শিরোনাম
◈ আন্দোলনের মুখে অবশেষে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ◈ পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে দলের উচ্চপর্যায়ে: রিজভী ◈ রান্না করা মাংস কেন সবুজ হলো? ব্যাখ্যা দিলেন খাদ্য নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ◈ রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে মামলা হলে করণীয় কী জানালেন আইনমন্ত্রী (ভিডিও)  ◈ জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছাড়ল খেলাফত মজলিস ◈ মেধাভিত্তিক প্রজন্ম গড়ে প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ বিনামূল্যে ফেসবুক ভেরিফায়েড ব্যাজ, চালু হচ্ছে মেটার নতুন সুবিধা ◈ সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন: আইনমন্ত্রী ◈ রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি নিয়ে বিতর্ক, কী বলছে বাংলাদেশের সংবিধান ◈ নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ১০ লাখ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের তথ্যভাণ্ডার তৈরি করছে সরকার, আসছে নজরদারিতে

প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৫:৩৯ বিকাল
আপডেট : ২৮ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৫:৩৯ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণ করতে হবে: মাতলুব আহমাদ

সংবাদ সম্মেলন

মনজুর এ আজিজ: নিটল-নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ইন্দো-বাংলা চেম্বার অব কমাস এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (আইবিসিসিআই) সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ বলেছেন, বাংলাদেশে কৃষি উৎপাদনের সকল ক্ষেত্রে কৃষি যন্ত্রপাতির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে উৎপাদন খরচ বহুলাংশে হ্রাস পাবে এবং কৃষক বিপুলভাবে লাভবান হবেন। এতে উৎপাদন বৃদ্ধি হয়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

শনিবার দুপুরে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (ওঈঈই) ইন্দো বাংলাদেশ এগ্রি মেকানাইজেশন সামিট উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মনীশ মোহন (সিনিয়র ডিরেক্টর সিআইআই), অশোক অনন্তরামন (সিওও, এসিই) এবং সুদর্শন আর (ভাইস প্রেসিডেন্ট, টাফে)। সামিট চলাকালীন অনেকগুলো গঙট সাক্ষরিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল মাতলুব আহমাদ বলেন, বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। এদেশে কৃষির  গোড়পতন জাতির জনকের হাত ধরে শুরু। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার সাথে সংগতি রেখে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি অব্যাহত রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

বর্তমান সরকার কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে উৎপাদন খরচ কমিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনের জন্য এগ্রিকালচারের মেকানাইজেশন প্রয়োজন। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা পূরণে কৃষিতে যন্ত্রপাতির ব্যবহার বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে জমি চাষে ৯৫% ভাগ ক্ষেত্রে কৃষি যন্ত্রের ব্যবহার হলেও চারা রোপনের ক্ষেত্রে কৃষি যন্ত্রের ব্যবহার ৩% এর কম। অন্যদিকে ফসল কাটার জন্য ১০% হারভেষ্টার ব্যবহার হলেও ধান মাড়াই এর ক্ষেত্রে  ৯৫% থ্রেসার ব্যবহার করে থাকে। তৈলজাতীয় বীজ যেমন সরিষা, সূর্যমুখীর বিপুল পরিমাণে দেশে চাষ হলেও  যথাযথ ক্রাসার মেশিনের অভাবে প্রয়োজনীয় তেল আহরন সম্ভব হচ্ছে না।

এক্ষেত্রে যথাযথ ক্রাসার মেশিনের অভাব দীর্ঘদিন ধরে অনুভূত হচ্ছে। এখানে জয়েন্ট ভেঞ্চার এর মাধ্যমে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রস্তুত করে দেশের চাহিদা মেটানো হবে এবং বিদেশেও রপ্তানি করা হবে। কৃষি উৎপাদনের সকল ক্ষেত্রে কৃষি যন্ত্রপাতির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে উৎপাদন খরচ বহুলাংশে হ্রাস পাবে এবং কৃষক বিপুলভাবে লাভবান হবেন, উৎপাদনও বৃদ্ধি পেয়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কৃষি যান্ত্রিকীকরণের জন্য নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। এক্ষেত্রে সিআইআই এবং টিএমএ এর সহযোগীতা সরকারের এই কাযক্রমকে আরও বেগবান করবে। বাংলাদেশ আশা করে যে, ভারতীয় ব্যবসায়ীগণ বাংলাদেশের এই উদ্যেগকে এগিয়ে নিতে স্বল্প মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি এবং যন্ত্রাংশ সরবারাহ করবে।

এমএএ/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়