শিরোনাম
◈ ইলিয়াস আলী গুম: ধলেশ্বরীতে লাশ ফেলার চাঞ্চল্যকর তথ্য উন্মোচিত ◈ ইরানের সবচেয়ে বড় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে তীব্র সতর্কতা ◈ ওয়ান-ইলেভেনের তিন কুশীলব ডিবি হেফাজতে: মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদে বেরোচ্ছে নতুন তথ্য ◈ জ্বালানি চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশের পাশে থাকার বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের ◈ দুই গোলে এগিয়ে থেকেও থাইল‌্যা‌ন্ডের কা‌ছে হারলো বাংলাদেশ নারী দল ◈ তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত, সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ ◈ ওকে লাথি মেরে বের করে দিন: নেতানিয়াহুর ছেলেকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে যুদ্ধে পাঠানোর দাবি স্টিভ ব্যাননের ◈ বাংলাদেশ সরকারের বিবৃতিতে আমরা কষ্ট পেয়েছি: ইরানি রাষ্ট্রদূত ◈ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ: জ্বালানি সংকটে প্রথমে ফুরিয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ! ◈ শিশুশিল্পী লুবাবার বিয়ে আইনত বৈধ কি না, বাল্যবিবাহের দায়ে কী শাস্তি হতে পারে?

প্রকাশিত : ২৩ নভেম্বর, ২০২৪, ০৫:৫৭ বিকাল
আপডেট : ১১ মে, ২০২৫, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নতুন কমিশন বরণে প্রস্তুত ইসি, আস্থা ফিরবে তো?

মহসিন কবির: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও অন্য চার কমিশনারকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়। অফিসের সাজসজ্জার কাজ পুরোদমে চলছে। নতুন কমিশনের যোগদানের আগে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে নির্বাচন ভবনে। কোনো ব্যক্তি ভবনে প্রবেশ করতে চাইলে পরিচয় নিশ্চিত হয়ে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছেন প্রধান ফটকের নিরাপত্তায় থাকা পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।

রোববার (২৪ নভেম্বর) শপথ নিয়ে দায়িত্ব পালন শুরু করবেন নতুন কমিশন। তাই আগে থেকেই পূর্বপ্রস্তুতি নিয়েছে ইসি। এর আগে ইসি সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে কৌতূহল ছিলো কারা আসছেন কমিশনে। সেই কৌতূহল কেটে গেছে। 

জানা গেছে, সিইসি ও নির্বাচন কমিশনারদের কক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে নতুন করে রং করা হচ্ছে। সিইসি ও নির্বাচন কমিশনারদের ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে গাড়ি। ইসি ভবনের তৃতীয় তলায় সিইসির অফিস রুমে দেখা যায়, ডেকোরেশনের কাজ করছেন মিস্ত্রিরা। রুম এখনও পুরোপুরি তৈরি হয়নি।

ইসির পরিচালক (জনসংযোগ) মো. শরিফুল আলম গণমাধ্যমকে বলেছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। দুই দিন ধরে কমিশনারদের অফিসকক্ষ প্রস্তুত করা হচ্ছে। এসে যেন তারা দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের এক মাস পর ৫ সেপ্টেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল ও চার নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগ করেন। এরপর গত ২৯ অক্টোবর ছয় সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। আইন অনুযায়ী সার্চ কমিটি গঠন করার পর নির্বাচন কমিশনে প্রতি পদের জন্য দুই প্রার্থীকে মনোনীত করে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে রাষ্ট্রপতির কাছে নাম প্রস্তাবের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। 

ফলে ২১ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির কাছে নাম প্রস্তাব করে সার্চ কমিটি। এরপর রাষ্ট্রপতি নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং ৪ নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগ ।

নবগঠিত নির্বাচন কমিশন জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, ‘এই নতুন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন করবে, জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে, এমনটিই আশা করি।’

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দ গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমরা আশা করি এই কমিশন কার্যকর ভূমিকা পালন করবে এবং একটি সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ এবং ভয়ভীতিহীন নির্বাচন করবে।’ এক্ষেত্রে প্রশাসনকে নিরপেক্ষ রাখার বিষয়টিকে নতুন কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তিনি। প্রশাসনকে দলনিরপেক্ষভাবে সাজানোর পাশাপাশি নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে, এমন বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ এ নেতার।

এদিকে নতুন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর তাদের চ্যালেঞ্জ এবং অগ্রাধিকার কী হতে পারে, তা নিয়ে নানা আলোচনা রয়েছে। নির্বাচন বিশ্লেষকরা বলছেন, ভোটের নামে বিগত তিনটি নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে চরম তামাশা করা হয়েছে। ভোটের কথা বলা হলেও এসব নির্বাচনে জনগণ ছিল ভোটাধিকার বঞ্চিত। ইসি এবং ভোটের প্রতি রাজনৈতিক দল এবং সাধারণ মানুষের আস্থা উঠে গেছে। সেজন্য ভোটের প্রতি মানুষের আস্থা ফেরানোই নতুন কমিশনের মূল কাজ হবে। মানুষকে ভোটে আনাই হবে মূল চ্যালেঞ্জ। সেটি অর্জনে ইসির কেন্দ্র থেকে মাঠ পর্যন্ত কোনো স্তরে কর্তৃত্ববাদী কেউ থাকলে তাদের সরিয়ে প্রশাসন ঢেলে সাজাতে হবে কমিশনকে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়