শিরোনাম
◈ শাপলা চত্বর মামলা: তদন্ত শেষ, আসামির তালিকায় যারা ◈ ‘আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলা’, নতুন হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের ◈ উগ্রবাদী সংগঠনের প্রশিক্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার এনসিপি নেতা আতাউল্লাহ স্থায়ী বহিষ্কার ◈ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে নতুন রোডম্যাপ, কী থাকছে পরিকল্পনায় ◈ ব্যয় সংকোচনে কঠোর সরকার : গাড়ি কেনা-ভবন নির্মাণ বন্ধ, সীমিত হচ্ছে বিদেশ সফর ◈ ভারী বৃষ্টি ও উজানের পানি বিপৎসীমার ওপরে, ১০ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা ◈ দুর্ঘটনা নাকি চুরির সময় বিস্ফোরণ? অগ্নিদগ্ধ সৌদিপ্রবাসী মীর ইব্রাহিমের ঘটনা ঘিরে নতুন প্রশ্ন, সামনে এলো ভিন্ন দাবি ◈ যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের পরই বাংলাদেশ, খেলাপি ঋণে বিশ্বে দ্বিতীয়: ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ ছাড়াল ৬০ শতাংশ ◈ রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে জান্তা সরকারের পাশাপাশি সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা বিবেচনায়: প্রধানমন্ত্রী ◈ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস, নিহত বেড়ে ৮; তিন দিনে প্রাণহানি ২১

প্রকাশিত : ০৭ জুলাই, ২০২৬, ০৮:৫৬ রাত
আপডেট : ০৮ জুলাই, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নেত্রকোনায় নদীতে ভেসে ওঠা নবজাতকের মা ১২ বছরের কিশোরী

হাবিবুর রহমান, পূর্বধলা (নেত্রকোনা): নেত্রকোনার পূর্বধলায় কালিহর নদী থেকে গত ২৯ জুন এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কালো শার্টে জড়িয়ে, লাল রঙের রশি দিয়ে একটি ইটের সাথে বাঁধা ছিল মেয়েশিশুটির দেহ। ঘটনার দিন থেকেই তদন্তে নামে থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার বিকেলে পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, ওই নবজাতকের মা ১২ বছর বয়সী এক কিশোরী। প্রতিবেশী খালাতো ভাইয়ের ধর্ষণের শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিল মেয়েটি। এরপর সে একটি মৃত নবজাতকের জন্ম দেয়। বিষয়টি জানাজানির ভয়ে মৃতদেহটি নদীতে ভাসিয়ে দেয় অভিযুক্ত যুবক সাজান মিয়া (২৫)। পুলিশ ইতিমধ্যেই তাকে আটক করেছে।

পুলিশ আরও জানায়, প্রায় সাত মাস আগে ভুক্তভোগীর মা কর্মস্থলে থাকার সুযোগে অভিযুক্ত সাজান ওই শিশুটিকে প্রথমবার ধর্ষণ করে। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার ওপর একাধিকবার যৌন নির্যাতন চালানো হয়। বয়স কম হওয়ায় মেয়েটির গর্ভধারণের বিষয়টি পরিবারের নজরে আসেনি। গত ২৮ জুন গভীর রাতে তীব্র পেটব্যথার একপর্যায়ে শিশুটি বাড়ির শৌচাগারের পাশে একটি মৃত কন্যাশিশুর জন্ম দেয়। পরে বিষয়টি সে তার মাকে জানালে তিনি নবজাতকের মরদেহটি দেখতে পান। তখনই মেয়ের কাছ থেকে অভিযুক্ত সাজান মিয়ার নির্মম নির্যাতনের কথা জানতে পারেন তিনি।

তাৎক্ষণিকভাবে সাজানকে ডেকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে সে নিজের অপরাধ স্বীকার করে। তবে ঘটনাটি প্রকাশ না করার জন্য সে পরিবারটিকে নানাভাবে হুমকি দেয়। লোকচক্ষুর আড়ালে অপরাধ ধামাচাপা দিতে সেই রাতেই মৃত নবজাতককে নিজের শার্টে জড়িয়ে, ইটে বেঁধে কালিহর নদীতে ফেলে দেয় সাজান মিয়া।

পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল-মামুন জানান, এ ঘটনায় পৃথক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরী বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। ঘটনাটি আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়