২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট উত্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকাল ৩টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে বাজেট উপস্থাপন শুরু হয়।
বাজেট অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবীক্রম)। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট।
পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে বাজেট অধিবেশন শুরু হয়। এরপর স্পিকার অর্থমন্ত্রীকে বাজেট উত্থাপন করার জন্য আহ্বান জানান।
বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। সঞ্চয়পত্র, ডিপিএস, জীবন বীমার প্রিমিয়ামসহ বর্তমানে ৯টি খাতে বিনিয়োগ করলে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতারা বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত পেয়ে থাকেন।
মোট আয়ের দশমিক ০৩ শতাংশ; মোট অনুমোদনযোগ্য বিনিয়োগের ১৫ শতাংশ কিংবা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা- এ তিনটির মধ্যে যেটি কম, সেটি রেয়াত হিসেবে চূড়ান্ত কর থেকে বাদ দেওয়া হয়। আগামী বছর অনুমোদিত বিনিয়োগ সীমা ১৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ সীমা ১০ লাখ টাকা থেকে কমিয়ে সাড়ে ৭ লাখ টাকা করা হয়েছে। হিসেব মতে, প্রতি এক লাখ টাকা বিনিয়োগের বিপরীতে ৫ হাজার টাকা কম ছাড় পাবেন করদাতা।