শিরোনাম
◈ রমজানের আগে ২ হাজার ইউপি নির্বাচন, জানুয়ারিতে শুরু করার পরিকল্পনা ◈ জরিমানা ছাড়াই ভ্যাট রিটার্ন জমা দেয়ার সময় বাড়াল এনবিআর ◈ কক্সবাজার ও পেনাংয়ের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা নিশ্চিত করেছে এয়ার এশিয়া: বিমান পরিবহনমন্ত্রী ◈ অফশোর বিনিয়োগে আগ্রহ বাড়াতে লন্ডনে রোডশো, তথ্য নিয়েছে ১০ কোম্পানি ◈ বাবরির স্মৃতি থেকে উজ্জয়িনী: ভারতে মুসলিমদের ধর্মীয় স্থানের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ ◈ সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা ◈ সাইবার অপরাধ দমনে ৪৫৯২ জনের বিশেষ ইউনিট, নিয়োগ পাবেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা ◈ ২ লাখ ২০ হাজার টন সার কিনবে সরকার ◈ জ্বালানি আসছে, ভালভ পরীক্ষায় সাফল্য—উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে রূপপুর ◈ ৪৯ সেকেন্ড আগে গোল, পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়ান গেমস হ‌কির ফাইনালে ভারত 

প্রকাশিত : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:১৪ বিকাল
আপডেট : ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নিপাহ ভাইরাস কি ছড়িয়ে পড়বে, যা বললো ডব্লিউএইচও

ভারত ও বাংলাদেশে সম্প্রতি নিপাহ ভাইরাসে তিনজন আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা নিশ্চিত হলেও এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কম বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হওয়া নিপাহ ভাইরাসের কোনো টিকা নেই এবং এতে মৃত্যুহার ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশের মধ্যে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউএইচও প্রধান তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস বলেন, ‘গত কয়েক সপ্তাহে নিপাহ ভাইরাসের তিনটি ঘটনা- দুটি ভারতে এবং একটি বাংলাদেশে- সংবাদ শিরোনাম হয়েছে এবং বড় ধরনের প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কা তৈরি করেছে।’

তিনি জানান, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে নিপাহ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি মূল্যায়ন করে ডব্লিউএইচও দেখেছে যে এর ঝুঁকি কম।
 
গত মাসে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে নিপাহ’র দুটি সংক্রমণ নিশ্চিত হয়। অন্যদিকে, বাংলাদেশে গত সপ্তাহে একজন রোগী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। 
  
ডব্লিউএইচও প্রধান বলেন, দুটি প্রাদুর্ভাব পরস্পর সম্পর্কিত নয়। যদিও উভয় ঘটনাই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘটেছে এবং একই ধরনের পরিবেশগত ও সাংস্কৃতিক পরিস্থিতি রয়েছে। পাশাপাশি, সেখানে নিপাহ ভাইরাসের প্রাকৃতিক বাহক হিসেবে পরিচিত ফলখেকো বাদুড়ের উপস্থিতিও আছে।

নিপাহ ভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় ১৯৯৮ সালে। সেসময় মালয়েশিয়ায় শূকর খামারিদের মধ্যে এটি ছড়িয়ে পড়ে। ভারতে প্রথম নিপাহ প্রাদুর্ভাবের ঘটনা ২০০১ সালে পশ্চিমবঙ্গে রিপোর্ট করা হয়।
 
২০১৮ সালে ভারতের কেরালা রাজ্যে নিপাহ ভাইরাসে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়। একই রাজ্যে ২০২৩ সালেও এই ভাইরাসে দু’জনের মৃত্যু হয়।
 
নিপাহ সংক্রমণের লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে তীব্র জ্বর, বমি ও শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ। গুরুতর ক্ষেত্রে খিঁচুনি ও মস্তিষ্কে প্রদাহ দেখা দিতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত কোমায় পরিণত হতে পারে। সূত্র: দ্য ডন

  • সর্বশেষ