শিরোনাম
◈ মগবাজার পেয়ারাবাগে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও চার লেন রেলপথের কাজ চলতে বাধা নেই ◈ মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস ◈ ইসরায়েলে ইনটেলের সেমিকন্ডাক্টর কারখানায় বিস্ফোরণ, ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ◈ স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে যা জানাগেল ◈ কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব, সেক্রেটারির গাড়ি ভাঙচুর-হামলা ◈ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দুদিন ঘরবাড়ি পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ইতালি, বাংলাদেশে গড়তে চায় এমআরও হাব ◈ রাশিয়ার পর বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের নজর ◈ বুক কাঁপছে আতঙ্কে, তবু থামছে না জীবিকার লড়াই : জীবিকার টানে সৌদি ফিরছেন প্রবাসীরা ◈ রাত গভীর হলেই বাড়ে বিদ্যুতের চাহিদা, ৩ হাজার মেগাওয়াট যাচ্ছে কোথায়?

প্রকাশিত : ১৫ জুলাই, ২০২৬, ০৭:৫৭ বিকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দোয়ারাবাজারে ৭৭ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তায়

নুর উদ্দিন, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার কলাউড়া দারুসসুন্নাত কাছিমিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের বড়খাল বহুমুখী স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভেনুতে এইচএসসি (আলিম) পরীক্ষায় গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নপত্র কেন্দ্রে মজুত থাকা সত্ত্বেও ভুলবশত ৭৭ জন নিয়মিত শিক্ষার্থীর হাতে ই-রেগুলার (অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের) প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়। শিক্ষার্থীরা বিষয়টি বুঝতে না পেরে ওই প্রশ্নেই পরীক্ষা সম্পন্ন করে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দেয়। বিষয়টি জেনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরূপ রতন সিংহ পরীক্ষা গ্রহণের দায়িত্বে থাকা সকলকে নিয়ে বুধবার দুপুরে বৈঠক করেন। একইসঙ্গে শিক্ষা বোর্ডের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

জানা যায়, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় এ অনিয়ম ঘটে। পরীক্ষা চলাকালীন কিংবা শেষে দায়িত্বপ্রাপ্তদের কেউ বিষয়টি শনাক্ত করতে না পারায় ৭৭ জন শিক্ষার্থীর পুরো পরীক্ষা ভুল প্রশ্নপত্রে সম্পন্ন হয়। এতে তাদের ফলাফল ও শিক্ষাজীবন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা জানান, তারা বুঝতেই পারেননি যে তাদের হাতে দেওয়া প্রশ্নপত্রটি ই-রেগুলার পরীক্ষার্থীদের জন্য। এখন তারা আশঙ্কা করছেন, উত্তরপত্র নিয়মিত প্রশ্নের সঙ্গে মূল্যায়ন করা হলে সবাই অকৃতকার্য হতে পারেন।

Advertisement

কেন্দ্র সচিব ও কলাউড়া দারুসসুন্নাত কাছিমিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা কালিম উল্লাহ বলেন, এটি আমাদের অনিচ্ছাকৃত ভুল। ভুলবশত নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ই-রেগুলার প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়েছে। এজন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবু হেনা মোস্তফা বলেন, আমি বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি। শিক্ষার্থীদের যাতে কোনো ধরনের ক্ষতি না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর সমাধানের চেষ্টা চলছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরূপ রতন সিংহ বলেন, বিষয়টি জেনে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিয়ে আজ বৈঠক করা হয়েছে। এখানে কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট সকলের অদায়িত্বশীলতা ও অবহেলা রয়েছে। আমরা প্রথমত শিক্ষার্থীদের যাতে কোন ক্ষতি না হয়, সেই বিষয়টি দেখছি। এজন্য শিক্ষা বোর্ডের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। দ্বিতীয়ত যারা এই ভুল করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দায়িত্ব থেকে তাদের কে সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

  • সর্বশেষ