শিরোনাম
◈ সন্ধ্যার মধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঝড়-বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত ◈ কবে চালু হবে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল, জানালেন প্রতিমন্ত্রী ◈ আজ রাজধানীর যেসব সড়ক এড়িয়ে চলবেন ◈ তেল-গ্যাসে মধ্যপ্রাচ্যের ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা কতটা ◈ যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইরান, সামনে তিন শর্ত ◈ উত্তর ইসরায়েলে তীব্র হামলা: ইরান-হিজবুল্লাহর ১০০ রকেট নিক্ষেপের দাবি ◈ রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি চেয়েছে বাংলাদেশ ◈ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় র‌্যাবের ওপর হামলা ◈ নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন কে? নানা আলোচনা ◈ স্বাভাবিক হয়নি ভোজ্যতেলের বাজার

প্রকাশিত : ২৫ মার্চ, ২০২৩, ০৮:২৫ রাত
আপডেট : ২৫ মার্চ, ২০২৩, ০৮:২৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফলের বাজারে আগুন, কিনতে পারছে না সাধারণ ক্রেতারা 

ফল

শহীদুল ইসলাম: সারাদিন উপবাসের পর ফল ছাড়া ইফতার চলে না, তাই রমজানে ইফতারে শরবতের সাথে একটু ফল সবাই চায়। আমাদের দেশে ইফতারে যেসব ফলের চাহিদা বেশি থাকে তার মধ্যে বেশিরভাগই আমদানি করতে হয়। সরকার বিদেশি ফলকে ‘বিলাসপণ্য’ দেখিয়ে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করায় সব ফলের দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। ফলে অনেক সাধারণ মানুষ ফলের দোকানে গিয়েও কিনতে পারছেন না। 

রোজার দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ ফলের দোকানে গতবছরের তুলনায় দাম কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ  বেশি। ফলে কেউ কেউ দরদাম করছেন আর কেউ কেউ দাম শুনে সাধ্যর বাহিরে হওয়ায় কিছু না বলে চলে যাচ্ছেন। 

শনিবার রাজধানীর কয়েক স্থানে কমলা বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ২০০ টাকায়,  আপেল বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৬০ টাকায়, মাল্টা বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকায়, আঙ্গুর বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় এবং আনার বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায়। তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজিতে। পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা, পেয়ারা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কুল ৮০-১০০ টাকা, সফেদা-আতাফল ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আয়েশা আক্তার নামে এক ক্রেতা বলেন, বাড়িতে মেহমান আসবে তাই কিছু ফল কিনলাম। এবার ফলের দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে, তাই ২ কেজি মাল্টা আর ৩ কেজি আপেল কিনেছি। 

এক ফল বিক্রেতা বলেন, আজ সকাল থেকে মাত্র ২ হাজার টাকার ফল বিক্রি করেছি। দাম বেশি তাই ক্রেতা নেই, বিক্রিও নেই। 

দাম বৃদ্ধির বিষয়ে বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুট ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, ইফতারো ফল আমদানি করতে হয়। বিদেশি ফলকে ‘বিলাসপণ্য’ দেখিয়ে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করায় সব ফলের দাম বেড়েছে ৪০ শতাংশের বেশি। বাড়তি দামের প্রভাব বিক্রিতে পড়েছে। এছাড়া এলসি জটিলতায় এবার ফল আমদানি কম হয়েছে। এ কারণে দাম কিছুটা বেড়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়