শিরোনাম
◈ খুচরা বিক্রেতাদের সার বিক্রি অব্যাহত রাখতে নির্দেশ সরকারের ◈ আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), দেশজুড়ে নানা আয়োজন ◈ মিয়ানমারে সহিংসতা-নির্যাতনে বিপর্যস্ত মানুষ, রোহিঙ্গাদের অবস্থা আরও ভয়াবহ: জাতিসংঘ ◈ ‘উপহার’ হিসেবে বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মী নেবে মালয়েশিয়া: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ◈ রংপুরে চার হত্যা: ‘ধর্ষণের আলামত’ নিয়ে ডোম-চিকিৎসকের বক্তব্যে ভিন্নতা ◈ বিড়ালের আঁচড়ের পর শিশুর ‘মিউ মিউ’ শব্দ, জানুন আসল ঘটনা ◈ মহানবীর আদর্শ অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি ◈ জামায়াতের মতাদর্শের বিষয়ে সতর্ক করলেন কওমি আলেমরা ◈ বিদিশা এরশাদ গ্রেপ্তার: প্রতারণা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত, গুলশান থেকে আটক ◈ কারখানা থেকে ক্লাসরুম, রোবট বিপ্লবে বদলে যাচ্ছে চীন

প্রকাশিত : ০৬ অক্টোবর, ২০২৫, ০৬:৪৪ বিকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডলার বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৮ ব্যাংক থেকে ১০৪ মিলিয়ন ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের প্রবাহকে সহায়তা দিতে ব্যাংকগুলো থেকে অতিরিক্ত ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ সোমবার (৬ অক্টোবর) ৮টি ব্যাংক থেকে মোট ১০ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার (১০৪ মিলিয়ন ডলার) কেনা হয়েছে।

এদিন প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২১ টাকা ৭৮ পয়সা থেকে ১২১ টাকা ৮০ পয়সা। মাল্টিপল প্রাইস নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে এসব ডলার কেনাবেচা সম্পন্ন হয়েছে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ পর্যন্ত নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক মোট ১৯৮১ মিলিয়ন (প্রায় দুই বিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১৩ জুলাই থেকে নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু করে। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এখন পর্যন্ত এই বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, আজ মাল্টিপল প্রাইস অকশনের মাধ্যমে ৮ ব্যাংক থেকে ১০৪ মিলিয়ন বা ১০ কোটি ৪০ লাখ ডলার কেনা হয়েছে। এ সময় প্রতি ডলারের দর নির্ধারণ হয় ১২১ টাকা ৭৮ পয়সা থেকে ১২১ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে। এ নিয়ে চলতি অর্থবছরের এ পর্যন্ত নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক মোট ১৯৮ কোটি ১০ লাখ ডলার কিনেছে।

বেসরকারি একটি ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর বলেন, শক্তিশালী রেমিট্যান্সপ্রবাহ ও রপ্তানি আয়ের কারণে ব্যাংকগুলো দীর্ঘদিনের আমদানি দায়, বিশেষ করে জ্বালানি আমদানির বিল পরিশোধ করতে পেরেছে। এসব দায় শোধ হয়ে যাওয়া এবং আমদানি চাপ কমে আসায় বর্তমানে বাজারে ডলারের সরবরাহ চাহিদার তুলনায় বেশি। ফলে বিনিময় হার ক্রমেই নিচের দিকে নেমে আসছে।

 

  • সর্বশেষ