শিরোনাম
◈ মগবাজার পেয়ারাবাগে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও চার লেন রেলপথের কাজ চলতে বাধা নেই ◈ মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস ◈ ইসরায়েলে ইনটেলের সেমিকন্ডাক্টর কারখানায় বিস্ফোরণ, ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ◈ স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে যা জানাগেল ◈ কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব, সেক্রেটারির গাড়ি ভাঙচুর-হামলা ◈ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দুদিন ঘরবাড়ি পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ইতালি, বাংলাদেশে গড়তে চায় এমআরও হাব ◈ রাশিয়ার পর বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের নজর ◈ বুক কাঁপছে আতঙ্কে, তবু থামছে না জীবিকার লড়াই : জীবিকার টানে সৌদি ফিরছেন প্রবাসীরা ◈ রাত গভীর হলেই বাড়ে বিদ্যুতের চাহিদা, ৩ হাজার মেগাওয়াট যাচ্ছে কোথায়?

প্রকাশিত : ১৮ জুলাই, ২০২৬, ০৭:৪৩ বিকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফরিদপুরে হাত পা বাঁধা অবস্থায় ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার

ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুর সদরে হাত-পা বাঁধা, কীটনাশক খাওয়ানো অবস্থায় এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ব্যবসায়ীর মুক্তির জন্য তার পরিবারের কাছে কয়েক দফায় ৩০ হাজার টাকা চায় অপহরণকারীরা। টাকা দিতে না পারায় তার লাশ পাওয়া যায়।

শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল সাতটার দিকে ফরিদপুর সদর উপজেলার চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের রোকমান খার ডাঙ্গী গ্রামের একটি পাটখেত থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের শিকার ওই ব্যবসায়ীর নাম ইউসুফ ফকির (৪৫)। তিনি ফরিদপুর সদর উপজেলার চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের ৪ নাম্বার ওয়ার্ডের  রোকমান খার ডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা সেকেন ফকিরের ছেলে। তিনি ২ মেয়ে ও ১ ছেলের বাবা। ইউসুফ পেঁয়াজের পাইকারি ব্যবসায়ী ছিলেন।

মৃতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে তার শরীরটা কিছুটা খারাপ লাগছিল। তিনি তার স্ত্রীকে বলেন, মমিনখার হাট বাজারে গিয়ে একটা ডিসপেনসারি থেকে ডায়াবেটিস মাপাবেন। এই কথা বলে বাড়ি থেকে বাজারের উদ্দেশ্যে বের হন। বাজারের কাজ শেষ করে সন্ধ্যার দিকে একটি ইজিবাইকে নিজের বাড়ির সামনে এসে নামেন। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি।

Advertisement

মৃতের শ্বশুর আজিজ খান বলেন, যে ইজিবাইকে চড়ে তিনি বাজার থেকে বাড়িতে এসেছিলেন, সেই ইজিবাইক চালক আমাদেরকে বলেছে, সে বাড়ির সামনে তাকে নামিয়ে দিয়ে যায়। এরপর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কয়েকবার ইউসুফের মোবাইল নম্বরে কল করা হলে তিনি কেটে দেন। এরপর রাত নয়টার দিক থেকে তার নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় মৃতের ভাতিজা  সাইফুল ফকির বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে বারোটার দিকে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি জেনারেল ডায়েরি (জিডি) করেন।

মৃতের শ্বশুর আজিজ খান বলেন, গতকাল শুক্রবার বিকেলে প্রথমে আমার জামাতার মোবাইল নম্বর থেকে আমার মেয়ের নম্বরে ফোন করে ত্রিশ হাজার টাকা চাওয়া হয়। এই টাকা দিলে আমার জামাতাকে অক্ষত ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে অপহরণকারীরা। পরে তার নম্বরটি বন্ধ করে একটি আইপি নম্বর থেকে দুইবার কল দিয়ে একই দাবি করে। আমরা তার ঠিকানা জানতে চাইলে সেই ব্যক্তি ফোন কেটে দেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চরমাধবদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আলী মদ্দীন ফকির বলেন, আজ ভোর ছয়টার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি পাট কাটতে বের হয়। পরে ইউসুফের বাড়ির আনুমানিক ৩০০ মিটার দূরে একটি পাটখেতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ সময় তার মুখ দিয়ে কীটনাশকের বিষাক্ত প্রতিক্রিয়া হচ্ছিল। পাশেই একটি কীটনাশকের বোতলও ছিল।তাতে বোঝা যায় ভোরের কিছুটা আগেই এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। 

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, আমরা মরদেহটি উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি ময়নাতদন্তের জন্য। পাশাপাশি নানান বিষয় মাথায় রেখে আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি।

তিনি বলেন, যারা এ ঘটনার পেছনে আছে বা কী কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সেই ব্যাপারটি আমরা খুব দ্রুতই আপনাদের জানাতে পারব।

  • সর্বশেষ