরুভূমির মাঝে গোয়েন্দাঘাঁটি তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে আশপাশের সমুদ্র দিয়ে যদি কোনও বিদেশি গুপ্তচর জাহাজ যাতায়াত করে, তারা এই ঘাঁটির নাগাল পাবে না।

[৪] পাইন গ্যাপে অনেক অ্যান্টেনা বসানো আছে। কৃত্রিম উপগ্রহের দিকে তাক করা আছে সেই সব অ্যান্টেনা। উপগ্রহের সিগন্যাল অ্যান্টেনার মাধ্যমে গোয়েন্দাদের কাছে পৌঁছয়।

[৫] সমগ্র চীন, উত্তর কোরিয়া, ভারতীয় উপমহাদেশ এবং রাশিয়ার বড় অংশ এই দ্রাঘিমাংশের আওতায় রয়েছে। ফলে এই দেশগুলির অন্দরে নজরদারির জন্য পাইন গ্যাপ উপযুক্ত।

[৬] অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে ১৯৭০ সাল থেকে এই আমেরিকান গুপ্তচর ঘাঁটির কার্যকলাপ শুরু হয়।

[৭] আমেরিকার বিভিন্ন গুপ্তচর সংস্থা বর্তমানে পাইন গ্যাপ থেকে ন’টি জিয়োসিংক্রোনাস স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রণ করে। সেখান থেকে সিগন্যাল ধরার জন্য রয়েছে ৪০টি আলাদা অ্যান্টেনা।

[৮] এই স্যাটেলাইটগুলি পৃথিবীর সঙ্গে একই দিকে প্রায় একই ভাবে ঘুরে চলেছে। ফলে এগুলি থেকে পাঠানো সিগন্যালের তথ্য প্রায় ১০০ শতাংশ সঠিক হিসাবে ধরা হয়। একই সময়ে এক জায়গা থেকে পৃথিবীর বিস্তীর্ণ অংশ দেখা যায় এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে।

[৯] আমেরিকার সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে পাইন গ্যাপ থেকে সাহায্য পায় আরও চার দেশ। ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং নিউ জিল্যান্ডের গোয়েন্দা সংস্থাগুলির কাছেও স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত তথ্য পৌঁছে যায়। আমেরিকা, ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং নিউ জিল্যান্ডকে একত্রে ‘ফাইভ আইস’ বলা হয়।

আইকে/এইচএ

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়