শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৬ মে, ২০২৩, ১১:২৮ দুপুর
আপডেট : ২৬ মে, ২০২৩, ১১:৪৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ছেলেকে সৎ প্রমাণ করতেই ভোটে এসেছি: জায়েদা খাতুন

জায়েদা খাতুন

হ্যাপী আক্তার: সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের মা জায়েদা খাতুন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। তিনি দাবি করেন, ছেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালানো হয়েছে। এসময় তিনি ছেলেকে সৎ ও গাজীপুরের মানুষের ভালোবাসা প্রমাণ করতেই ভোটে এসেছেন।  ইত্তেফাক

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত (২৬ মে) সাড়ে ৩টার দিকে নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এই নির্বাচনের জয় তিনি গাজীপুরবাসী ও প্রধানমন্ত্রীকে উৎসর্গ করেন। ভোট সুষ্ঠু হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও গাজীপুরবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। 

নতুন এই নগর মাতা বলেন, গাজীপুরবাসীর কাছে অনেক ঋণ। সবার ঋণ শোধ করতে চাই কাজ করে। ছেলেকে পাশে নিয়ে কাজ করবো। আমার ছেলের বাকি কাজ শেষ করবো।
 
ছেলে জাহাঙ্গীর আলম মিথ্যা রাজনীতির শিকার হয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, সবার ভালোবাসায় আমার ছেলে যে ঠিক ছিল তা প্রমাণ হয়েছে। তবে গাজীপুর সিটিকে সুন্দর করে গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা চান জায়েদা খাতুন। তিনি বলেন, আমি সবাইকে পাশে চাই। আজমত উল্লাকেও শহরের উন্নয়নে পাশে চাই। যে গাজীপুরের মানুষকে এতো ভালোবেসেছি, তারা আমাকে কী রকম ভালোবাসে? এই ভালোবাসাটা প্রমাণ করার জন্য এসেছি। এনটিভি

এ সময় তার ছেলে সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা ও নির্দেশনায় কাজ করবো। বড় ভাই আজমত উল্লা খানসহ রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত সবার পরামর্শে গাজীপুরকে গড়ে তুলবো। মায়ের কর্মচারী হিসেবে সব সময় তার পাশে থাকবো।’ 

জাহাঙ্গীর আরও বলেন, ‘বড় বড় মানুষ পাশে ছিলেন না। চরম অসহায় সময়ে এ শহরের খেটে খাওয়া ও সাধারণ মানুষ আমাদের পাশে ছিলেন। আমরাও নিজেদের সর্বোচ্চ দিয়ে তাদের পাশে থাকবো। সুন্দর একটা শহর গড়তে কাজ করবো।’ 

ঘোষিত ফলাফলে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত জায়েদা খাতুনের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুর সিটির সাবেক মেয়র। মনোনয়নপত্র দাখিল করার আগে জায়েদা খাতুনকে রাজনীতির মাঠে দেখা যায়নি। মূলত ছেলে জাহাঙ্গীর আলমের ইমেজকে ভিত্তি করেই তিনি রাজনীতিতে আসেন। জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। যদিও তিনি সিটি মেয়র হিসেবে পুরো মেয়াদকাল দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। সম্পাদনা: মাজহারুল ইসলাম

এইচএ/এমআই

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়