শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান টানাপোড়েন: সমঝোতার পথ সংকীর্ণ, বাড়ছে ‘মৃত্যু ও ধ্বংসের’ আশঙ্কা ◈ এপ্রিলে ৩ দেশ সফর করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান: দ্য প্রিন্টের খবর ◈ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পর কতটুকু কার্যকর? ◈ ব্যাংক ঋণে ব্যবসা করা হালাল হবে কিনা, এ নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ◈ শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা পাওয়া নিয়ে স্বস্তির খবর, যা জানালেন মাউশি ◈ ফিফা র‍্যাঙ্কিং- আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের অবনতি, বাংলা‌দেশ ১৮২ নম্ব‌রে ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি: শর্ত নিয়ে প্রশ্ন, পর্যালোচনায় সরকার ◈ জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতের তথ্য দিলে মিলবে পুরস্কার, সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু ◈ ৭১-এর অপরাধ পাকিস্তান আজও অস্বীকার করে, বাংলাদেশের পাশে আছে ভারত: রণধীর জয়সওয়াল ◈ সৌদি আরব সত্যিই কি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াতে পারে, যা রয়েছে গোয়েন্দা তথ্যে

প্রকাশিত : ০১ আগস্ট, ২০২৪, ০৮:০২ রাত
আপডেট : ১৭ এপ্রিল, ২০২৫, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাসায় বিশ্রামে অনিক, দ্রুতই পুরোপুরি সুস্থ হবে আশা বাবার

জবি প্রতিনিধি: [২] কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় গুলিবিদ্ধ হওয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী অনিক দাস হাসপাতাল থেকে রিলিজ পেয়ে এখন নিজেদের বাড়িতে বিশ্রামে রয়েছেন। অনিক দ্রুতই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবে বলে আশাবাদী তার বাবা স্বপন দাস। 

[৩] তিনি আমাদের নতুন সময়কে বলেন, ১৪দিন পর হাসপাতাল থেকে রিলিজ পেয়েছে অনিক। সে মোটামুটি সুস্থ। এখন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী পুরোপুরি বিশ্রামে আছে। আশা করা যায় কয়েকদিন বিশ্রাম নিলেই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবে অনিক। আপাতত তাকে কেবল তরল খাবার খাওয়ানো হচ্ছে। 

[৪] গত ১৬ জুলাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোটা সংস্কারের দাবিতে মিছিল বের করে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি রায়সাহেব বাজার অভিমুখে  গেলে অলিগলি থেকে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ শুরু হয়। সেসময়  মার্কেটিং বিভাগের অনিক সহ জবির চারজন শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হন। গুলিতে অনিকের খাদ্যনালী ফুটো হয়ে যায়।

[৫] পরবর্তীতে ওই চার শিক্ষার্থীকে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। 

[৬] অনিকের চিকিৎসার যাবতীয় খরচ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহন করেছে বলে জানা গেছে। এছাড়া বুধবার (৩১ জুলাই) হাসপাতাল থেকে রিলিজ পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেই ব্যক্তিগত গাড়ির মাধ্যমে তাকে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়। 

[৭] জবির মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. জহির উদ্দিন আরিফ বলেন, অনিক এখন তার বাড়িতে আছে। তার অবস্থা আগের চেয়ে বেশ ভালো। সম্পাদনা: এ আর শাকিল

প্রতিনিধি/এআরএস

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়