শিরোনাম
◈ সৌদিতে কোরবানি ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা ◈ শ্রম আইন লঙ্ঘনের সাজাপ্রাপ্ত মামলায় স্থায়ী জামিন চাইবেন ড. ইউনূস ◈ ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে কর্মজীবী মানুষ ◈ স্বাস্থ্যখাতে নতুন অশনি সংকেত অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স: স্বাস্থ্যমন্ত্রী  ◈ কৃষি খাতে ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে তিন  বছরে সাড়ে ৩৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ ◈ বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.১ শতাংশ: এডিবি ◈ বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে বিজিপির ১৪ সদস্য ◈ সিলেটে বিদ্যুৎকেন্দ্রের আগুন নিয়ন্ত্রণে, ৭০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ◈ ৬০ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলার তালিকা প্রকাশ করুন: মির্জা ফখরুলকে ওবায়দুল কাদের ◈ পাল্টা হামলার বিরুদ্ধে ইসরায়েলকে ইরানের কঠোর হুঁশিয়ারি 

প্রকাশিত : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ০২:১০ দুপুর
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ০২:১০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুমিল্লায় ৩ হাজার বিঘা জমি চাষযোগ্য করতে কৃষক- এমপির আলোচনা সভা

এন এ মুরাদ, মুরাদনগর (কুমিল্লা): [২] মুরাদনগরে প্রায় তিন হাজার বিঘা কৃষি জমি ত্রিশ বছর যাবত পানির নীচে। এই নিয়ে কৃষকের মাঝে চলছিল কষ্টের হাহাকার। জমিগুলোকে চাষাবাদযোগ্য করতে রবিবার দুপুরে উপজেলার জাহাপুর ইউনিয়নের রানীমুহুরী স্কুল মাঠে কৃষকদের সাথে আলোচনা সভা করেছেন নবনির্বাচিত সাংসদ আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম সরকার। জলাবদ্ধতায় ডুবে থাকা জমিগুলো হলো, উপজেলার জাহাপুর ইউনিয়নের রানীমুহুরী, বল্ভদী, কাচারীকান্দি, বড়িয়াকুড়ি, নোয়াকান্দি, তিতারকান্দি ও রতননগর গ্রামের। 

[৩] তিনি বলেন, যেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন একতোলা জমিও যেন চাষাবাদের বাহিরে না থাকে। সেখানে তিন হাজার বিঘা জমি ত্রিশ বছর পরে আছে। আমি কাজটা হাতে নিয়েছি। কৃষকরা যেন দ্রুত সময়ের মধ্যে তিন হাজার বিঘা জমিতে ফসল ফলাতে পারেন সেই ব্যবস্থা  করবো।

[৪] এসময় উপস্থিত  ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পাভেল খাঁন পাপ্পু, উপজেলা প্রকৌশলী রায়হানুল আলম চৌধুরী, জাহাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ সওকত আহমেদ, ২শতাধিক কৃষক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ। 
     
[৫] সরেজমিনে জানা যায়, প্রায় ত্রিশ বছর যাবত ছয় শত কৃষকের ৩ হাজার বিঘা জমি চাষাবাদ করতে পারছেন না। ফলে সাত গ্রামের শত শত কৃষক অভাব অনটনের সাথে লড়াই করছেন।

[৬] বড়িয়াকুড়ি গ্রামের কৃষক আক্তার (৫০) বলেন, এই বাঁধের ভিতর আমার ১৪ বিঘা জমি থাকার পরও গতকাল আমি ১০ কেজি চাল কিনে আনছি। সারা বছর পানি লেগে থাকে বিধায় জমি গুলো কোন কাজে আসেনা। ছেলে মেয়ে নিয়ে খুব কষ্টে জীবনযাপন করছি। কৃষক আবদুল বারেক (৬০) জানান, এই জলবদ্ধতা ত্রিশ বছর। আমার ৫ বিঘা জমি অকেজো হয়ে পড়ে আছে। এক শতক জায়গাও ব্যাবহার করতে পারিনা। চাষাবাদ করতে না পারায় সারাবছর চাল কিনে খেতে হয়। এছাড়াও জলাবদ্ধতা থেকে  কৃষি জমি উদ্ধার করতে শতো শতো কৃষক একত্রিত হয়ে এমপি বরাবর দাবি জানান। 

[৭] ১৭নং জাহাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ সওকত আহমেদ বলেন, ত্রিশ বছর যাবত প্রায় তিন হাজার বিঘা জমি জলাবদ্ধতায় ডুবে আছে। কৃষকরা ফসল ফলাতে পারছেনা। বিগত দিনের এমপিরা এই নিয়ে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। বর্তমান সাংসদ পরিদর্শনে আসছেন।  স্যার যদি এই সমস্যা সমাধান করে দেন আমরা ইউনিয়নবাসী কৃতজ্ঞতার বন্ধনে আবদ্ধ থাকবো। 

[৮] উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পাভেল খানঁ পাপ্পু বলেন, ত্রিশ বছর ধরে প্রায় ৩ হাজার বিঘা জমিতে কোন চাষাবাদ হয়নি। বিভিন্ন কারণে এটা অনাবাদি রয়েছে। কিছু জায়গায় জলাবদ্ধতা আবার কিছু জায়গায় খাল খননের প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। আমরা একটা সার্ভে প্লান করে এমপি মহোদয়ের কাছে দিবো। চেষ্টা করবো আগামী মৌসুম থেকে যেন এখানে চাষাবাদ শুরু করতে পারি। সম্পাদনা: এ আর শাকিল

প্রতিনিধি/এআরএস

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়