শিরোনাম
◈ নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি ◈ উপহার পাঠিয়ে খোঁজ নিলেন রুমিন ফারহানা, যা বললেন হাসনাত ◈ গাজার আকাশে ড্রোনের ভোঁ ভোঁ শব্দকে গান বানালেন সংগীতশিক্ষক, দুঃসহ যন্ত্রণাকে রূপ দিলেন প্রতিবাদের ভাষায় (ভিডিও) ◈ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি থেকে হঠাৎ আক্রমণাত্মক ছাত্রদল, রাকসু কার্যালয়ে ভাঙচুর, ফটকে তালা ◈ যে যে আয়ের কর দিতে হবে সরকারি–বেসরকারি চাকরিজীবীদের, দেখুন তালিকা ◈ ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন, ২২ বছর লালন পালন করা দুই ছেলের কেউই তাঁর সন্তান নয়! ◈ মোবাইল ইন্টারনেটের গতি নিয়ে যে সুখবর দিল বিটিআরসি! কার্যকর হবে সেপ্টেম্বর থেকে ◈ ত্রিদেশীয় সি‌রি‌জে আরব আ‌মিরাত‌কে হারা‌লো পাকিস্তান ◈ নুরের সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালেন ঢামেক পরিচালক ◈ যুক্তরাষ্ট্রে পোশাকে ট্রাম্পের শুল্ক আঘাত, বিপাকে পশ্চিমবঙ্গের ১৫ হাজার গার্মেন্টস, আছে বাংলাদেশ ফ্যাক্টরও

প্রকাশিত : ১৪ জুলাই, ২০২৫, ০৮:১১ রাত
আপডেট : ২৬ আগস্ট, ২০২৫, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : মনজুর এ আজিজ

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে বিনিয়োগে আগ্রহী কোরিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক : দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে আরও বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। সোমবার (১৪ জুলাই) ঢাকার উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং-সিক বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আগ্রহের কথাজানান তিনি। 

বৈঠকে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার ম্যান-মেইড ফাইবার, টেক্সটাইল যন্ত্রপাতি, কেমিক্যাল ডাইস ও অন্যান্য কাঁচামালের জন্য বাংলাদেশ একটি প্রতিশ্রুতিশীল বাজার। অন্যদিকে কোরিয়া বাংলাদেশের জন্য একটি সম্ভাবনাময় পোশাক রফতানি গন্তব্য।

তিনি বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়ার কারিগরি ও প্রশিক্ষণমূলক সহায়তার কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন এবং কোরিয়ায় রপ্তানি বাড়ানো ও বাংলাদেশে বস্ত্র খাতে কোরিয়ান বিনিয়োগ উৎসাহিত করার বিষয়ে রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা কামনা করেন।

বিজিএমইএ নেতারা বলেন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে উভয় দেশের বাজারসংক্রান্ত জ্ঞান বিনিময় এবং উদ্যোক্তাদের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ তৈরি করা জরুরি।

রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং-সিক বলেন, বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে ইপিজেড আইন, ২০১৯-কে শ্রম আইন ২০০৬-এর সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করা প্রয়োজন। তিনি শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরকে আরও কার্যকর করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

উভয় পক্ষ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এবং অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষরের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা করেন। তারা মত প্রকাশ করেন, এসব চুক্তি হলে উভয় দেশই বাণিজ্য ও বিনিয়োগে উপকৃত হবে।
সাক্ষাৎকালে বিজিএমইএ সহ-সভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী, পরিচালক ফয়সাল সামাদ ও সদস্য ইসরাফিল আতিক উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন কোরিয়ান দূতাবাসের কনসাল কিম জিয়ং কি এবং হাইসাং টিএনসি করপোরেশনের কান্ট্রি হেড নোহ চি উত্ত।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়