শিরোনাম
◈ চীনের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনতে বাংলাদেশের অগ্রগতি, প্রস্তুত খসড়া চুক্তি ◈ একরামুল হত্যা: শেখ হাসিনাসহ ৭ জনকে আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ ◈ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন: আইনমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ ব্রাজিল ম্যাচের জন্য টাকা খরচ করতে চায় না সরকার: আমিনুল হক (ভিডিও) ◈ হামের উপসর্গে একদিনে আরও ৫ মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৯৪৩ ◈ কাউকে বন্ধ বা থামিয়ে রাখার মানসিকতা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী ◈ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ৩ বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ ◈ পাথরঘাটায় ট্রলারডুবি: ২২ ঘণ্টা পর ৫ জেলের লাশ উদ্ধার ◈ চার বছর পর গম-আটা-ময়দা রপ্তানিতে ভারতের সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বাংলাদেশে বাড়তে পারে আমদানির সুযোগ ◈ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

প্রকাশিত : ০৮ জুলাই, ২০২৬, ০৮:৪৩ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দুর্ঘটনা নাকি চুরির সময় বিস্ফোরণ? অগ্নিদগ্ধ সৌদিপ্রবাসী মীর ইব্রাহিমের ঘটনা ঘিরে নতুন প্রশ্ন, সামনে এলো ভিন্ন দাবি

সৌদিপ্রবাসী মীর ইব্রাহিম। ছবি: সংগৃহীত

সৌদিপ্রবাসী মীর ইব্রাহিমকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অগ্নিদগ্ধ অবস্থার ছবি ও ভিডিও প্রকাশের পর বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের মাধ্যমে তার চিকিৎসার জন্য অনুদান সংগ্রহ করা হয়। তবে সম্প্রতি তার দুর্ঘটনার কারণ, সৌদি আরবে তার অতীত এবং অনুদানের অর্থ ব্যবহারের বিষয় নিয়ে নানা অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগ সামনে এসেছে। সূত্র: নাগরিক প্রতিদিন

মীর ইব্রাহিম দাবি করেন, তিনি সৌদি আরবে একজন ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কর্মস্থলে বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনি গুরুতর দগ্ধ হন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বড় অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন হয়।

অন্যদিকে, সৌদি আরবের দাম্মামে অবস্থানরত কয়েকজন বাংলাদেশি প্রবাসী ভিন্ন দাবি করেছেন। তাদের অভিযোগ, ইব্রাহিম কর্মস্থলে দুর্ঘটনার শিকার হননি; বরং একটি বন্ধ কারখানায় তামার বৈদ্যুতিক কেবল চুরির সময় রাসায়নিক বিস্ফোরণে দগ্ধ হন। তারা আরও দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে সৌদি আরবে চুরি ও সরকারি সম্পত্তি ক্ষতির অভিযোগে মামলা হয়েছে।

এদিকে, বাংলাদেশে ফিরে চিকিৎসা সহায়তার জন্য বিভিন্ন মহলে আবেদন জানান মীর ইব্রাহিম। মানবিক সংগঠন মাসতুল ফাউন্ডেশন জানায়, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ইব্রাহিমের সঙ্গে যোগাযোগের পর মানবিক বিবেচনায় তারা অনুদান সংগ্রহে সহায়তা করে। সংগঠনটির দাবি, মাত্র দুদিনের মধ্যে প্রায় ১০ লাখ টাকা সংগ্রহ করে তা ইব্রাহিমের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তবে অর্থ গ্রহণের পর ইব্রাহিম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংগঠনটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন বক্তব্য দিতে শুরু করেন। এতে তারা বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

অন্যদিকে, এসব বিষয়ে জানতে চাইলে মীর ইব্রাহিম সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত চুরির অভিযোগ ভিত্তিহীন। তবে নিজের দাবির পক্ষে চিকিৎসাসংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ নথিপত্র বা দুর্ঘটনার আনুষ্ঠানিক প্রমাণ তিনি দেখাতে পারেননি। ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

  • সর্বশেষ