শিরোনাম
◈ মগবাজার পেয়ারাবাগে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও চার লেন রেলপথের কাজ চলতে বাধা নেই ◈ মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস ◈ ইসরায়েলে ইনটেলের সেমিকন্ডাক্টর কারখানায় বিস্ফোরণ, ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ◈ স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে যা জানাগেল ◈ কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব, সেক্রেটারির গাড়ি ভাঙচুর-হামলা ◈ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দুদিন ঘরবাড়ি পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ইতালি, বাংলাদেশে গড়তে চায় এমআরও হাব ◈ রাশিয়ার পর বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের নজর ◈ বুক কাঁপছে আতঙ্কে, তবু থামছে না জীবিকার লড়াই : জীবিকার টানে সৌদি ফিরছেন প্রবাসীরা ◈ রাত গভীর হলেই বাড়ে বিদ্যুতের চাহিদা, ৩ হাজার মেগাওয়াট যাচ্ছে কোথায়?

প্রকাশিত : ১৬ জুলাই, ২০২৬, ০৯:১৬ রাত
আপডেট : ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুমিল্লায় হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ গেল ৬ মাসের শিশুর, মৃত্যু বেড়ে ১৩

শাহাজাদা এমরান, স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা : কুমিল্লায় হামের উপসর্গ নিয়ে ছয় মাস বয়সি এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর এ জেলায় হাম আক্রান্ত ও হাম সন্দেহে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ জনে।

একই সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা আড়াই হাজার ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

বুধবার সকালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায় বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মিয়া মঞ্জুর আহমেদ। মৃত খাদিজা কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার বাসিন্দা রাব্বি মিয়ার মেয়ে।

চিকিৎসক মঞ্জুর আহমেদ বলেন, মঙ্গলবার মধ্যরাতে হামের উপসর্গ নিয়ে খাদিজাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন সকালে শিশুটি মারা যায়। শিশুটিকে হাম সন্দেহজনক হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। ল্যাব পরীক্ষার ফল পাওয়ার মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

Advertisement

হাসপাতাল থেকে জানা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ২০ রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময় ২০ জন সন্দেহজনক এবং ১২ জনের শরীরে হাম শনাক্ত করা হয়। এ ছাড়া চিকিৎসা শেষে ১৭ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

চলতি বছরের ১৫ জুলাই পর্যন্ত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, হামের উপসর্গ নিয়ে মোট দুই হাজার ৯৫৯ রোগী হাসপাতালে আসেন। এর মধ্যে পরীক্ষায় ৪৪০ জনের হাম নিশ্চিত হয়। এ সময় হাম সন্দেহে ১২ জন এবং পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হামে একজনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ জনে।

এ ছাড়া এ বছর এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট দুই হাজার ৫০৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন দুই হাজার ৪৩৪ জন।

অধ্যাপক মঞ্জুর আহমেদ বলেন, হামের সংক্রমণ ঠেকাতে শিশুদের সময়মতো টিকা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। শিশুর জ্বর,শরীরে র‌্যাশ, কাশি বা চোখ লাল হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। হাম নিয়ে অভিভাবকদের আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

  • সর্বশেষ