শিরোনাম

প্রকাশিত : ০১ অক্টোবর, ২০২২, ০৬:১৯ বিকাল
আপডেট : ০১ অক্টোবর, ২০২২, ০৬:১৯ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হাটহাজারীতে লাইসেন্সবিহীন শত শত ওষুধের দোকান

মোহাম্মদ হোসেন, হাটহাজারী : চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলা ও পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে গজিয়ে উঠেছে ড্রাগ লাইসেন্সবিহীন ফার্মেসী(ওষুধ এর দোকান)। এ সব ফার্মেসীর মালিক নিজেই চিকিৎসক আবার নিজেই ব্যবসায়ী হিসেবে রোগীদের কাছে পরিচিত। ঝিকজাক সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে ফার্মেসী গুলোতে তাদের বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। রুমে চেম্বার বানিয়ে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছে ভয়ানক হাতুড়ে চিকিৎসা।

তাদের কাছে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ রোগীরা। লাইসেন্সবিহীন ফার্মেসী খুলে বসে বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা। কোনো নিয়মনীতি তাদের কাছে নেই বললেই চলে। যে যেভাবে পারছে সেই ভাবে ফার্মেসীতে বসে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছে।

কোনো অসুস্থ রোগী চিকিৎসা নিতে ফার্মেসী আসলে সে আর হাসপাতালে যেতে হয় না। ফার্মেসীর মালিকরাই চিকিৎসক সেজে রোগীর চিকিৎসা নিচ্ছে।

দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে ওষুধের দোকান পরিদর্শন চোখে পড়ছে না যার কারনে যেখানে সেখানে ওষুধের দোকান। সচেতন লোকজনের অভিযোগ দায়িত্বশীলদের তদারকি নেই যার কারনে এখানে দোকান গুলো বৃদ্ধি পাচ্ছে।

যদি কর্তৃপক্ষ ড্রাগ লাইসেন্সবিহীন দোকান গুলো মনিটরিং এর মাধ্যমে নিদিষ্ট করে শনাক্ত করা যেতো তাহলে তাদেরকে কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়ে লাইসেন্স এর আওতায় আনা সহজ হতো।

এক্ষেত্রে লাইসেন্সবিহীন দোকানের মালিক নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করে ড্রাগ লাইসেন্স গ্রহণ করার সুযোগ ও রয়েছে। ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে তারা জানায়, উত্তর চট্টগ্রামে হাটহাজারী পৌর এলাকায় সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ বিভিন্ন কোম্পানীর ঔষুধ বিক্রি হচ্ছে অবাধে।

এখানে ভ্রাম্যমান আদালতের প্রচলন তেমন একটা নেই বললে চলে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের চেয়েও এ সব হাতুড়ে চিকিৎসকরা ভয়ংকর।

কঠিন রোগীকে তারা চিকিৎসা দিতে বিন্দুমাত্রও তারা চিন্তা করে না। যে কোনো রোগীকে তারা চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।

এ সব চিকিৎসকের কাছে গিয়ে অনেকেই অকাল মূত্য হলে তাদের পরিবারের সদস্যরা তা বুঝতে পারে না।

একটি ফার্মেসী খুলতে পারলেই সেই মালিক বনে যান চিকিৎসক। দেশে বিদেশের কোনো একটা ডিগ্রির সার্টিফিকেট ব্যাবহার করে পার পেয়ে যাচ্ছেন তারা।

আবার কোনো কোনো ফার্মেসীতে মেয়াদোত্তীর্ণ, যৌন উত্তেজক, গরু, মোটাতাজাকরণ ও নেশা জাতীয় ওষুধ বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে।

এমনকি হাসপাতালের ওষুধও বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এক শ্রেণীর ফার্মেসী মালিক স্বাস্থ্য অসচেতন সাধারণ মানুষের সঙ্গে চিকিৎসার নামে প্রতারণা করে হাতিয়ে নিচ্ছেন বিপুল অর্থ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়