শিরোনাম
◈ ব্যবসায়ী থেকে তিন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী: কে এই শেখ রবিউল আলম? ◈ গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী ◈ সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি পদে আলোচনায় যেসব বিএনপি নেত্রী ◈ ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, জানা গেল কে কোন দায়িত্বে? ◈ ফুটবল বিশ্বকাপ দেখতে আবেদন পড়েছে ৫০ কো‌টি ৮০ লাখ ◈ শেখ হাসিনা কি নেতাকর্মী‌দের ৩২ নম্ব‌রে যাতায়ত ও আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার নির্দেশ দিয়েছেন?  ◈ দুই মাস পর ভারতীয় নাগরিকদের ভিসা দেওয়া শুরু করল বাংলাদেশ ◈ রমজানে নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে না, আশ্বাস দিলেন ধর্মমন্ত্রী ◈ এলডিসি উত্তরণ: তিন বছর স্থগিত চেয়ে জাতিসংঘে চিঠি দিলো বাংলাদেশ ◈ অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ের বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে এখনো বিতর্ক কেন?

প্রকাশিত : ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০১:২১ দুপুর
আপডেট : ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০১:২১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কয়রায় ৫৮ বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, পাঠদান ব্যাহত 

কয়রা ২। মদিনাবাদ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

জাহাঙ্গীর হোসেন, কয়রা (খুলনা): খুলনারর কয়রা উপজেলায় ৫৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম।প্রধান শিক্ষক না থাকায় এসব বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকেরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব ও পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।দীর্ঘদিন প্রধান শিক্ষক শূন্যতায় এসব বিদ্যালয়গুলো অনেকটাই অভিভাবকশূন্য হয়ে পড়েছে।ফলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। শিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিত করতে হলে অতি দ্রুত এ সকল বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদগুলো পূরণ করা দরকার বলে মনে করছেন শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দ।

জানা গেছে, এ শূন্যতার কারণে বিদ্যালয়গুলোতে কর্মরত সহকারী শিক্ষকদের উপর বাড়তি চাপ পড়ছে। তাদের অতিরিক্ত পাঠদানের পাশাপাশি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। প্রধান শিক্ষক শূন্যতার কারণে প্রশাসনিক কাজকর্মও ব্যাহত হচ্ছে।উপজেলায় ৭টি ইউনিয়নে ১৪২ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২২ হাজার মত শিক্ষার্থী রয়েছে।যার মধ্যে ৫৮ টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নেই।এসকল বিদ্যালয়ে সিনিয়র সহকারী শিক্ষক চলছি দায়িক্তে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িক্ত পালন করছেন।

প্রধান শিক্ষক শূন্যতার কারণে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগতমান ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের পাঠদানের পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজ, শ্রেণিকক্ষ পর্যবেক্ষণ, সভা-সেমিনারে অংশ নেওয়াসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে হয়। এতে শিশুদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা চালু রাখতে শিক্ষক সংকট নিরসনের বিকল্প নেই বলে মনে করছে সচেতন অভিভাবকবৃন্দ।

উপজেলার সদর ইউনিয়নে দক্ষিণ মদিনাবাদ মুসাফিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ধীরাজ মন্ডল বলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অবসরে যাওয়ার ফলে প্রধান শিক্ষকের পদটি শূন্য হয়।বর্তমানে আমি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িক্ত পালন করছি।পাঠদানের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দায়িক্ত দেখভাল করতে হয় তবে একটু কষ্ট হলেও পাঠদানে কোন সমস্যা হয় না।

উপজেলা প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি শহীদ সরোয়ার বলেন, ৫৮টি বিদ্যালয়ের মধ্যে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে জাতীয়করণ বিদ্যালয় আছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে জাতীয়করণে বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকদের পদগুলো গেজেটে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দেয়নি, যার ফলে ঐসকল বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকরা পদ ফিরে পাওয়ার জন্য মামলা করেছে, মামলা চলমান থাকায় প্রধান শিক্ষক পদটি ফাঁকা আছে। এছাড়া উপজেলায় কিছু শিক্ষক অবসরে যাওয়ায় প্রধান শিক্ষক পদটি ফাঁকা হয়ে গেছে।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান জানান, উপজেলায় ৫৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫৮ জন জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সহকারী শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িক্ত পালন করায় দাপ্তরিক কাজে কিছু সমস্যা থেকেই যায়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়