২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হবে এসএসসি পরীক্ষা। পরীক্ষা চলবে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে।
বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিন (২১ এপ্রিল) বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা শুরু হবে। ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা। এরপর পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা এবং মানবিক শাখার বিষয়গুলোর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
রুটিন অনুযায়ী ইংরেজি প্রথম পত্রের পরীক্ষা হবে ২৬ এপ্রিল এবং ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৮ এপ্রিল
বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা যথাক্রমে নির্ধারিত তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। একইভাবে ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক শাখার সব বিষয়ের পরীক্ষার তারিখও রুটিনে উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যবহারিক পরীক্ষার সময়সূচি পরবর্তীতে আলাদাভাবে জানানো হবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, অনিবার্য কারণে রুটিন পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে তা যথাসময়ে জানানো হবে।
পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নির্দেশাবলী
১. পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে আসন নিতে হবে।
২. প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা নিতে হবে।
৩. প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং উভয় পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।
৪. পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট থেকে পরীক্ষা আরম্ভের কমপক্ষে তিনদিন আগে সংগ্রহ করবে।
৫. শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়সমূহ জাতীয় শিক্ষক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড-এর নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাতে হবে।
৬. পরীক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।
৭. পরীক্ষার্থীকে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনি ও ব্যাবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে।
৮. প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল নিবন্ধনপত্রে বর্ণিত বিষয়/বিষয়সমূহের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই ভিন্ন বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া যাবে না।
৯. পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে পরীক্ষার্থীদের মাঝে প্রবেশপত্র বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে কোনো জটিলতা তৈরি হলে প্রতিষ্ঠানপ্রধান দায়ী থাকবেন।
১০. পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে।
১১. কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি/পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে এবং ব্যবহার করতে পারবে না।
১২. সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনি ও ব্যাবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতি পত্র ব্যবহার করতে হবে।
১৩. ব্যবহারিক পরীক্ষা স্ব স্ব কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।
১৪. পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এ বিষয়ে দৈনিক পত্রিকায় এবং শিক্ষা বোর্ডসমূহের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া, তারিখ ও সময় জানিয়ে দেওয়া হবে।
