শিরোনাম
◈ বিচার বিভাগে বড় রদবদল, একযোগে বদলি ৯৯ বিচারক ◈ নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান ◈ গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও কাটছে না সংকট ◈ বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে মেনজিস এভিয়েশন ◈ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে অন্ধকারে বাংলাদেশ : রয়টার্সের প্রতিবেদন ◈ বিশ্ব ইজতেমা ঘিরে ফের উত্তেজনা, মুখোমুখি জুবায়ের ও সাদপন্থিরা ◈ নরেন্দ্র মো‌দি ক্রিকেটার ছিলেন, ছিল নিজের দলও : প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনেই ফাঁস হলো এসব তথ্য  ◈ ক্রিকেটের বাতাস বইছে হকিতেও! ভারতে খেলতে যে‌তে রাজি নয় পাকিস্তান ◈ ডেঙ্গু মোকাবিলায় এবার কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সাহায্য চাইলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ◈ বদলে গেলো আবাহনী মাঠের নাম

প্রকাশিত : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০৭:১০ বিকাল
আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০৭:১০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশ ব্যাংক ডলারের সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দিলেও মিলছে না সুফল

ডলার

মনজুর এ আজিজ : দেশে ডলার-সংকট কাটাতে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক রফতানি আয়ে প্রতি ডলারের সর্বোচ্চ দাম ৯৯ টাকা, প্রবাসী আয়ে ১০৮ টাকা দাম বেঁধে দেওয়া হলেও বাজারে এর সুফল মিলছে না। বরং বাজারে ডলারের দাম আরও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার এক ব্যাংক আরেক ব্যাংকের কাছে ডলার বিক্রি করে প্রতি ডলার ১০৭ টাকার বেশি দামে। এছাড়া খোলাবাজারে ডলারের দাম উঠেছে ১১৫ টাকায়। 

এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শে ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) শীর্ষস্থানীয় নেতারা ১১ সেপ্টেম্বর এক সভায় ডলারের সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করে দেন।  ওই দিন বেঁধে দেওয়া হয়,  রফতানি আয়ে প্রতি ডলারের সর্বোচ্চ দাম ৯৯ টাকা, প্রবাসী আয়ে ১০৮ টাকা। তাতে রফতানি আয়ের চেয়ে রেমিটেন্স হয়ে আসা ডলারের দাম ৯ টাকা বেশি। আর ডলারের পাঁচ দিনের গড় খরচের চেয়ে ১ টাকা বেশি দামে আমদানি দায় শোধ করতে বলা হয় ব্যাংকগুলোকে।

এখানে দেখা যায়, একই মুদ্রার মূল্য একেক জায়গায় একেক রকম। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স এলে ডলারের দাম দেওয়া হচ্ছে ১০৮ টাকা। একই ডলার রফতানির মাধ্যমে এলে তার দাম দেওয়া হচ্ছে ৯৯ টাকা। যখন আমদানির জন্য দেওয়া হচ্ছে তখন মূল্য ধরা হচ্ছে ১০৪ টাকা ৫০ পয়সা। আবার ফ্রিল্যান্সারসহ বিদেশ থেকে আসা অন্যান্য আয়ে সর্বোচ্চ ৯৯ টাকা দাম দিচ্ছে। যদিও ফ্রিল্যান্সার ও ডলার আয় করা অন্যান্য খাতের কর্মজীবীরা তাদের আয়ের জন্য আড়াই শতাংশ হারে সরকারি প্রণোদনা পাচ্ছেন। এছাড়া যখন কেউ বিদেশে চিকিৎসার জন্য ডলার কিনতে যাচ্ছেন তার কাছ থেকে রাখা হচ্ছে (খোলা বাজারে) ১১৫ টাকা।

ব্যাংকিং লেনদেনের পাশাপাশি মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলোর ডলার কেনাবেচার দামও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঠিক করে দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, ব্যাংকগুলোর নগদ ডলার বিক্রির দরের চেয়ে সর্বোচ্চ দেড় টাকা মুনাফা করতে পারবে মানি চেঞ্জারগুলো।

এ প্রসঙ্গে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, রেমিটেন্স ও রফতানি আয়ের ডলারের দামে এত পার্থক্য রেখে স্থিতিশীল করা যাবে না। প্রবাসী আয়ে দাম কমাতে হবে, রফতানিতে দাম বাড়াতে হবে। এভাবে সবক্ষেত্রে ডলারের দাম এক করে ফেলতে হবে।

উল্লেখ্য রাশিয়াইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানিসহ বিভিন্ন আমদানি পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বাজারে ডলারের চাহিদা বেড়ে গেছে। বেড়েছে ডলারের মূল্য, কমেছে টাকার মান। গত সাত মাসের কম সময়ে দেশের মুদ্রার দরপতন হয়েছে ২৫ শতাংশের বেশি। এই যুদ্ধ শুরুর আগে ডলারের দর ছিল ৮৪ থেকে ৮৫ টাকা।

  • সর্বশেষ