পৃথিবীর অন্যতম দীর্ঘ সমুদ্রসৈকতের হাওয়া গায়ে লাগিয়ে ছুটছেন কক্সবাজার থেকে টেকনাফের পথে। মেরিন ড্রাইভ ধরে কিছুদূর গেলেই মনে ভয় ধরে, এই বুঝি খপ্পরে পড়লাম ঘাপটি মেরে থাকা অপহরণকারীর! ডানে সৈকতের সৌন্দর্য, বাঁয়েই আতঙ্কের পাহাড় সারি।
এসব পাহাড়ের গহিনে ঘাঁটি গেড়েছে অপহরণকারীরা। এরা প্রথমে মানুষকে অপহরণ করে। পরে তাদের বিক্রি করে দেয় মানবপাচারকারী চক্রের কাছে।
কালের কণ্ঠের অনুসন্ধানে জানা গেছে, উখিয়া-টেকনাফের গহিন পাহাড়ে অন্তত পাঁচ থেকে ছয়টি ঘাঁটি রয়েছে।
এগুলো পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণে মিয়ানমারের আরাকান আর্মিতে প্রশিক্ষিত সন্ত্রাসীদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।
গত বৃহস্পতিবার টেকনাফের রঙ্গিখালী পাহাড়ে একটি ঘাঁটিতে অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। অভিযান চলাকালে সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রাণ হারান সৈনিক মো. তিতাস শেখ (২৭)। একটি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেন, অপহরণ ও মানবপাচারকারীচক্র ভারী অস্ত্র ব্যবহার করেছে।
বিভিন্ন আলামত দেখে মনে হয়েছে, এরা আরাকান আর্মিতে প্রশিক্ষিত।
ওই অভিযানে বন্দিশালা থেকে অপহৃত ৫৬ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে অন্তত ২০ জনের সঙ্গে কথা বলেছে কালের কণ্ঠ। তাঁদের দাবি, কাজের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে তাঁদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি রাখা হয়েছিল। আর ভয় দেখাতে সারাক্ষণ বিভিন্ন জনকে হত্যার ভিডিও ফুটেজ দেখাত সন্ত্রাসীরা।
তাঁরা দিন গুনছিলেন যেকোনো সময় হত্যার শিকার কিংবা মানবপাচারচক্রের কাছে বিক্রি হওয়ার।
কালের কণ্ঠের অনুসন্ধানে জানা গেছে, পাহাড়ে বন্দিশালাগুলো পাহারা এবং নিয়ন্ত্রণে শতাধিক সদস্য কাজ করছেন। এর মধ্যে ৯ জনের নাম জানা গেছে। তাঁরা হলেন—আলম, সানাউল্লাহ ওরফে সানা, কালা বাঁশি, শফি উল্লাহ, রবিউল্লাহ, সাদ্দাম, মুহাম্মদ শাহ, হারুন ও হামিদ।
উদ্ধার হওয়া ভুক্তভোগীদের কাছে ছবি দেখালে তাঁরা চক্রের অন্তত আটজনকে শনাক্ত করেন। পাশাপাশি রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে সরেজমিন ঘুরে বিভিন্ন সূত্রের সঙ্গে আলাপে এই চক্রটির বিষয়ে স্পর্শকাতর তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানিয়েছে, সানাউল্লাহ ওরফে সানা দীর্ঘদিন আরাকান আর্মিতে যুদ্ধ করেছেন। বছর দুয়েক আগে তিনি এপারে এসে আলমের সঙ্গে যোগ দেন। আলম আগে থেকেই অপহরণে জড়িত ছিলেন। তখন তিনি আলমকেও আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেন। একই সঙ্গে আরাকান আর্মিতে প্রশিক্ষিত ও সম্পৃক্ত থাকা একে একে শতাধিক সদস্যকে নিয়ে অপহরণচক্র গড়ে তোলেন।
জানতে চাইলে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. কাওসার সিকদার কালের কণ্ঠকে বলেন, মাঝে মধ্যে উখিয়া-টেকনাফ থেকে অনেক তরুণ-যুবক, বিশেষ করে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে গিয়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগ দেয়। সেখানে হাতে-কলমে অস্ত্র চালানো রপ্ত করে পালিয়ে এপারে এসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঢুকে বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হয়।
বন্দিশালায় উদ্ধার অনেকের দাবি, শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিদের কেউ কেউ অস্ত্র হাতে পাহারা দিতেন। অপহৃত ব্যক্তিদের নির্যাতন ও ভয়ভীতি দেখানো হতো, যাতে তাঁরা পালিয়ে যেতে না পারেন। যৌথ বাহিনীর অভিযানের সময় কয়েকজনকে গুলি চালাতেও দেখেছেন তাঁরা।
ভুক্তভোগী মুহাম্মদ উল্লাহ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমি খুব কাছ থেকে কালা বাঁশি ও সানাউল্লাহকে গুলি করতে দেখেছি। সানার কাছে ভারী অস্ত্র ছিল। তিনি অস্ত্র দেখিয়ে আমাদের সব সময় ভয় দেখাতেন। বন্দিশালায় তিনি বলতেন, আগে আরাকান আর্মির সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন।’
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার ভাষ্য, অস্ত্রধারীদের মধ্যে কালা বাঁশি নামে পরিচিত একজন অস্ত্র চালনায় দক্ষ। স্থানীয়ভাবে তাঁকে ‘মগ বাগি’ বলে ডাকা হয়। তাঁদের দাবি, এই ব্যক্তি আগে আরাকান আর্মির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
বন্দিশালায় আটকে রাখা ব্যক্তিদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করতে দেখানো হতো বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের ভিডিও। উদ্ধার হওয়া সাইফুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘তাঁরা আমাদের বিভিন্ন ভিডিও দেখাতেন। মানুষকে গুলি করে হত্যা করছেন—এসব ছবি দেখিয়ে ভয় দেখাতেন। আলম এলে সব সন্ত্রাসী দাঁড়িয়ে যেতেন। তখন আলম বলতেন, পাখির মতো গুলি করে শিকার করব। কেউ পালানোর চেষ্টা করবে না।’
তিনি বলেন, বন্দিদের মনে এমন আতঙ্ক তৈরি করা হতো, যাতে কেউ পালানোর চেষ্টা না করেন। অস্ত্রধারীদের নির্দেশ অমান্য করলে হত্যার হুমকি দেওয়া হতো।
আরেক ভুক্তভোগী ফরিদ আলম বলেন, ‘আমাদের লোহার রড দিয়ে প্রতিদিন নির্যাতন করা হতো। পানি চাইলে পর্যন্ত মারধর করতেন। তাঁরা বলতেন, আমরা মানুষ শিকার করি। এখানে কেউ একটু শব্দ করলে গুলি করে দেব। আমরা খুব কান্নাকাটি করতাম। যৌথ অভিযান না হলে হয়তো আমাদের একজন একজন করে শিকার করে ফেলতেন।’
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বন্দিশালায় নির্যাতনের পাশাপাশি পরিবারের কাছ থেকে টাকা আদায়ের জন্য ভয়ভীতি দেখানো হতো। কেউ প্রতিবাদ করলে তাঁকে অন্যদের সামনে মারধর করা হতো।
বন্দিশালায় শুরু মানুষ কেনাবেচা
অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য মতে, এসব বন্দিশালা থেকেই মূলত মানুষ কেনাবেচা শুরু হতো। একটি মাথার দাম উঠত এক থেকে দেড় লাখ টাকা। তারপর তাঁদের সাগরে ভাসিয়ে মালয়েশিয়ায় পাচারের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এই কেনাবেচায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে আগে গ্রেপ্তার হওয়া মানবপাচারচক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধেও।
অন্যদিকে, পাহাড়ের অপহরণচক্রের সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানবপাচারকারীদের যোগাযোগের অভিযোগও পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্র ও মানবপাচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তির ভাষ্য, পাহাড়ে আটকে রাখা মানুষকে পরে অন্য দালালদের কাছে বিক্রি করা হয়। এই নেটওয়ার্কে ছৈয়দুল হক নামে আগে গ্রেপ্তার হওয়া এক ব্যক্তির নতুন করে সক্রিয় হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
টেকনাফের পাহাড়ে সক্রিয় অপহরণচক্রের সঙ্গে সাগরপথে মানবপাচারে জড়িত দালালদের যোগাযোগের অভিযোগও পাওয়া গেছে। বিশেষ করে আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবির ঘটনায় আলোচনায় আসা ছৈয়দুল হকের নাম আবারও উঠে এসেছে।
অনুসন্ধান ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, পাহাড়ে সক্রিয় সশস্ত্র চক্রগুলো অপহৃত মানুষকে বন্দিশালায় আটকে রাখে। পরে দালালদের সঙ্গে দর-কষাকষির মাধ্যমে তাঁদের হস্তান্তর করা হয়। এভাবে একজন মানুষকে একাধিক হাত ঘুরিয়ে সাগরপথে পাচারের প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
কালের কণ্ঠ কৌশলে কথা বলে বাহারছড়ায় মানবপাচারের দালাল হিসেবে পরিচিত ছৈয়দ হোছাইনের সঙ্গে। তিনি অকপটে বলেন, ‘পঙ্গু ছৈয়দুল হক কারাগার থেকে বেরিয়ে আবারও আলম বাহিনীর কাছ থেকে মানুষ কেনা শুরু করেছেন। একজন মানুষ দেড় লাখ টাকা করে আলম বাহিনীর কাছ থেকে কেনেন তিনি।’
ছৈয়দ হোছাইনের ভাষ্য, আলম বাহিনীর কাছ থেকে মানুষ কিনে অন্য দালালদের কাছেও বিক্রি করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে একজনের জন্য এক লাখ টাকা লেনদেন হয়।
অনুসন্ধানে আগেও ছৈয়দুল হকের নামটি উঠে আসে। গত ৭ মে ‘মাছ শিকারিরাই মানুষ শিকারে’ শিরোনামে কালের কণ্ঠে প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে মানবপাচারের অভিযোগ তুলে ধরা হয়।
এরপর গত ৭ জুন বিকেলে কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের কমুনিয়া এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করে। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি আবারও মানবপাচারে সক্রিয় হন।
মেরিন ড্রাইভ ধরে যেতে ভয়
গত ২৪ অক্টোবর দুপুরে মেরিন ড্রাইভ ধরে টেকনাফের দিকে যাচ্ছিলাম আমরা। ইনানীর কাঁকড়াবিচ পার হয়ে একটু এগোতেই সৈকতের নয়নাভিরাম দৃশ্য। গাড়ি থেকে নামতে চাইলে বাদ সাধেন প্রাইভেট কারের চালক মো. জসিম। তাঁর ভাষ্য, জায়গাটি নিরাপদ নয়।
এরপর খোঁজ নিতে গিয়ে জানা গেল, বাহারছড়া থেকে শুরু করে নোয়াখালীপাড়া পর্যন্ত অন্তত ২০ কিলোমিটার জায়গায় ঘাপটি মেরে থাকেন অপহরণচক্রের সদস্যরা। বিভিন্ন সময় তাঁদের হাতে পর্যটক অপহরণের ঘটনা ঘটে। এ কারণে স্থানীয় সচেতন চালকরা পর্যটকদের এসব স্থানে নামতে নিষেধ করেন।
কক্সবাজারের কলাতলী থেকে টেকনাফ জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় ৮০ কিলোমিটার মেরিন ড্রাইভে একটু পরপরই বিজিবির চেকপোস্ট রয়েছে। এর পরও এই পথে এত ভয় কেন?
অনুসন্ধানে জানা যায়, টেকনাফের বিভিন্ন পাহাড়ে ছড়িয়ে রয়েছে অপহরণ ও মানবপাচারকারীদের একাধিক সশস্ত্র চক্রের নেটওয়ার্ক। দুর্গম পাহাড়, গোপন পথ, স্থানীয় দালাল এবং সাগরপথে ট্রলার ব্যবহারের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে তাদের কার্যক্রম।
টেকনাফের লেদা বক্কর মেম্বার সড়ক থেকে কিছুটা দূরে আনসার ক্যাম্প, এরপর বিজিবি ক্যাম্প। এসব এলাকার আশপাশের পথ ব্যবহার করে অপহৃত ব্যক্তিদের দুর্গম পাহাড়ে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গেছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দায়িত্ব পালনরত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর নজর এড়িয়ে বিভিন্ন পথ ব্যবহার করে তাঁদের পাহাড়ের আস্তানায় পৌঁছে দেওয়া হয়।
হ্নীলা ইউনিয়নের উনচিপ্রাংয়ের জুম পাহাড়, মিজ্জির পাহাড়সহ বিভিন্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান নেয় সশস্ত্র চক্রগুলো। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব পাহাড়কে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে ব্যবহার করে অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় ও মানবপাচারের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
পাহাড়ে আতঙ্কে বাসিন্দারা
সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের দৌরাত্ম্যে আতঙ্কিত পাহাড়সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ে অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় ও গুলির ঘটনা ঘটলেও সশস্ত্র চক্রগুলোর তৎপরতা পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না। একটি আস্তানায় অভিযান চালানোর পাশাপাশি অপরাধীদের অস্ত্রের উৎস, অর্থের জোগান, দালালদের যোগাযোগ এবং সাগরপথে পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শণাক্ত করা প্রয়োজন।
হ্নীলার স্থানীয় বাসিন্দা নূর আলম বলেন, ‘পাহাড়ে সাঁড়াশি অভিযান প্রয়োজন। তা না হলে মানবপাচারকারীদের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ভাঙা সম্ভব হবে না। প্রতিদিনই পাহাড়ে গুলির শব্দ শোনা যায়। সশস্ত্র পাচারকারীদের কারণে পুরো এলাকা অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। বাহারছড়া, হ্নীলা ও হোয়াইক্যংয়ের পাহাড়ে অস্ত্রধারীদের আস্তানা গড়ে উঠেছে। এসব আস্তানা নির্মূলে একযোগে সাঁড়াশি অভিযানের বিকল্প নেই।
টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী বলেন, পাহাড়কেন্দ্রিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে শীত মৌসুমে মানবপাচারকারীদের আনাগোনা চোখে পড়ার মতো। এখানে সাধারণ মানুষ অপরাধীদের কাছে অনেকটা অসহায়। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে পাহাড়ে সাঁড়াশি অভিযান অত্যন্ত জরুরি।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম অনীক চৌধুরী বলেন, পাহাড়ে অবস্থানরত সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের গ্রেপ্তারে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী কাজ করছে। অপরাধ করে কেউ পার পাওয়ার সুযোগ নেই। মানববন্ধনের বিষয়েও প্রশাসন খোঁজখবর রাখছে।
এদিকে বন্দিশালায় যৌথ বাহিনীর অভিযানের পর লেদা-রঙ্গিখালীর দুর্গম পাহাড়ে তিনটি মরদেহ পড়ে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়ে। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে আবারও অভিযান শুরু হয়। সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের দেড় শতাধিক সদস্য এতে অংশ নেন।
প্রায় চার ঘণ্টা ধরে পাহাড়ের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালানো হলেও কোনো মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান শেষ করে ফিরে আসে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে দুর্গম পাহাড়ের ভেতরে গিয়ে তল্লাশি চালানো হয়েছে। কিন্তু সেখানে কোনো মরদেহের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
সূত্র ; কালের কণ্ঠ