খাদেমুল বাবুল, জামালপুর: জেলার ইসলামপুরে যমুনা-ব্রহ্মপুত্র ও দশআনী নদীর অব্যাহত ভাঙনে সংকুচিত হয়ে আসছে উপজেলার মানচিত্র। চলতি বর্ষা মৌসুম শুরুতেই যমুনা-ব্রহ্মপুত্রসহ উপজেলার নতুন গুলোতে দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙন। গেলো সপ্তাহে নদী ভাঙনে উপজেলার কুলকান্দি ইউনিয়নের জিগাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বন্যা আশ্রায়ন কেন্দ্রটি যমুনার গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।
চলমান তীব্র নদী ভাঙনে যমুনা নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে উপজেলার নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের কাঠমা, কাজলা ও তারতাপাড়া এলাকার ২ দুই শতাধিক বসতবাড়ি, সহস্রাধিক হেক্টর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের চরম ঝুঁকিতে রয়েছে নদী তীরবর্তী মানুষের বসতবাড়ি, ফসিল জমি, রাস্তা-ঘাট, স্কুল-মাদরাসাসহ অসংখ্য স্থাপনা। নদী ভাঙনে সর্বহারা পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেৃ।
সম্প্রতি উজানের পাহাড়ী ঢলে উপজেলায় যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে তীব্র ভাঙন শুরু হয়। বর্তমানে নদীর পানি হ্রাস পেলেও পাড় জেগে উঠায় ভাঙন আরো তীব্র আকার ধারণ করেছে বলে জানান নোয়ারপাড় ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রোমান হাসান।
তিনি বলেন, পানি হ্রাস পাওয়ায় নদীর পার জেগে উঠেছে ফলে নদী ভাঙন আরো তীব্র হচ্ছে। তিনি তার ইউনিয়নের মানচিত্র রক্ষায় স্থায়ী নদী শাসন ব্যবস্থার দাবি জানান।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ ফেরদৌস জানান, নদী ভাঙনের তীব্রতা এতোই বেশি ছিলো ঝিগাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নিলামে উঠানোরও সময় পাওয়া যায়নি।
জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো, রফিকুল ইসলাম বলেন, ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে ইতিমধ্যেই জরুরি বরাদ্দের জন্য প্রস্তবনা পাঠানো হয়েছে। সম্পাদনা: অনিক কর্মকার
প্রতিনিধি/একে