শিরোনাম
◈ মগবাজার পেয়ারাবাগে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও চার লেন রেলপথের কাজ চলতে বাধা নেই ◈ মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস ◈ ইসরায়েলে ইনটেলের সেমিকন্ডাক্টর কারখানায় বিস্ফোরণ, ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ◈ স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে যা জানাগেল ◈ কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব, সেক্রেটারির গাড়ি ভাঙচুর-হামলা ◈ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দুদিন ঘরবাড়ি পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ইতালি, বাংলাদেশে গড়তে চায় এমআরও হাব ◈ রাশিয়ার পর বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের নজর ◈ বুক কাঁপছে আতঙ্কে, তবু থামছে না জীবিকার লড়াই : জীবিকার টানে সৌদি ফিরছেন প্রবাসীরা ◈ রাত গভীর হলেই বাড়ে বিদ্যুতের চাহিদা, ৩ হাজার মেগাওয়াট যাচ্ছে কোথায়?

প্রকাশিত : ০৮ জুলাই, ২০২৬, ০৯:১৫ রাত
আপডেট : ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‎তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ

‎​‎জিন্নাতুল ইসলাম জিন্না, লালমনিরহাট প্রতিনিধি : ‎উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির প্রভাবে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ শুরু করেছে। তবে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায় নাই।

বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার মাত্র ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে (স্বাভাবিক ৫২.১৫ সেঃমিঃ)। পানি বৃদ্ধির ফলে নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্যমতে, উজানের ঢল ও বৃষ্টির কারণে নদ-নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে এবং স্বল্পমেয়াদী বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

নদীর পানি বাড়তে থাকায় চরাঞ্চল ও তীরবর্তী নিচু এলাকায় পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছি ইউনিয়নের কৃষক আব্দর রউফ বলেন, সকাল থেকেই পানি বাড়ছে। এভাবে বাড়তে থাকলে চরাঞ্চলের আবাদি ফসল ও বসতবাড়ি তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।

Advertisement

‎​আদিতমারীর গোবর্ধন এলাকার বাসিন্দা আসাদুজ্জামান জানান, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও নদীর পানির চাপে নদীতীরবর্তী মানুষ নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। পানি বাড়লে তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে হবে।

‎সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার বলেন, উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টির প্রভাবে তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছি এবং সম্ভাব্য বন্যা মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি।

এদিকে, পানির চাপ সামলাতে ও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে তিস্তা ব্যারাজের সবকটি (৪৪টি) জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

  • সর্বশেষ