শিরোনাম
◈ দুর্গাপূজায় রাত ১০টা পর্যন্ত শপিংমল-দোকান খোলা রাখা যাবে ◈ ৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ◈ ৬ দিন বন্ধ থাকছে একাধিক ব্যাংকের অনলাইন-এটিএম-কার্ডসহ নানা সেবা ◈ বিমানবন্দরে লাগেজ হ্যান্ডলিং লাইভ সিসিটিভিতে দেখানোর দাবিতে আইনি নোটিশ ◈ দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি, আগের শনিবার খোলা থাকবে অফিস ◈ খাদ্য নিরাপত্তায় বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৩০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি ◈ নির্মাণকাজে সংকুচিত হচ্ছে চুনতি অভয়ারণ্যের হাতির চলার পথ, বাড়ছে ট্রেন সংঘর্ষের ঝুঁকি ◈ এক কূপে মিলল গ্যাস, এবার যমুনার ওপারেও অনুসন্ধানের ভাবনা ◈ আ‌র্জেন্টিনার জা‌র্সিতে বুধবার ভোর ৫টায় মেসির বিদায়ী ম্যাচ  ◈ ভারতের দিল্লিতে নারী বিক্ষোভকারীদের 'হেনস্থা', 'দ্বিতীয় যন্তর মন্তরের' ডাক ককরোচ জনতা পার্টির

প্রকাশিত : ০৪ অক্টোবর, ২০২৬, ০৮:৫৩ রাত
আপডেট : ০৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মিয়ানমারে সার পাচার , কৃষকরা পাচ্ছে না সার

সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার : সাগর ও সড়ক পথে অব্যাহতভাবে মিয়ানমারের সারপ্রাচারের কারণে কক্সবাজার অঞ্চলে সারের সংকট দেখা দিয়েছে। অতিরিক্ত মূল্য দেওয়ার পরেও সার না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন কৃষকরা। তবে কৃষি বিভাগ বলছে এই সংকট দ্রুত কেটে যাবে। বিজিবি ও কোস্ট গার্ড সদস্যরা প্রতিদিনই সার সহ পাচারকারীকে আটক করছে।

সম্প্রতি কক্সবাজারের উখিয়াতে সার না পাওয়ার কারণে কৃষকরা স্টার ডিলারদের দোকানের সামনে জড়ো হয়ে এর প্রতিবাদ জানায়। উখিয়ার জালিয়া পালং ইউনিয়নের সোনার পাড়া এলাকার কৃষক জাহাঙ্গীর আলম ও আব্দুল আজিজ বলেন, আমাদের তিন বস্তা সার প্রয়োজন হলেও আমাদেরকে দেওয়া হচ্ছে মাত্র ১০ কেজি করে সার। ধান রোপন করে এখন বেকায়দায় পড়ে গেলাম আমরা। চকরিয়ার কাকারা এলাকার কৃষক জাহিদুল ইসলাম জানান, টাকা দিয়েও আমরা সার পাচ্ছিনা। সব স্যার নাকি উখিয়া টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারে চলে যাচ্ছে।

কক্সবাজার নাগরিক ফোরামের সভাপতি আ,না.ম হেলাল উদ্দিন বলেন, মিয়ানমারের সার পাচার প্রতিরোধ করতে হবে যে কোনভাবেই। শুধু প্রশাসন দিয়ে হবে না। এ ব্যাপারে স্থানীয় জনকন কে ও সচেতন হতে হবে। মিয়ানমার আমাদের সার নিয়ে অনেক কিছু করছে। সরকারকে যেকোনো মূল্যের সার পাচার বন্ধ করতে হবে।

কক্সবাজার জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক ড.বিমল কুমার প্রামানিক জানান , চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের সেপ্টেম্বর মাসে জেলায় বোরো মওসুমে ৪ হাজার ৭৫ মেট্রিকটন সারের চাহিদার বিপরীতে সমসংখ্যক সার বরাদ্দ দেয়া হয়। শুধুমাত্র চলতি মৌসুমে অর্থাৎ অক্টোবর মাসে জেলায় ইউরিয়া সারের বরাদ্দ হয় ২ হাজার ৩৪৩ মেট্রিক টন। টিএসপির বরাদ্দ ৪৭৫ টন। ডিএপি সারের বরাদ্দ হয় ৮৮৯ টন। এছাড়া এমওপি সারের বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৩৬৮ টন। গতকাল পর্যন্ত গুদামে উক্ত চার প্রকার সারের মজুদ রয়েছে ১৭৮৭ টন।  

advertisement

কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, কয়েকদিন পরপরই সারসহ পাচারকারীদের আটক করছে কোস্টগার্ড। গত মাসে ও তিনটি বড় ধরনের চালান আটক করে কোস্টগার্ড। 

বিজিবির কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী সামশের উদ্দীন ,বলেন, সারপাচার প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিজিবির সদস্যরা। মাঝেমধ্যে সারসহ পাচারকারীদের আমরা গ্রেপ্তার করছি।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল মান্নান বলেন, স্থানীয় কৃষকরা যাতে পর্যাপ্ত সার পেতে পারে এবং চলতি মৌসুমে যাতে কোন ব্যাঘাত না ঘটে সেজন্য আমরা একাধিক বার মিটিং করেছি। সার প্রাপ্তিতে সরকারের নানা পদক্ষেপ রয়েছে। বর্তমান সরকার বলছে কৃষকরা যাতে পর্যাপ্ত সার পায় এবং উৎপাদন ভালো হয়। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করছি। সার পাচার প্রতিরোধের বিষয়টি মনিটরিং করা হচ্ছে নিয়মিত।

  • সর্বশেষ