শিরোনাম
◈ গণপিটুনিতে ৯ মাসে ১৭১ মৃত্যু, ‘মব’ কি সংঘবদ্ধ অপরাধের নতুন কৌশল? ◈ প্রতিদ্বন্দ্বী তুরস্কের বাজারেও বাড়ছে বাংলাদেশের পোশাকের চাহিদা ◈ বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে নতুন নেতৃত্ব গড়তে চায় বিএনপি ◈ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের ৮৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ ◈ ফেরদৌসী মিষ্টির আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন যে ৬৭ নারী নেত্রী ◈ দীপকের আটক ঘিরে নেতৃত্বের সংকট, বিকল্প পরিকল্পনা ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত সিজেপির ◈ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা এলেই নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা ওঠা জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কাভার্ডভ্যান চুরি হওয়া ক্রিকেটারের টাকা যেভাবে উদ্ধার হলো ◈ মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানত না ঢাকা, তথ্য চেয়ে সৌদি আরবকে চিঠি ◈ হাসিনা-কামালসহ হাদী হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত চাইবে বাংলাদেশ, ভারতকে কনস্যুলার সংলাপে চাপ

প্রকাশিত : ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪১ রাত
আপডেট : ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:২৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ক্ষতিকর ৩১ অবৈধ অ্যাপ, লেনদেন না করতে সতর্কবার্তা

সহজ শর্তে দ্রুত ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখানো ৩১টি অননুমোদিত ঋণদাতা অ্যাপ থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এসব অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করে গ্রাহকদের হয়রানি এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিএফআইইউ এক সতর্কবার্তায় এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার পরামর্শ দেয়।

সংস্থাটি জানায়, বিভিন্ন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক গ্রুপের মাধ্যমে সহজ শর্তে ও দ্রুত ঋণ দেওয়ার প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এসব অননুমোদিত অ্যাপ ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য, মোবাইল ফোনে থাকা যোগাযোগের তালিকা, ছবি এবং অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করছে।

পরবর্তী সময়ে ঋণের টাকা আদায়ের নামে গ্রাহকদের ওপর অযাচিত চাপ সৃষ্টি, ভয়ভীতি দেখানো, ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের হুমকি এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের মতো অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে এসব অ্যাপ ব্যবহারে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও আর্থিক নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে বিএফআইইউ।

Advertisement

বিএফআইইউ বলেছে, বাংলাদেশে ঋণ প্রদান একটি নিয়ন্ত্রিত আর্থিক কার্যক্রম। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন এবং প্রচলিত আইন ও নিয়ন্ত্রক কাঠামো অনুসরণ ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে না।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, অননুমোদিত ঋণ কার্যক্রমে প্রতারণা, আর্থিক অপরাধ ও মানিলন্ডারিংয়ের ঝুঁকি রয়েছে। তাই ঋণের প্রলোভনে অপরিচিত কোনো অ্যাপ বা প্ল্যাটফর্মে জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক হিসাবের তথ্য, ব্যক্তিগত ছবি, মোবাইলের যোগাযোগ তালিকা বা অন্য কোনো সংবেদনশীল তথ্য না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ঋণ দেওয়ার আগে অগ্রিম টাকা, নিবন্ধন ফি বা প্রসেসিং ফি দাবি করা হলে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।

যেসব অ্যাপ থেকে সতর্ক থাকতে বলেছে বিএফআইইউ

বিএফআইইউর নজরে আসা ৩১টি অবৈধ বা অননুমোদিত ঋণদাতা অ্যাপের তালিকায় রয়েছে—সাথী লোন, পপক্যাশ, ফিনক্যাশ, কুইক লোন, কুইক টাকা, ঢাকা ফিন, লোনভাইব, দোস্ত লোন, টাকা ক্যাশ লোন, কেওয়নজা লোন, এসএসএইচ মানি, লোনবাডি, সাথি লোন, ক্যাশহোরা, আলো ক্যাশ, ফাস্ট লোন, ইজি টাকা, ধৈর্য লোন, ফিন ডট ডু, বঙ্গক্যাশ, আশা লোন, সুবিধা লোন, স্মার্ট লোন বিডি, অনলাইন লোন বিডি, সিটি অনলাইন লোন, বিডি সহজ লোন, ক্যাশ লোন, সোনালী, লোনহাট ও টাকানাও।

বিএফআইইউ জানিয়েছে, এসব অননুমোদিত প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কেউ প্রতারিত হলে কিংবা এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনাকারী কোনো অ্যাপ, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গ্রুপ, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের তথ্য জানা থাকলে সংস্থাটির কাছে অভিযোগ করা যাবে।

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই এ ধরনের অননুমোদিত ঋণ কার্যক্রম থেকে দূরে থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থাটি।

 

  • সর্বশেষ