শিরোনাম
◈ যুদ্ধের নিন্দায় ঐকমত্য ব্রিকস নেতাদের, আসছে যৌথ ঘোষণা ◈ মেগা মাস্টারপ্ল্যানে বদলে যাচ্ছে কক্সবাজার, লক্ষ্য আন্তর্জাতিক পর্যটন-ব্যবসার হাব ◈ হাম উপসর্গে দেশজুড়ে আরো ৭ জনের মৃত্যু ◈ কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে সর্বোচ্চ উদ্যোগ নেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ রেলপথে নতুন দিগন্ত: ট্রান্স-এশিয়ান নেটওয়ার্কে যুক্ত হবে বাংলাদেশ ◈ নেপালে অবৈধভাবে বসবাস ও সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ১০ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার ◈ সি‌পিএলে মিরা‌জের দুর্দান্ত বো‌লিং‌য়ে জিত‌লো গায়ানা, পে‌লেন ম্যাচসেরার পুরস্কার ◈ ‘আমরা কখনোই তাদের ভুলব না’, ৯/১১-এর ২৫ বছর পূর্তিতে ট্রাম্প ◈ বাংলা-ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে: ববি হাজ্জাজ ◈ যেকোনও মূল্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে হবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী 

প্রকাশিত : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৩:৫৪ দুপুর
আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৩:৫৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মেগা মাস্টারপ্ল্যানে বদলে যাচ্ছে কক্সবাজার, লক্ষ্য আন্তর্জাতিক পর্যটন-ব্যবসার হাব

আন্তর্জাতিক পর্যটন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের কেন্দ্র হিসেবে কক্সবাজারকে গড়ে তুলতে নেওয়া হচ্ছে মেগা মাস্টারপ্ল্যান। ২০২৬ সালের মধ্যেই এ মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করার লক্ষ্য রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে নগর ব্যবস্থাপনা, পর্যটন অবকাঠামো, যোগাযোগ, পরিবেশ ও নাগরিক সেবায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে।

পর্যটনের পাশাপাশি শিক্ষা, গবেষণা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়িয়ে কক্সবাজারকে জাতীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ গ্রোথ হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। শৈবাল ও লাবণী বিচ এলাকাকে ঘিরে প্রায় ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিশ্বমানের পর্যটন অঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।

মাস্টারপ্ল্যানে পরিবেশবান্ধব পর্যটনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সমুদ্রসৈকত, পাহাড়, বনাঞ্চল ও জীববৈচিত্র্য বিবেচনায় নিয়ে ইকো-রিসোর্ট, হোটেল ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় বিদ্যমান ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজারকে স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে আধুনিক বর্জ্য ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, নিরাপদ পানি, পানি শোধনাগার, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা ও পর্যটন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

যোগাযোগব্যবস্থায়ও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বিমানবন্দর ও রানওয়ে সম্প্রসারণ, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল যোগাযোগ এবং মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার উদ্যোগকে। প্রায় ৮০ কিলোমিটার মেরিন ড্রাইভ, ইনানী, পাটুয়ারটেক ও টেকনাফে ইকো-ট্যুরিজমের সম্ভাবনাও কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে কক্সবাজারে দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্টেশন স্থাপনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতির নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, পরিবেশের ভারসাম্য, পর্যটন অবকাঠামো, আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সুবিধাকে সমন্বয় করেই মাস্টারপ্ল্যান করা হচ্ছে। এটি চূড়ান্ত হলে অপরিকল্পিত উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পর্যটন ও বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

তবে স্থানীয় ও পর্যটন ব্যবসায়ীরা চান, উন্নয়নের সুফল যেন স্থানীয় জনগণও পান। আর পরিবেশবাদীদের দাবি, উন্নয়নের নামে সৈকত ও জীববৈচিত্র্য নষ্ট করা যাবে না। সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক পর্যটন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে।

 

  • সর্বশেষ