শিরোনাম
◈ জরুরি সতর্কতা প্রবাসী মন্ত্রণালয়ের: মালয়েশিয়া যেতে সরকারি ঘোষণা না আসা পর্যন্ত অর্থ লেনদেন নয় ◈ দুর্ঘটনা নাকি চুরির সময় বিস্ফোরণ? অগ্নিদগ্ধ সৌদিপ্রবাসী মীর ইব্রাহিমের ঘটনা ঘিরে নতুন প্রশ্ন, সামনে এলো ভিন্ন দাবি ◈ যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের পরই বাংলাদেশ, খেলাপি ঋণে বিশ্বে দ্বিতীয়: ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ ছাড়াল ৬০ শতাংশ ◈ রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে জান্তা সরকারের পাশাপাশি সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা বিবেচনায়: প্রধানমন্ত্রী ◈ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস, নিহত বেড়ে ৮; তিন দিনে প্রাণহানি ২১ ◈ সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কাঁচপুরে, নীতিগত অনুমোদন ◈ ঢামেকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর সফর, চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি ◈ ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান, সমঝোতা বাতিলের ঘোষণা ◈ ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে ১০ আগস্ট চালু হচ্ছে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেন ◈ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

প্রকাশিত : ০৮ জুলাই, ২০২৬, ০৭:৫৭ বিকাল
আপডেট : ০৮ জুলাই, ২০২৬, ০৮:৫০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের পরই বাংলাদেশ, খেলাপি ঋণে বিশ্বে দ্বিতীয়: ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ ছাড়াল ৬০ শতাংশ

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের পর বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ (নন-পারফর্মিং লোন–এনপিএল)-এর হার বাংলাদেশে। দেশের ব্যাংক খাতের মোট ঋণের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই এখন খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত। সার্ক দেশগুলোর মধ্যেও বাংলাদেশের খেলাপি ঋণের হার সর্বোচ্চ। ঋণ ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা, রাজনৈতিক প্রভাব এবং ঋণ আদায়ে ব্যর্থতা নিয়ে এতে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। সূত্র: টিবিএস প্রতিবেদন

সর্বশেষ ব্যাংকিং তথ্য অনুযায়ী, ৩৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ খেলাপি ঋণের হার নিয়ে বৈশ্বিক তালিকার শীর্ষে রয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন। চলমান যুদ্ধের কারণে দেশটির অর্থনীতিতে সৃষ্ট ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির প্রভাব এতে প্রতিফলিত হয়েছে। এরপরই ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ খেলাপি ঋণ নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পর রয়েছে চাদ ৩১ দশমিক ৫১ শতাংশ এবং গিনি ৩১ দশমিক ১৫ শতাংশ।

রোববার অর্থ মন্ত্রণালয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের খেলাপি ঋণ কমানো নিয়ে আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ সেশনে বিষয়টি আলোচনায় আসে। এতে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ বিভাগের সচিব।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ পর্যন্ত তিন মাসে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ৩১ হাজার কোটি টাকার বেশি বেড়ে ৫ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণের চিত্র সবচেয়ে উদ্বেগজনক। প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের খেলাপি ঋণের হার প্রায় ৬ থেকে ১৫ গুণ বেশি।

ভারতে খেলাপি ঋণের হার ২ দশমিক ২ শতাংশ। এ ছাড়া ভুটানে এ হার ৪ দশমিক ৫ শতাংশ, মালদ্বীপে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ, নেপালে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ, পাকিস্তানে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ এবং শ্রীলঙ্কায় ৬ দশমিক ৫ শতাংশ।

এসব পরিসংখ্যান বাংলাদেশের ঋণ শৃঙ্খলা ও ঋণ ব্যবস্থাপনার গুরুতর অবনতির দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে। ব্যাংকার ও আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ঋণ দেওয়া, নিয়ন্ত্রক দুর্বলতা এবং কার্যকর আইনি প্রয়োগের অভাবই খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির প্রধান কারণ।

ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ (স্ট্রেসড অ্যাসেট) মোট ঋণের ৬০ শতাংশ ছাড়িয়েছে

সরকারি এক উপস্থাপনায় দেখা যায়, দেশের ব্যাংক খাতে বর্তমানে মোট ঋণের স্থিতি ১৮ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ৫ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। এতে খেলাপি ঋণের হার দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ।

পুনঃতফসিল করা ঋণ ও স্পেশাল মেনশন অ্যাকাউন্টস যুক্ত করলে ব্যাংক খাতের ঝুঁকির মাত্রা আরও বেশি। এসব ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা, যা মোট ঋণ স্থিতির প্রায় ৬১ শতাংশ। এতে আনুষ্ঠানিকভাবে খেলাপি হিসেবে শ্রেণীকৃত ঋণের বাইরেও ব্যাপক পরিশোধ বা রিপেমেন্ট ঝুঁকির ইঙ্গিত মিলছে।

ব্যাংকাররা বলছেন, রাজনৈতিক প্রভাবে ঋণ অনুমোদনের কারণে ঋণমান দুর্বল হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতার পরিশোধ সক্ষমতার পরিবর্তে সম্পর্ক ও প্রভাবের ভিত্তিতে ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

হার্ভার্ড কেনেডি স্কুল ও সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের গবেষণাতেও দুর্বল প্রতিষ্ঠান, তথ্যের অসমতা এবং রাজনৈতিক প্রভাবকে বাংলাদেশে ঋণ পরিবেশের অবনতির বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, করপোরেট সুশাসনের দুর্বলতা, হিসাব-নিকাশে কৃত্রিমতা এবং আইনি প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতার কারণেও নিয়মিত খেলাপিরা সময়মতো ঋণ পরিশোধ এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এতে ঋণ আদায় ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে।

মূলধন অনুপাত কমে ঋণাত্মক ২ দশমিক ৬৪ শতাংশে

মূলধন পর্যাপ্ততার দিক থেকেও দেশের ব্যাংক খাত ঋণাত্মক অবস্থানে নেমে গেছে। ২০২৫ সালের শেষে ব্যাংক খাতের মূলধন থেকে ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের অনুপাত বা সিআরএআর দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ২ দশমিক ৬৪ শতাংশে, যা এক বছর আগেও ছিল ৩ দশমিক ০৮ শতাংশ। এতে রাষ্ট্রায়ত্ত, বিশেষায়িত ও বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে তীব্র মূলধন ঘাটতির চিত্র উঠে এসেছে।

সিআরএআর হলো ব্যাংকের সম্ভাব্য ক্ষতি সামাল দেওয়ার সক্ষমতা পরিমাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রক সূচক। এতে ব্যাংকের মূলধনকে ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের সঙ্গে তুলনা করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোর ন্যূনতম সিআরএআর ১২ দশমিক ৫ শতাংশ বজায় রাখা বাধ্যতামূলক।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের ব্যাংক খাত উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে রয়েছে। বাংলাদেশে সিআরএআর ঋণাত্মক হলেও পাকিস্তানের ব্যাংক খাতে এ অনুপাত ২০ দশমিক ৮ শতাংশ। এ ছাড়া শ্রীলঙ্কায় সিআরএআর ১৯ দশমিক ৪ শতাংশ এবং ভারতে ১৭ দশমিক ২ শতাংশ, যা এসব দেশের ব্যাংক খাতের তুলনামূলক শক্তিশালী মূলধন অবস্থান ও আর্থিক সক্ষমতার ইঙ্গিত দেয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষে ১৯টি ব্যাংক ন্যূনতম মূলধন পর্যাপ্ততার অনুপাত বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ খেলাপি ঋণ সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর বড় চাপ তৈরি করছে। বিপুল পরিমাণ খেলাপি ঋণের কারণে ব্যাংকগুলোকে বেশি প্রভিশন রাখতে হচ্ছে, মামলা পরিচালনার ব্যয় বাড়ছে এবং মুনাফা কমছে। এর ফলে উৎপাদনশীল খাতে নতুন ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা সীমিত হয়ে পড়ছে।

ব্যাংকের সম্পদের মান খারাপ হতে থাকলে তাদের মূলধনও দুর্বল হয়ে পড়ে। এতে নতুন ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা কমে যায়, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাধাগ্রস্ত হয় এবং শেষ পর্যন্ত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ঋণ ব্যবস্থাপনায় এগিয়ে যেসব দেশ

বাংলাদেশ যখন ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণের চাপে রয়েছে, তখন শক্তিশালী সুশাসন ও নিয়ন্ত্রক তদারকির মাধ্যমে বেশ কয়েকটি উন্নত অর্থনীতি খেলাপি ঋণের হার অত্যন্ত কম রাখতে সক্ষম হয়েছে।

বিশ্বে সবচেয়ে কম খেলাপি ঋণের হার তাইওয়ানে, মাত্র শূন্য দশমিক ১ শতাংশ। এরপর বেলজিয়াম, সুইডেন ও এস্তোনিয়ায় এ হার শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ করে। নরওয়েতে খেলাপি ঋণের হার শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ এবং কানাডায় শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ।

আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শক্তিশালী তদারকি, বিচক্ষণ ঋণমানদণ্ড এবং কার্যকর আইনি কাঠামো থাকলে খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব—এসব দেশের অভিজ্ঞতা অন্তত সেটিই ইঙ্গিত করে।

কাঠামোগত সংস্কারের আহ্বান বিশেষজ্ঞদের

এনআরবিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মো. তৌহিদুল আলম খান টিবিএসকে বলেন, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মতো আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা ধারাবাহিকভাবে মূলধন সুরক্ষিত রেখে তাদের ব্যাংক খাতকে শক্তিশালী করেছে।

তিনি বলেন, "এর সম্পূর্ণ বিপরীতে বাংলাদেশে বড় ধরনের বিচ্যুতি দেখা যাচ্ছে, প্রতিবেশী অর্থনীতিগুলো কঠোর সামষ্টিক বিচক্ষণতামূলক শৃঙ্খলার মাধ্যমে তাদের ব্যাংক খাতকে সুরক্ষা দিয়েছে; আর আমাদের ব্যাংক খাত বারবার করপোরেট ও ঋণজনিত ধাক্কার চাপ বহন করে চলেছে।"

"ঋণাত্মক সিআরএআর স্পষ্টভাবে দেখায়, নিয়ন্ত্রণহীন খেলাপি ঋণ এবং ধারাবাহিক প্রভিশন ঘাটতি পুরো ব্যাংক খাতের মূলধন ভিত্তি ক্ষয় করেছে। এ অবস্থায় সাময়িক ছাড় নয়, অবিলম্বে কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন," যোগ করেন তিনি।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) মহাপরিচালক মো. এজাজুল ইসলাম টিবিএসকে বলেন, "২০২৫ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণের প্রকৃত চিত্র প্রকাশ করা শুরু করেছে। ঋণ শ্রেণীকরণের ক্ষেত্রে বকেয়া থাকার সময়সীমা ছয় মাস থেকে কমিয়ে তিন মাস করায় খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে।

"এ ছাড়া ২০২৫ সালের শেষ দিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চালু করা পুনঃতফসিল সুবিধাও অনেক প্রতিষ্ঠান গ্রহণ করেছে," বলেন তিনি।

১৮ মাসের কর্মপরিকল্পনা

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের মুদ্রানীতি ঘোষণার সময় গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান ১৮ মাসের একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করেন।

এ কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো বিদ্যমান নিয়মভিত্তিক প্রভিশনিং ব্যবস্থা থেকে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিবেদন মানদণ্ডের আওতায় এক্সপেক্টেড ক্রেডিট লস বা সম্ভাব্য ঋণ ক্ষতি কাঠামোয় রূপান্তর। ২০২৭ সাল থেকে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

এক্সপেক্টেড ক্রেডিট লস হলো সম্ভাব্য ঋণ ক্ষতি আগাম হিসাব করার একটি উন্নত পদ্ধতি। প্রচলিত ইনকার্ড লস মডেলে ক্ষতি কেবল সংঘটিত হওয়ার পরই হিসাব করা হয়।

সংস্কারের পরবর্তী ধাপ হিসেবে সরকার ছয় মাসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে নতুন ঋণ আদালত আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা করছে। পাশাপাশি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি গঠনের লক্ষ্যে ডিস্ট্রেসড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট বা দুর্দশাগ্রস্ত সম্পদ ব্যবস্থাপনা আইন প্রণয়নের প্রস্তুতিও চলছে।

গভর্নর বলেন, "শেষ পর্যন্ত ব্যাংকগুলোকে তাদের ব্যালান্স শিটে ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ ধরে রাখার পরিবর্তে এর একটি অংশ অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির কাছে হস্তান্তর করতে হবে।"

তিনি বলেন, এ উদ্যোগ বারবার ঋণ পুনঃতফসিলের প্রবণতা ঠেকাতে সহায়তা করবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়