মোস্তাক আহমেদ মনির, সরিষাবাড়ী (জামালপুর) : জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বাসা-বাড়ীতে ও সরিষাবাড়ী-ভূয়াপুর প্রধান সড়কে জমে আছে দূষিত পানি। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের তারাকান্দি তিতাশ মোড়ে এমন চিত্র দেখা যায়। এছাড়াও সড়কের আশেপাশে থাকা বাড়ী গুলোতেও ঢুকছে এই বিশাক্ত পানি। ফলে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে স্থানীয়রা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সরিষাবাড়ী-তারাকান্দি-ভূয়াপুর প্রধান সড়কে তারাকান্দি যমুনা সার কারখানা সংলগ্ন তিতাস মোড় এলাকায় নতুন বাইপাস রাস্তা নির্মান করে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর। এরপর থেকেই কারখানা কমান্ডিং এরিয়ার পানি, বাহিরের ড্রেনের পানি ও বৃষ্টিতে জমে থাকা পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না থাকার কারনে দুই রাস্তার মাঝে হাটু পানি জমে থাকে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। ফলে প্রতিদিন এসব দুষিত ও বিষাক্ত পানির ভেতর দিয়ে চলাচল করছে স্থানীয়রা। রাস্তায় জমে থাকার পাশাপাশি আশেপাশের বাড়ীতে ঢুকছে এসব দুষিত পানি। এতে করে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে স্থানীয়রা। অনেকে পানি থেকে নিজেদের বাসা-বাড়ী বাঁচাতে নতুন রাস্তার উপর দিয়েছেন বাধ। ফলে পানি কোথাও নামতে না পারার কারনে পাশের বাসা বাড়ীতে ঢুকে পড়ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী আফজাল হোসেন, জলিল মিয়া ও সানোয়ারা বেগম বলেন, এই নতুন করার পর থেকেই সামান্য বৃষ্টিতে পানি জমে থাকে। এর প্রধান কারন হচ্ছে যমুনা সার কারখানার ভেতরের ও বাহিরের পানি নিষ্কাশনের জন্য কোন ব্যবস্থা নেই। আগে এখানে বিলের মতো ছিলো তখন পানি এখানে নিষ্কাশন হতো। এখন রাস্তা হওয়ার কারনে পানি কোথাও যেতে পারে না। ফলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এসব দূষিত পানি দোকান ও বাড়ীতে উঠলে পানি মধ্যে আমাদের প্রতিদিন হাটতে হয়। এতে করে শরীরে নানা রকম চুলকানী ও ঘা হয়ে যাচ্ছে। আমরা পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে যমুনা সার কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আফাজ উদ্দিন বলেন, জমে থাকা পানি গুলো যমুনা সারকারখানার নয়। ওগুলো বৃষ্টির কারনে জমা পানি। যমুনা সারকারখানার পানি ওদিকে যায় না। তাছাড়া শুনেছি সেখানকার লোকজন জমে থাকা পানি বিলে বা আশেপাশের খোলা জায়গায় নামতে দিচ্ছে না। রাস্তার উপর বাধ দিয়ে পানি আটকে রেখেছে। ফলে পানি গুলো কোথাও নামতে পারছে না।